ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রাস্তা সংস্কারের অভাবে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২
  • / ৪৩৯ বার পড়া হয়েছে

উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের প্রধান সড়কের বেহাল দশা।

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তুহিন রাজ, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের প্রধান সড়ক লঞ্চঘাট থেকে চরমোন্তাজ প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার ইটের রাস্তায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ইউনিয়নবাসীর। দুর্ঘটনাকে নিত্যদিনের সঙ্গী করেই যাতায়াত করছে ইউনিয়নের জন সাধারন। দীর্ঘদিন ইটের ওই রাস্তা সংস্কার না করায় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও ইট না থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।

স্থানীয় এলজিইডি অফিসের তথ্যে জানাগেছে, চরমোন্তাজ লঞ্চঘাট থেকে চরমোন্তাজ পুরান বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ১৬শ মিটার ইটের রাস্তা রয়েছে। যার মধ্যে ১ হাজার মিটার রাস্তার প্রাক্কলন প্রস্তুত করে ঢাকা অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে। রাস্তাটির অনুমোদন আসলে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইউনিয়নের প্রধান যোগাযোগ ওই রাস্তাটি খানা খন্দরের কারনে ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের যোগাযোগে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবে স্থানীয় মানুষের ভাষ্য, এই রাস্তা দিয়ে গাড়ীতে চলাচলে আতঙ্কে থাকেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানায়, এই রাস্তাটি দিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত, ইউনিয়ন পরিষদ, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, হাই স্কুল এবং বাজারে প্রতিদিন হাজারো লোকের আসা যাওয়া। অথচ সংস্কার না হওয়া খানাখন্দে ভরা রাস্তাটি দিয়ে প্রতিনিয়ত গাড়ীর দুর্ঘটনা ঘটছে অহরহ। আবার কেউ কেউ বলছে এই দুর্লভ রাস্তা দিয়ে পায় হেটে কিংবা গাড়ীতে চরে যাতায়াত করাও বিপদ জনক। ইটের ওই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না। কৃষকদের ধান, তরমুজসহ অন্যান্য পণ্য বাজারজাত করতে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে এলাকার মানুষের চরম ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আরিফ বলেন, ‘ভাঙা এই রাস্তায় প্রতিনিয়ত আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। পথচারীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি আমাদের যাতায়াতে অনেক সমস্যা হচ্ছে। যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচল করাও কারও অসম্ভব হয়ে পরছে। এ রাস্তার ওপর নির্ভরশীল বিপুল জনগোষ্ঠীর দুর্দশা লাঘবে কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেউ। এ অবস্থায় রাস্তাটি সংস্কার করে এলাকাবাসীর ভোগান্তি দুর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।’

চরমোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান এ,কে সামসুদ্দিন বলেন, ‘চরমোন্তাজ ইউনিয়নের প্রধান যোগাযোগ ওই রাস্তাটির বিষয় নিয়ে উপজেলা সমন্বয় মিটিংয়ে কথা বলেছি। আশা করছি দ্রæত জনদুর্ভোগ লাঘবের ব্যবস্থা করবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।’

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মিজানুল কবির বলেন, ‘রাস্তাটির প্রস্তাব ঢাকা অফিসে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা অফিসে দতবির না করলে তো হবে না। এ বিষয়ে আমি এমপি মহোদয়ের সাথে আলাপ করেছি।’

বা/খ: এসআর

 

নিউজটি শেয়ার করুন

রাস্তা সংস্কারের অভাবে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসি

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২২

তুহিন রাজ, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের প্রধান সড়ক লঞ্চঘাট থেকে চরমোন্তাজ প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার ইটের রাস্তায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ইউনিয়নবাসীর। দুর্ঘটনাকে নিত্যদিনের সঙ্গী করেই যাতায়াত করছে ইউনিয়নের জন সাধারন। দীর্ঘদিন ইটের ওই রাস্তা সংস্কার না করায় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও ইট না থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।

স্থানীয় এলজিইডি অফিসের তথ্যে জানাগেছে, চরমোন্তাজ লঞ্চঘাট থেকে চরমোন্তাজ পুরান বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ১৬শ মিটার ইটের রাস্তা রয়েছে। যার মধ্যে ১ হাজার মিটার রাস্তার প্রাক্কলন প্রস্তুত করে ঢাকা অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে। রাস্তাটির অনুমোদন আসলে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইউনিয়নের প্রধান যোগাযোগ ওই রাস্তাটি খানা খন্দরের কারনে ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের যোগাযোগে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবে স্থানীয় মানুষের ভাষ্য, এই রাস্তা দিয়ে গাড়ীতে চলাচলে আতঙ্কে থাকেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানায়, এই রাস্তাটি দিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত, ইউনিয়ন পরিষদ, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, হাই স্কুল এবং বাজারে প্রতিদিন হাজারো লোকের আসা যাওয়া। অথচ সংস্কার না হওয়া খানাখন্দে ভরা রাস্তাটি দিয়ে প্রতিনিয়ত গাড়ীর দুর্ঘটনা ঘটছে অহরহ। আবার কেউ কেউ বলছে এই দুর্লভ রাস্তা দিয়ে পায় হেটে কিংবা গাড়ীতে চরে যাতায়াত করাও বিপদ জনক। ইটের ওই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না। কৃষকদের ধান, তরমুজসহ অন্যান্য পণ্য বাজারজাত করতে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে এলাকার মানুষের চরম ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আরিফ বলেন, ‘ভাঙা এই রাস্তায় প্রতিনিয়ত আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। পথচারীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি আমাদের যাতায়াতে অনেক সমস্যা হচ্ছে। যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচল করাও কারও অসম্ভব হয়ে পরছে। এ রাস্তার ওপর নির্ভরশীল বিপুল জনগোষ্ঠীর দুর্দশা লাঘবে কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেউ। এ অবস্থায় রাস্তাটি সংস্কার করে এলাকাবাসীর ভোগান্তি দুর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।’

চরমোন্তাজ ইউপি চেয়ারম্যান এ,কে সামসুদ্দিন বলেন, ‘চরমোন্তাজ ইউনিয়নের প্রধান যোগাযোগ ওই রাস্তাটির বিষয় নিয়ে উপজেলা সমন্বয় মিটিংয়ে কথা বলেছি। আশা করছি দ্রæত জনদুর্ভোগ লাঘবের ব্যবস্থা করবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।’

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মিজানুল কবির বলেন, ‘রাস্তাটির প্রস্তাব ঢাকা অফিসে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা অফিসে দতবির না করলে তো হবে না। এ বিষয়ে আমি এমপি মহোদয়ের সাথে আলাপ করেছি।’

বা/খ: এসআর