ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

৩০ শতাংশ ভোটারেই সন্তুষ্ট আওয়ামী লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪
  • / ৪৩২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের কিছু বেশি। ভোটের হার কম থাকার পরেও সন্তুষ্টি জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘উপস্থিতি খুব ভালো হয়েছে বলবো না। মোটামুটি সন্তোষজনক।’

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপ। প্রথম ধাপের মতো এবারও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল তুলনামুলক বেশ কম। সাধারণত স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের উৎসাহ বেশি থাকলেও এবার তা দেখা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএনপি নির্বাচন বর্জন করায় ভোটারদের মধ্যে ভোট নিয়ে উৎসাহ কম।

ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ভোটগ্রহণ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘৩০ শতাংশ ভোট কখনোই সন্তোষজনক নয়। একটা বড় দলের নির্বাচন বর্জন ভোটার উপস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’

ভোট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪২ প্লাস। বিএনপি নেতাদের বলব, আপনাদের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে বিবিসি মন্তব্য করেছিল ৫ শতাংশ, তখন সরকারিভাবে নির্বাচন কমিশন বলেছিল ২১ শতাংশ। তাহলে আপনাদের জাতীয় নির্বাচনে উপস্থিতি ২১ এর তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৩০+ কম কিসে?’

বিএনপির সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা আরও বলেন, ‘বিএনপি ও তাদের সমমনাদের অবিরাম মিথ্যাচার, এক ধরনের বুদ্ধিজীবীদের অপপ্রচার আছে। টিআইবির অপপ্রচার আছে। আরও কিছু নামিদামি বুদ্ধিজীবী আছেন, তারা নির্বাচন সম্পর্কে অপপ্রচার মিথ্যাচার করেছেন মানুষের আগ্রহ নষ্ট করতে। উপস্থিতি খুব ভালো হয়েছে বলবো না। মোটামুটি সন্তোষজনক।’

গত ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনও বর্জন করেছিল বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা। বিএনপির দাবি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনেই তারা অংশ নেবে না। অবশ্য দলটির তৃণমূলের অনেক নেতাই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। প্রথমধাপের নির্বাচনে তাদের অনেকেই বিজয়ী হয়েছে। তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া নেতাদের এরই মধ্যে দলীয় সব পদ থেকে বহিস্কার করেছে বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দ্বিতীয় ধাপেও উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক। রক্তপাত ছাড়া বিএনপি আমলে কোন স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়নি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

৩০ শতাংশ ভোটারেই সন্তুষ্ট আওয়ামী লীগ

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের কিছু বেশি। ভোটের হার কম থাকার পরেও সন্তুষ্টি জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘উপস্থিতি খুব ভালো হয়েছে বলবো না। মোটামুটি সন্তোষজনক।’

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপ। প্রথম ধাপের মতো এবারও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল তুলনামুলক বেশ কম। সাধারণত স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের উৎসাহ বেশি থাকলেও এবার তা দেখা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএনপি নির্বাচন বর্জন করায় ভোটারদের মধ্যে ভোট নিয়ে উৎসাহ কম।

ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ভোটগ্রহণ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘৩০ শতাংশ ভোট কখনোই সন্তোষজনক নয়। একটা বড় দলের নির্বাচন বর্জন ভোটার উপস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’

ভোট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪২ প্লাস। বিএনপি নেতাদের বলব, আপনাদের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে বিবিসি মন্তব্য করেছিল ৫ শতাংশ, তখন সরকারিভাবে নির্বাচন কমিশন বলেছিল ২১ শতাংশ। তাহলে আপনাদের জাতীয় নির্বাচনে উপস্থিতি ২১ এর তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৩০+ কম কিসে?’

বিএনপির সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা আরও বলেন, ‘বিএনপি ও তাদের সমমনাদের অবিরাম মিথ্যাচার, এক ধরনের বুদ্ধিজীবীদের অপপ্রচার আছে। টিআইবির অপপ্রচার আছে। আরও কিছু নামিদামি বুদ্ধিজীবী আছেন, তারা নির্বাচন সম্পর্কে অপপ্রচার মিথ্যাচার করেছেন মানুষের আগ্রহ নষ্ট করতে। উপস্থিতি খুব ভালো হয়েছে বলবো না। মোটামুটি সন্তোষজনক।’

গত ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনও বর্জন করেছিল বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা। বিএনপির দাবি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনেই তারা অংশ নেবে না। অবশ্য দলটির তৃণমূলের অনেক নেতাই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। প্রথমধাপের নির্বাচনে তাদের অনেকেই বিজয়ী হয়েছে। তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া নেতাদের এরই মধ্যে দলীয় সব পদ থেকে বহিস্কার করেছে বিএনপি।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দ্বিতীয় ধাপেও উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক। রক্তপাত ছাড়া বিএনপি আমলে কোন স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়নি।’