ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকের হারানো ৪৮ হাজার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ফেরত দিলেন ফটোগ্রাফার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৭৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে বেড়াতে এসে ঘোরাঘুরির সময় মিজানুর রহমান (৩৯) এক পর্যটকের হারানো ৪৮ হাজার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশের মাধ্যেমে ফেরত দিলেন মো. হাবিব নামের এক ফটোগ্রাফার।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকালে লেম্বুরচর ওই পর্যটক পরিবার নিয়ে ঘুরতে যায় একই পকেটে মোবাইল ও টাকা রাখায় মোবাইল উঠাতে গিয়ে টাকা পড়ে যায়।পরে খোজাখুজি ও স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে না পেয়ে হোটেলে চলে আসে। পরে লেম্বুরচরে ছবি তুলতে যাওয়া এক ফটোগ্রাফার টাকাগুলো কুড়িয়ে পেয়ে কুয়াকাটা ফটোগ্রাফার মালিক সমিতির সভাপতির কাছে জমা দিলে। সভাপতি আল আমিন কাজী ট্যুরিষ্ট পুলিশের মাধ্যেমে ওই পর্যককে খুজে টাকাগুলো ফেরত দেন।
বগুড়া থেকে আগত পর্যটক মিজানুর রহমন বলেন, আমি লেম্বুর বনে ঘুরতে যাওয়ার পরে নামাজ পরতে মসজিদে গেলে পকেটে হাত দিয়ে টাকা না পেয়ে তাৎক্ষনিক মাইকিং করিয়ে না পেয়ে ভাবছি টাকা আর পাবো না। কিন্তু বিকেলে ট্যুরিস্ট পুলিশ আমাকে খবর দিলে গিয়ে দেখি ফটোগ্রাফার ও তাদের সভাপতি টাকা নিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সে দাড়িয়ে আছে। আমি ওই ফটোগ্রাফার এবং ও স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং মানুষের ব্যবহারে মুগ্ধ হয়েছি। এত সৎ মানুষ আমি কম দেখেছি।কুয়াকাটা সৈকতের হাবিব নামের ওই ফটোগ্রাফার বলেন, আমি ছবি তুলতে ছিলাম তখন হঠাৎ একটি টিস্যু পেপারে মোড়ানো কিছু টাকা পেয়ে আমি কাউকে না দিয়ে সরাসরি আমাদের সভাপতির মাধ্যেমে ট্যুরিষ্ট পুলিশকে দেই। পরে টাকার আসল মালিককে পেয়ে তার হাতে ফেরত দেই। পরের টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ কখনোই ছিল না আমার। যার টাকা তাকে দিতে পেরে আমি আনন্দিত।
সৈকতে দায়িত্বে থাকা ট্যুরিষ্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, ফটোগ্রাফারদের সভাপতির কাছে একজন কিছু কুড়িয়ে পাওয়া টাকা জমা দিয়ে টাকার মালিককে খুজতে আমাদের সহযোগীতা চাওয়া হলে আমরা মাইকিং করি এবং ভিবিন্ন মাধ্যেমে ছড়িয়ে দেই। পরে মিজানুর রহমান নামের এই পর্যটক আসে এবং টাকার সঠিক বর্ননা দেয়ার পওে তার টাকা তাকে ফেরত দেই।
বা/খ: এসআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকের হারানো ৪৮ হাজার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ফেরত দিলেন ফটোগ্রাফার

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে বেড়াতে এসে ঘোরাঘুরির সময় মিজানুর রহমান (৩৯) এক পর্যটকের হারানো ৪৮ হাজার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশের মাধ্যেমে ফেরত দিলেন মো. হাবিব নামের এক ফটোগ্রাফার।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকালে লেম্বুরচর ওই পর্যটক পরিবার নিয়ে ঘুরতে যায় একই পকেটে মোবাইল ও টাকা রাখায় মোবাইল উঠাতে গিয়ে টাকা পড়ে যায়।পরে খোজাখুজি ও স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে না পেয়ে হোটেলে চলে আসে। পরে লেম্বুরচরে ছবি তুলতে যাওয়া এক ফটোগ্রাফার টাকাগুলো কুড়িয়ে পেয়ে কুয়াকাটা ফটোগ্রাফার মালিক সমিতির সভাপতির কাছে জমা দিলে। সভাপতি আল আমিন কাজী ট্যুরিষ্ট পুলিশের মাধ্যেমে ওই পর্যককে খুজে টাকাগুলো ফেরত দেন।
বগুড়া থেকে আগত পর্যটক মিজানুর রহমন বলেন, আমি লেম্বুর বনে ঘুরতে যাওয়ার পরে নামাজ পরতে মসজিদে গেলে পকেটে হাত দিয়ে টাকা না পেয়ে তাৎক্ষনিক মাইকিং করিয়ে না পেয়ে ভাবছি টাকা আর পাবো না। কিন্তু বিকেলে ট্যুরিস্ট পুলিশ আমাকে খবর দিলে গিয়ে দেখি ফটোগ্রাফার ও তাদের সভাপতি টাকা নিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সে দাড়িয়ে আছে। আমি ওই ফটোগ্রাফার এবং ও স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং মানুষের ব্যবহারে মুগ্ধ হয়েছি। এত সৎ মানুষ আমি কম দেখেছি।কুয়াকাটা সৈকতের হাবিব নামের ওই ফটোগ্রাফার বলেন, আমি ছবি তুলতে ছিলাম তখন হঠাৎ একটি টিস্যু পেপারে মোড়ানো কিছু টাকা পেয়ে আমি কাউকে না দিয়ে সরাসরি আমাদের সভাপতির মাধ্যেমে ট্যুরিষ্ট পুলিশকে দেই। পরে টাকার আসল মালিককে পেয়ে তার হাতে ফেরত দেই। পরের টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ কখনোই ছিল না আমার। যার টাকা তাকে দিতে পেরে আমি আনন্দিত।
সৈকতে দায়িত্বে থাকা ট্যুরিষ্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, ফটোগ্রাফারদের সভাপতির কাছে একজন কিছু কুড়িয়ে পাওয়া টাকা জমা দিয়ে টাকার মালিককে খুজতে আমাদের সহযোগীতা চাওয়া হলে আমরা মাইকিং করি এবং ভিবিন্ন মাধ্যেমে ছড়িয়ে দেই। পরে মিজানুর রহমান নামের এই পর্যটক আসে এবং টাকার সঠিক বর্ননা দেয়ার পওে তার টাকা তাকে ফেরত দেই।
বা/খ: এসআর।