মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সেনবাগে এক বিদ্যালয়ের ৪৩ এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষার্থীর সকলেই ফেল! ১০ শিক্ষক অবরুদ্ধ সুইস বাধা ডিঙিয়ে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি পরিবারের মাঝে ৮ শ’ ভেড়া বিতরণ শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে রোমাঞ্চকর জয় ঘানার গুলিস্তানে রেডজোনে দোকান বসানোয় পাঁচজনের জেল জামানত নয়, কৃষিঋণে কৃষকের এনআইডি যথেষ্ট: কৃষিসচিব সমকাল সাংবাদিক শিমুলের ছেলে সাদিক ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হতে চায় কৃষকের কোমরে দড়ি, যাদের কাছে হাজার কোটি টাকা তাদের কিছু হয় না : আপিল বিভাগ ‘লগে আছি ডটকম’-এর এমডি গ্রেফতার! ৩২ বছর আগের নায়িকাকে নিয়ে সালমান ফিরছেন রিমেক নিয়ে আমার আপত্তি নেই : ইয়োহানি জার্সিতে পা লাগায় মেসিকে মেক্সিকান বক্সারের হুমকি! একসঙ্গে জিপিএ-৫ পেলেন বাবা-ছেলে! কোটি কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে, আমরা কি চেয়ে চেয়ে দেখব : হাইকোর্ট প্রেমিকার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবিতে আটক ৩

প্রফিট শেয়ার করার জন্য হাওয়া ভবন ও পিএমওতে উন্নয়ন উইং নেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রফিট শেয়ার করার জন্য হাওয়া ভবন ও পিএমওতে উন্নয়ন উইং নেই : প্রধানমন্ত্রী
গণভবনে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
মুনাফার আগে দেশ ও মানুষের কথা ভাবতে হবে। আপনার লাভের (প্রফিটের) অংশ শেয়ার করার জন্য এখানে কোনো হাওয়া ভবনও নেই, আর পিএমও-তে (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে) কোনো উন্নয়ন উইংও নেই যে, হাওয়া ভবনে এক ভাগ দিতে হবে, উন্নয়ন ভবনে এক ভাগ দিতে হবে বা অমুক জায়গায় দিতে হবে। এই যন্ত্রণা তো আপনাদের ভুগতে হয় না এখন আর। এটা তো আপনারা নিশ্চয় স্বীকার করবেন, সেই যন্ত্রণা থেকে তো সবাই মুক্ত বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) গণভবনে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক ও রফতানিকারকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন প্রফিটের (লাভ) ব্যাপারে চিন্তা করেন। আগে তো একটা বড় অংশ হাওয়া হয়ে যেতো। এখন আর সেই হাওয়া হওয়ার ব্যবস্থাটা নাই। সেখান থেকে সবাইকে মুক্ত রেখেছি। তো সেটাই মাথায় রেখে যদি মনে করেন যে, দেশের কথা চিন্তা করে, দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে…।

ব্যবসায়ীদের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাদের দেশ ও মানুষের কথা ভাবতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯-এ সরকার গঠনের পর আমাদের ব্যবসায়ীরা সে যে দলেরই হোক আমরা কিন্তু ওখানে দল বাছতে যাইনি। যে দলেরই হোক, যাতে তারা ব্যবসাটা ব্যবসায়ী হিসেবে করতে পারে, সেই পরিবেশটা আমি সৃষ্টি করে দিয়েছি।

টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, এতদিন এই ১৪ বছর একটানা ধারাবাহিকভাবে আপনারা লাভজনক ব্যবসাটা করে গেছেন, এখনকার… আমরা কিন্তু করোনার সময়ও সেটা মোকাবিলা করলাম। প্রণোদনা দিলাম, বিশেষ প্রণোদনা, আমার কাছে কেউ এসে দাবি করেননি। কেউ বলে নাই। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার একটা টিম খুব ভালো কাজ করছিল কোথায় কী করা যেতে পারে। আমার অর্থনীতির চাকাটাকে চলমান রাখতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো তাদের ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ, তাদের সমস্ত কর্মকাণ্ড বন্ধ, সব কিছু। আমরা বলেছি, আমরা এখানে বন্ধ হতে দেবো না, আমার এখানে চালু করে রাখতে হবে। শ্রমিকদের বেতন, এই যে গার্মেন্টস, তার বেতন তো আমি দিয়ে দিলাম সব। প্রণোদনা প্যাকেজ করলাম, বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করলাম।

গণভবনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া প্রমুখ।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানসহ দেশের শীর্ষ কয়েকজন ব্যবসায়ী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *