বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৬ দিনে ৭৪৫ কোটি ছাড়িয়েছে ‘পাঠান’ পুলের ধারে বসে চুরুট ধরালেন সুস্মিতা দেশে চার হাজার ৬৩৩টি ইটভাটা অবৈধ: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে : মহিলাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী চার্লসের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়ে কুমিল্লার জয় মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি : মেয়র আতিক দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে : রাষ্ট্রপতি আকাশে কেবিন ক্রুকে নারী যাত্রীর থাপ্পড় সাহস থাকলে দেশে আসুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পকেটে আহলে হাদিসের দুই কোটি ভোট : সংসদে এমপি রহমতুল্লাহ প্ররোচনায় পড়ে র‌্যাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কারামুক্ত যুবদল নেতা নয়ন ‘ভারতীয় ছবি রিলিজের পক্ষে সবাই থাকলেও আমি নেই’-রাউজানে অভিনেতা রুবেল ইসলামপুরে দৈনিক গণমুক্তি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত অবসরে গেলেন সকলের প্রিয় ফজলু স্যার

কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকের হারানো ৪৮ হাজার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ফেরত দিলেন ফটোগ্রাফার

কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকের হারানো ৪৮ হাজার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ফেরত দিলেন ফটোগ্রাফার

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে বেড়াতে এসে ঘোরাঘুরির সময় মিজানুর রহমান (৩৯) এক পর্যটকের হারানো ৪৮ হাজার টাকা কুড়িয়ে পেয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশের মাধ্যেমে ফেরত দিলেন মো. হাবিব নামের এক ফটোগ্রাফার।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকালে লেম্বুরচর ওই পর্যটক পরিবার নিয়ে ঘুরতে যায় একই পকেটে মোবাইল ও টাকা রাখায় মোবাইল উঠাতে গিয়ে টাকা পড়ে যায়।পরে খোজাখুজি ও স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে না পেয়ে হোটেলে চলে আসে। পরে লেম্বুরচরে ছবি তুলতে যাওয়া এক ফটোগ্রাফার টাকাগুলো কুড়িয়ে পেয়ে কুয়াকাটা ফটোগ্রাফার মালিক সমিতির সভাপতির কাছে জমা দিলে। সভাপতি আল আমিন কাজী ট্যুরিষ্ট পুলিশের মাধ্যেমে ওই পর্যককে খুজে টাকাগুলো ফেরত দেন।
বগুড়া থেকে আগত পর্যটক মিজানুর রহমন বলেন, আমি লেম্বুর বনে ঘুরতে যাওয়ার পরে নামাজ পরতে মসজিদে গেলে পকেটে হাত দিয়ে টাকা না পেয়ে তাৎক্ষনিক মাইকিং করিয়ে না পেয়ে ভাবছি টাকা আর পাবো না। কিন্তু বিকেলে ট্যুরিস্ট পুলিশ আমাকে খবর দিলে গিয়ে দেখি ফটোগ্রাফার ও তাদের সভাপতি টাকা নিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সে দাড়িয়ে আছে। আমি ওই ফটোগ্রাফার এবং ও স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং মানুষের ব্যবহারে মুগ্ধ হয়েছি। এত সৎ মানুষ আমি কম দেখেছি।কুয়াকাটা সৈকতের হাবিব নামের ওই ফটোগ্রাফার বলেন, আমি ছবি তুলতে ছিলাম তখন হঠাৎ একটি টিস্যু পেপারে মোড়ানো কিছু টাকা পেয়ে আমি কাউকে না দিয়ে সরাসরি আমাদের সভাপতির মাধ্যেমে ট্যুরিষ্ট পুলিশকে দেই। পরে টাকার আসল মালিককে পেয়ে তার হাতে ফেরত দেই। পরের টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ কখনোই ছিল না আমার। যার টাকা তাকে দিতে পেরে আমি আনন্দিত।
সৈকতে দায়িত্বে থাকা ট্যুরিষ্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, ফটোগ্রাফারদের সভাপতির কাছে একজন কিছু কুড়িয়ে পাওয়া টাকা জমা দিয়ে টাকার মালিককে খুজতে আমাদের সহযোগীতা চাওয়া হলে আমরা মাইকিং করি এবং ভিবিন্ন মাধ্যেমে ছড়িয়ে দেই। পরে মিজানুর রহমান নামের এই পর্যটক আসে এবং টাকার সঠিক বর্ননা দেয়ার পওে তার টাকা তাকে ফেরত দেই।
বা/খ: এসআর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *