ঢাকা ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

একই নম্বরে হবে জন্মনিবন্ধন, এনআইডি ও পাসপোর্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশাল ব্যুরো অফিস : 

এখন থেকে শিশুর জন্মের সঙ্গে সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। আর এ নিবন্ধন নম্বরটিই হবে জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর বলে। জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ওই নম্বরটি নাগরিকের পাসপোর্ট নম্বর হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে বরিশাল সার্কিট হাউজে জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়াটি শেষ হবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, সুশাসন হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া যা সরকারি কর্মচারীরা বাস্তবায়ন করেন। সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে সরকারি কর্মচারীদের শুদ্ধাচারী হতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করারও আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় আরো বক্তৃতা করেন এটুআই প্রোগ্রামের উপদেষ্টা কামরুন নাহার, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব সাফায়েত জামিল। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান, ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সভা শেষে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে নগরীর পুলিশ লাইন্স মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় করেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব। নামাজের আগে শুদ্ধাচার ও ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

একই নম্বরে হবে জন্মনিবন্ধন, এনআইডি ও পাসপোর্ট

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

বরিশাল ব্যুরো অফিস : 

এখন থেকে শিশুর জন্মের সঙ্গে সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। আর এ নিবন্ধন নম্বরটিই হবে জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর বলে। জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ওই নম্বরটি নাগরিকের পাসপোর্ট নম্বর হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে বরিশাল সার্কিট হাউজে জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়াটি শেষ হবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, সুশাসন হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া যা সরকারি কর্মচারীরা বাস্তবায়ন করেন। সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে সরকারি কর্মচারীদের শুদ্ধাচারী হতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করারও আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় আরো বক্তৃতা করেন এটুআই প্রোগ্রামের উপদেষ্টা কামরুন নাহার, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব সাফায়েত জামিল। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান, ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সভা শেষে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে নগরীর পুলিশ লাইন্স মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় করেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব। নামাজের আগে শুদ্ধাচার ও ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।