ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের জনসভায় বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার ব্যুরো অফিস : 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ এর পরই ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনেও আমি আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই।

বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের জন্য কাজ করতে পারছি। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভোট বৃথা যায়নি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে আমরা নিয়ে যেতে চাই, উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। ২০৪১ সালের মধ্যে এই বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে দিনেদুপুরে গ্রেনেড হামলা করেছিল তারেক-খালেদা গং। যুদ্ধের ময়দানের গ্রেনেড আমাদের ওপর ছোড়া হয়েছিল। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতাকর্মী মারা যায়। আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে গিয়েছিলাম।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। বাবা-মা-ভাই-আত্মীয়-স্বজন হারিয়ে আমি রিক্ত, নিঃস্ব। কিন্তু যে বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা প্রাণ দিয়ে গেছেন, তাদের জন্য কাজ করব। এদেশের মানুষের মাঝেই খুঁজে নেব প্রয়াত আত্মীয়-স্বজনকে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এ দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশীল দেশে নিয়ে যেতে চাই।

শেখ হাসিনা বলেন, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে আমরা উন্নয়ন করেছি। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ল্যাব করেছি। এছাড়া বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতার মাধ্যমে মানুষের সাহায্য করা হচ্ছে।

বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি এদেশের মানুষকে কী দিয়েছে? অগ্নিসন্ত্রাস, গুম-খুন, হত্যা, লুটপাট, মানিলন্ডারিং, দেশের টাকা বিদেশে নিয়ে যাওয়া এবং চোরাকারবারি ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা ৩ হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা দেশের উন্নয়ন না করে সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে, লুট করেছে এবং জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে তারা কীভাবে জনগণের পাশে থাকবে। বিএনপি ক্ষমতায় থেকে এদেশের মানুষকে কিছু দেয়নি বরং জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত করে এদেশে অগ্নিকাণ্ড, মানি লন্ডারিং, চাঁদাবাজি, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের একমাত্র লক্ষ্য এ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের মঙ্গল করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতিমের টাকা মেরে খাওয়া ও বিদেশে সম্পদ পাচারই ছিল খালেদা-তারেকের কাজ। তারা দেশের শান্তি চায় না। অস্ত্র মামলায় এখনো তাদের একজন সাজা ভোগ করছে।

টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, আপনারা আমাদের ভোট দিয়েছেন নৌকা মার্কায়। আমরা এই কক্সবাজারের উন্নয়ন করেছি। পরপর তিনবার ক্ষমতায় আসতে পেরেছি। ধারাবাহিকভাবে ২০০৯ সাল থেকে এই ২০২২ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি আছে বলেই এদেশের উন্নয়ন হচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে ঘুমধুম রেললাইনের ব্যবস্থা করেছি আমরা। এখানে আগে প্রচুর চিংড়ি উৎপাদন হতো কিন্তু কালের বিবর্তনে তা কমে যাওয়ায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চিংড়ি উৎপাদন প্রকল্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারকে ভোলো না। তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে পায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। তাই বলবো উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিন। সেবা করার সুযোগ দিন। যতদিন বেঁচে আছি, দেশের জন্য কাজ করে যাব।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, এই কক্সবাজার বঙ্গবন্ধুর খুবই প্রিয় একটি জায়গা। প্রতিবছর তিনি আমাদের এখানে বেড়াতে নিয়ে আসতেন। জাতির জনকের সঙ্গে এখানকার অনেক স্মৃতি জড়িত। বিএনপি-জামায়াত কখনো কক্সবাজারের উন্নয়ন চায়নি। তারা এখানে কিছুই করেনি। ৭৫-এ মা বাবাকে হারিয়ে এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য আমার সংগ্রাম শুরু হয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কক্সবাজারে একে একে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ বয়েই চলছে। আমি আজ ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি। চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। চলমান রয়েছে আরো অনেক প্রকল্প।

উপস্থিত সবাই আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন- এমন ওয়াদা চান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি নৌকায় ভোট দেবেন? আপনারা হাত তুলে ওয়াদা করেন দেবেন কিনা?’ এ সময় নেতাকর্মীরা হাত তুলে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার ওয়াদা করেন। ওয়াদা করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এই টুকুই বলবো- রিক্ত আমি, নিঃস্ব আমি, দেবার কিছু নেই। আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই।

জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই টুকুই বলবো- রিক্ত আমি, নিঃস্ব আমি, দেবার কিছু নেই। আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই।’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আপনারা দোয়া করবেন। আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে সব সময় দোয়া করি, আপনারা ভালো থাকেন, সুস্থ থাকুন, উন্নত জীবন পান, সেই কামনা করি।

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, দপ্তর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২

