ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৩৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
ভবিষ্যতে ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও আটটি জাহাজের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি অর্থায়নে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়, সেজন্য আমাদের নিজের টাকা দিয়ে একটা ফান্ড তৈরি করেছি, যার নাম বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর ডেভেলপমেন্ট অর্থাৎ বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল। আমরা এই ফান্ড থেকেই কাজ শুরু করেছি। বাংলাদেশের ভৌগলিক যে অবস্থান, সেই অবস্থানকে কেন্দ্র করে এদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থান যে দ্রুত পরিবর্তন করা সম্ভব এটা জাতির পিতা সবসময় বলতেন।

সরকারপ্রধান বলেন, পয়রা বন্দর তৈরি করার বিষয়টি যখন বলি তখন অনেকেই বাধা দিয়েছে, বলেছে এখানে বন্দর হওয়া সম্ভব না। কারণ এখানে অনেক সিল্ট (সিল্ট হলো একটি কঠিন, ধূলিকণার মতো পলল যা পানি, বরফ এবং বায়ু পরিবহন ও জমা করে) আছে, বিশেষ করে আমাদের রামনাবাদ চ্যানেল, এখানে এতো বেশি সিল্ট যে পলি অপসারণ করা বা পরিবহন যোগাযোগের এতো বেশি সুযোগ করা যাবে না।

সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক বাধা আপত্তি অতিক্রম করে ২০১৬ সালে বন্দরের অপারেশনাল কাজ শুরু করি। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিতভাবে কয়লাসহ অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ আসতে শুরু করে এখানে। পায়রা নামটা আমরাই দেওয়া। এখানে আমরা কয়লাভিত্তিক একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লার পরিবহন দিয়ে বন্দরের কাজ শুরু হয়।

এসময় সরকারপ্রধান বলেন, বিদেশি অর্থায়নে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। সে কারণে আমাদের রিজার্ভের টাকা দিয়ে একটা ফান্ড তৈরি করি। সেই ফান্ডের নামও আমি দিয়েছিলাম। বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড অর্থাৎ বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল। রির্জাভের টাকা দিয়েই ফান্ডটা তৈরি করে বন্দরে কাজ শুরু করি। আমরা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে ২ শতাংশ হারে ঋণ দিয়েছি। অনেকে প্রশ্ন করেন, রিভার্ভের টাকা গেলো কোথায়? মানুষের কল্যাণে রিজার্ভের টাকা খরচ করা হচ্ছে, উধাও হয়ে যায়নি। রিজার্ভের টাকা গিয়েছে পায়রাবন্দরে। রিজার্ভের টাকা গিয়েছে খাদ্য কেনায়, সারে ও মানুষের দৈনিন্দন চাহিদা মেটানোর জন্য। টাকা কেউ চিবিয়ে খায়নি, মানুষের কাজে লাগছে। এ ছাড়াও আমদানিতে কাজে লাগানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা পদ্মাসেতু নির্মাণ করেছি, এখানেও একটা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছিল। আমাদের একটা অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেটা কিন্তু প্রমাণ করতে পারেনি। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম পদ্মাসেতু নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ করব। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে আমরা পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে করতে সক্ষম হয়েছি। আজকে বিশ্বকে দেখাতে পেরেছি, বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না, আমরাও পারি। এটা আজকে আমরা প্রমাণ করেছি।

তিনি আরো বলেন, এই বন্দরটা তৈরি করার যখন চিন্তাভাবনা করি, সেসময়ে অনেকে বাধা দিয়েছেন। কারণ এখানে এত বেশি সিল্ট রয়েছে, নদীবন্দর করা অসম্ভব। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, কারণ আমি নিজেই এসব অঞ্চল স্পিডবোটে ঘুরেছি। আর জাতির পিতার কাছ থেকে এ অঞ্চলের কথা শুনেছি। সেসময় থেকে চিন্তা ছিল এখানে একটা বন্দর করার। প্রথমে যখন শুরু করি, অনেক বাধা ছিল। সেসময়ের নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানকে ধন্যবাদ জানাই। আমি তাকে বলে এখানে একটা বন্দর করতে চাই, তিনি বলেন, আমরা করতে পারব। নিজে গেলেন এবং দেখলেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থে কাজটি শুরু হয়। ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে এই বন্দরের কাজ শুরু হয়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিতভাবে কয়লাসহ অন্যান্য জাহাজসমূহ আসতে শুরু করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদীতে ড্রেজিং করার বিষয়টি কেউ গ্রহণই করতে চাইতো না। আমি আমার বাবার কাছ থেকে ছোটবেলায় শুনেছি, আমাদের দেশের নদীগুলো সবসময় ড্রেজিং করা দরকার। নৌ চলাচল অব্যাহত রাখাতে হবে।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ২০৭টি বাণিজ্যিক জাহাজ এ বন্দরে এসেছে এবং এর মাধ্যমে ৬১৩ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আয় হয়েছে। চ্যানেলের যে গভীরতা ৬.৩ মিটার ধরে রাখার জন্য ড্রেজিংয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যা এখনও স্থিতিশীল আছে। পায়রা বন্দরের সক্ষমতাকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা বর্তমানে এই চ্যানেলে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের কাজ হাতে নিয়েছি। যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ড্রেজিং কাজ। এর ফলে বন্দর থেকে সাগরের মধ্যে ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ, ১০০ থেকে ১২৫ মিটার প্রশস্ত এবং কমবেশি ১০.৫ মিটার গভীরতার চ্যানেল সৃষ্টি হবে।

তিনি আরো বলেন, নিজেদের রির্জাভের টাকা ভবিষ্যতে আমাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারি। বন্দরকে আমরা লোন দিয়েছি, খুব অল্প সুদে, ঘরের টাকা ঘরেই থাকবে, শুধু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাবে। এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা।

পায়রা সমুদ্রবন্দরে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো হলো: বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং, আটটি জাহাজের উদ্বোধন, প্রথম টার্মিনাল এবং ছয় লেনের সংযোগ সড়ক ও একটি সেতু নির্মাণ।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সোহায়েল, নৌ পরিবহন সচিব মোস্তফা কামাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
ভবিষ্যতে ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও আটটি জাহাজের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি অর্থায়নে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়, সেজন্য আমাদের নিজের টাকা দিয়ে একটা ফান্ড তৈরি করেছি, যার নাম বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর ডেভেলপমেন্ট অর্থাৎ বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল। আমরা এই ফান্ড থেকেই কাজ শুরু করেছি। বাংলাদেশের ভৌগলিক যে অবস্থান, সেই অবস্থানকে কেন্দ্র করে এদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থান যে দ্রুত পরিবর্তন করা সম্ভব এটা জাতির পিতা সবসময় বলতেন।

সরকারপ্রধান বলেন, পয়রা বন্দর তৈরি করার বিষয়টি যখন বলি তখন অনেকেই বাধা দিয়েছে, বলেছে এখানে বন্দর হওয়া সম্ভব না। কারণ এখানে অনেক সিল্ট (সিল্ট হলো একটি কঠিন, ধূলিকণার মতো পলল যা পানি, বরফ এবং বায়ু পরিবহন ও জমা করে) আছে, বিশেষ করে আমাদের রামনাবাদ চ্যানেল, এখানে এতো বেশি সিল্ট যে পলি অপসারণ করা বা পরিবহন যোগাযোগের এতো বেশি সুযোগ করা যাবে না।

সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক বাধা আপত্তি অতিক্রম করে ২০১৬ সালে বন্দরের অপারেশনাল কাজ শুরু করি। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিতভাবে কয়লাসহ অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ আসতে শুরু করে এখানে। পায়রা নামটা আমরাই দেওয়া। এখানে আমরা কয়লাভিত্তিক একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লার পরিবহন দিয়ে বন্দরের কাজ শুরু হয়।

