ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ৩৪ কোটি ৫০ লাখ: জাতিসংঘ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • / ৫২৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাদ্য সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ জানিয়েছে বিশ্বে এখন ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ক্ষুধার জ্বালায় ভুগছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নতুন করে ৭ কোটি মানুষ এ সমস্যায় পড়েছে। খবর আল জাজিরা’র

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রধান ডেভিড বিসলে নিরাপত্তা কাউন্সিলকে বলেন, বিশ্বের ৮২টি দেশের ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে ভুগছে। ২০২০ সালের আগ থেকেই এ খাদ্য সংকট শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৪৫ টি দেশের ৫ কোটি মানুষ ভয়াবহ পুষ্টির সমস্যায় ভূগছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে তাদের দরজায় দুর্ভিক্ষ কড়া নাড়ছে।

এমন পরিস্থিতি তৈরির জন্য তিনি বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত, করোনা মহামারি, জলবায়ু পরিবতন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধকে দয়ী করেছেন।

খাদ্য সংকট সমাধনে যদি আমরা এখনই কাজ শুরু না করি তাহলে এ পরিস্থিতি আগামী বছর ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল ইউথোপিয়া, উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং ইয়েমেনের খাদ্য সংকট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে বেসলি এবং জাতিসংঘের মানবিক প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, এসব দেশের পাশাপাশি সোমালিয়া এবং আফগানিস্তানেও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ৩৪ কোটি ৫০ লাখ: জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ০৪:০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

খাদ্য সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ জানিয়েছে বিশ্বে এখন ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ক্ষুধার জ্বালায় ভুগছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নতুন করে ৭ কোটি মানুষ এ সমস্যায় পড়েছে। খবর আল জাজিরা’র

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রধান ডেভিড বিসলে নিরাপত্তা কাউন্সিলকে বলেন, বিশ্বের ৮২টি দেশের ৩৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে ভুগছে। ২০২০ সালের আগ থেকেই এ খাদ্য সংকট শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৪৫ টি দেশের ৫ কোটি মানুষ ভয়াবহ পুষ্টির সমস্যায় ভূগছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে তাদের দরজায় দুর্ভিক্ষ কড়া নাড়ছে।

এমন পরিস্থিতি তৈরির জন্য তিনি বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত, করোনা মহামারি, জলবায়ু পরিবতন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধকে দয়ী করেছেন।

খাদ্য সংকট সমাধনে যদি আমরা এখনই কাজ শুরু না করি তাহলে এ পরিস্থিতি আগামী বছর ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল ইউথোপিয়া, উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং ইয়েমেনের খাদ্য সংকট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে বেসলি এবং জাতিসংঘের মানবিক প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস বলেন, এসব দেশের পাশাপাশি সোমালিয়া এবং আফগানিস্তানেও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।