কক্সবাজার ব্যুরো অফিস : 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ এর পরই ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনেও আমি আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই।

বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের জন্য কাজ করতে পারছি। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভোট বৃথা যায়নি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে আমরা নিয়ে যেতে চাই, উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। ২০৪১ সালের মধ্যে এই বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে দিনেদুপুরে গ্রেনেড হামলা করেছিল তারেক-খালেদা গং। যুদ্ধের ময়দানের গ্রেনেড আমাদের ওপর ছোড়া হয়েছিল। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতাকর্মী মারা যায়। আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে গিয়েছিলাম।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। বাবা-মা-ভাই-আত্মীয়-স্বজন হারিয়ে আমি রিক্ত, নিঃস্ব। কিন্তু যে বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা প্রাণ দিয়ে গেছেন, তাদের জন্য কাজ করব। এদেশের মানুষের মাঝেই খুঁজে নেব প্রয়াত আত্মীয়-স্বজনকে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এ দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশীল দেশে নিয়ে যেতে চাই।

শেখ হাসিনা বলেন, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে আমরা উন্নয়ন করেছি। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ল্যাব করেছি। এছাড়া বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতার মাধ্যমে মানুষের সাহায্য করা হচ্ছে।

বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি এদেশের মানুষকে কী দিয়েছে? অগ্নিসন্ত্রাস, গুম-খুন, হত্যা, লুটপাট, মানিলন্ডারিং, দেশের টাকা বিদেশে নিয়ে যাওয়া এবং চোরাকারবারি ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা ৩ হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা দেশের উন্নয়ন না করে সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে, লুট করেছে এবং জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে তারা কীভাবে জনগণের পাশে থাকবে। বিএনপি ক্ষমতায় থেকে এদেশের মানুষকে কিছু দেয়নি বরং জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত করে এদেশে অগ্নিকাণ্ড, মানি লন্ডারিং, চাঁদাবাজি, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের একমাত্র লক্ষ্য এ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের মঙ্গল করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতিমের টাকা মেরে খাওয়া ও বিদেশে সম্পদ পাচারই ছিল খালেদা-তারেকের কাজ। তারা দেশের শান্তি চায় না। অস্ত্র মামলায় এখনো তাদের একজন সাজা ভোগ করছে।

টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, আপনারা আমাদের ভোট দিয়েছেন নৌকা মার্কায়। আমরা এই কক্সবাজারের উন্নয়ন করেছি। পরপর তিনবার ক্ষমতায় আসতে পেরেছি। ধারাবাহিকভাবে ২০০৯ সাল থেকে এই ২০২২ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি আছে বলেই এদেশের উন্নয়ন হচ্ছে। বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে ঘুমধুম রেললাইনের ব্যবস্থা করেছি আমরা। এখানে আগে প্রচুর চিংড়ি উৎপাদন হতো কিন্তু কালের বিবর্তনে তা কমে যাওয়ায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চিংড়ি উৎপাদন প্রকল্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারকে ভোলো না। তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে পায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। তাই বলবো উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিন। সেবা করার সুযোগ দিন। যতদিন বেঁচে আছি, দেশের জন্য কাজ করে যাব।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, এই কক্সবাজার বঙ্গবন্ধুর খুবই প্রিয় একটি জায়গা। প্রতিবছর তিনি আমাদের এখানে বেড়াতে নিয়ে আসতেন। জাতির জনকের সঙ্গে এখানকার অনেক স্মৃতি জড়িত। বিএনপি-জামায়াত কখনো কক্সবাজারের উন্নয়ন চায়নি। তারা এখানে কিছুই করেনি। ৭৫-এ মা বাবাকে হারিয়ে এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য আমার সংগ্রাম শুরু হয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কক্সবাজারে একে একে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ বয়েই চলছে। আমি আজ ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি। চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। চলমান রয়েছে আরো অনেক প্রকল্প।

উপস্থিত সবাই আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন- এমন ওয়াদা চান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আপনারা কি নৌকায় ভোট দেবেন? আপনারা হাত তুলে ওয়াদা করেন দেবেন কিনা?’ এ সময় নেতাকর্মীরা হাত তুলে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার ওয়াদা করেন। ওয়াদা করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এই টুকুই বলবো- রিক্ত আমি, নিঃস্ব আমি, দেবার কিছু নেই। আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই।

জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই টুকুই বলবো- রিক্ত আমি, নিঃস্ব আমি, দেবার কিছু নেই। আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই।’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আপনারা দোয়া করবেন। আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে সব সময় দোয়া করি, আপনারা ভালো থাকেন, সুস্থ থাকুন, উন্নত জীবন পান, সেই কামনা করি।

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, দপ্তর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।