এসময় সরকারপ্রধান বলেন, বিদেশি অর্থায়নে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। সে কারণে আমাদের রিজার্ভের টাকা দিয়ে একটা ফান্ড তৈরি করি। সেই ফান্ডের নামও আমি দিয়েছিলাম। বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড অর্থাৎ বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল। রির্জাভের টাকা দিয়েই ফান্ডটা তৈরি করে বন্দরে কাজ শুরু করি। আমরা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে ২ শতাংশ হারে ঋণ দিয়েছি। অনেকে প্রশ্ন করেন, রিভার্ভের টাকা গেলো কোথায়? মানুষের কল্যাণে রিজার্ভের টাকা খরচ করা হচ্ছে, উধাও হয়ে যায়নি। রিজার্ভের টাকা গিয়েছে পায়রাবন্দরে। রিজার্ভের টাকা গিয়েছে খাদ্য কেনায়, সারে ও মানুষের দৈনিন্দন চাহিদা মেটানোর জন্য। টাকা কেউ চিবিয়ে খায়নি, মানুষের কাজে লাগছে। এ ছাড়াও আমদানিতে কাজে লাগানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা পদ্মাসেতু নির্মাণ করেছি, এখানেও একটা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছিল। আমাদের একটা অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেটা কিন্তু প্রমাণ করতে পারেনি। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম পদ্মাসেতু নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ করব। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে আমরা পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে করতে সক্ষম হয়েছি। আজকে বিশ্বকে দেখাতে পেরেছি, বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না, আমরাও পারি। এটা আজকে আমরা প্রমাণ করেছি।

তিনি আরো বলেন, এই বন্দরটা তৈরি করার যখন চিন্তাভাবনা করি, সেসময়ে অনেকে বাধা দিয়েছেন। কারণ এখানে এত বেশি সিল্ট রয়েছে, নদীবন্দর করা অসম্ভব। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, কারণ আমি নিজেই এসব অঞ্চল স্পিডবোটে ঘুরেছি। আর জাতির পিতার কাছ থেকে এ অঞ্চলের কথা শুনেছি। সেসময় থেকে চিন্তা ছিল এখানে একটা বন্দর করার। প্রথমে যখন শুরু করি, অনেক বাধা ছিল। সেসময়ের নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানকে ধন্যবাদ জানাই। আমি তাকে বলে এখানে একটা বন্দর করতে চাই, তিনি বলেন, আমরা করতে পারব। নিজে গেলেন এবং দেখলেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থে কাজটি শুরু হয়। ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে এই বন্দরের কাজ শুরু হয়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিতভাবে কয়লাসহ অন্যান্য জাহাজসমূহ আসতে শুরু করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদীতে ড্রেজিং করার বিষয়টি কেউ গ্রহণই করতে চাইতো না। আমি আমার বাবার কাছ থেকে ছোটবেলায় শুনেছি, আমাদের দেশের নদীগুলো সবসময় ড্রেজিং করা দরকার। নৌ চলাচল অব্যাহত রাখাতে হবে।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ২০৭টি বাণিজ্যিক জাহাজ এ বন্দরে এসেছে এবং এর মাধ্যমে ৬১৩ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আয় হয়েছে। চ্যানেলের যে গভীরতা ৬.৩ মিটার ধরে রাখার জন্য ড্রেজিংয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যা এখনও স্থিতিশীল আছে। পায়রা বন্দরের সক্ষমতাকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা বর্তমানে এই চ্যানেলে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের কাজ হাতে নিয়েছি। যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ড্রেজিং কাজ। এর ফলে বন্দর থেকে সাগরের মধ্যে ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ, ১০০ থেকে ১২৫ মিটার প্রশস্ত এবং কমবেশি ১০.৫ মিটার গভীরতার চ্যানেল সৃষ্টি হবে।

তিনি আরো বলেন, নিজেদের রির্জাভের টাকা ভবিষ্যতে আমাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারি। বন্দরকে আমরা লোন দিয়েছি, খুব অল্প সুদে, ঘরের টাকা ঘরেই থাকবে, শুধু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাবে। এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা।

পায়রা সমুদ্রবন্দরে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো হলো: বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং, আটটি জাহাজের উদ্বোধন, প্রথম টার্মিনাল এবং ছয় লেনের সংযোগ সড়ক ও একটি সেতু নির্মাণ।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সোহায়েল, নৌ পরিবহন সচিব মোস্তফা কামাল।