ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

২০১৪ ও ২০১৮ ভুলে যান : আমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বর্তমান সংসদ বহাল রেখে শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান।

বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন আমান।

তিনি বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন বাংলাদেশে আর হবে না। ইভিএমেও ভোট হবে না। জনগণ তা হতে দেবে না। সুতরাং সরকারের ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন করার কোনো পরিকল্পনা থাকলে তা ভুলে যেতে হবে। সরকারকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে, সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, হামলা-মামলা, অত্যাচার-নির্যাতন, গ্রেফতার করে বিএনপি ও চলমান আন্দোলনকে দমানো যাবে না। আমরা রাজপথে নেমেছি, এই সরকারকে বিদায় করেই ঘরে ফিরবো।

ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘৫২, ‘৬২, ‘৬৯, ‘৭১ ও ‘৯০ এ ফয়সালা রাজপথে হয়েছে। এবারও রাজপথেই ফয়সালা হবে। প্রয়োজনে দেশে ‘৬৯ এর মতো আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে।

বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান প্রসঙ্গে আমান উল্লাহ আমান বলেন, পুলিশ বিএনপি কাযালয়ে প্রবেশ করে যেভাবে তাণ্ডব চালিয়েছে, তা পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে।

এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নাগরিক মঞ্চের চারটি দলের নেতৃবৃন্দ বিএনপির ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শনে আসেন। নেতারা হলেন-বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ শামীম, মহাসচিব মো. শওকত হেসেন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান মুফাসসির অধ্যাপক বাজলুর রহমান আমিনী, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুদ হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০১৪ ও ২০১৮ ভুলে যান : আমান

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বর্তমান সংসদ বহাল রেখে শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান।

বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন আমান।

তিনি বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন বাংলাদেশে আর হবে না। ইভিএমেও ভোট হবে না। জনগণ তা হতে দেবে না। সুতরাং সরকারের ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো নির্বাচন করার কোনো পরিকল্পনা থাকলে তা ভুলে যেতে হবে। সরকারকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে, সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, হামলা-মামলা, অত্যাচার-নির্যাতন, গ্রেফতার করে বিএনপি ও চলমান আন্দোলনকে দমানো যাবে না। আমরা রাজপথে নেমেছি, এই সরকারকে বিদায় করেই ঘরে ফিরবো।

ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, ‘৫২, ‘৬২, ‘৬৯, ‘৭১ ও ‘৯০ এ ফয়সালা রাজপথে হয়েছে। এবারও রাজপথেই ফয়সালা হবে। প্রয়োজনে দেশে ‘৬৯ এর মতো আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে।

বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান প্রসঙ্গে আমান উল্লাহ আমান বলেন, পুলিশ বিএনপি কাযালয়ে প্রবেশ করে যেভাবে তাণ্ডব চালিয়েছে, তা পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে।

এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নাগরিক মঞ্চের চারটি দলের নেতৃবৃন্দ বিএনপির ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শনে আসেন। নেতারা হলেন-বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ শামীম, মহাসচিব মো. শওকত হেসেন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান মুফাসসির অধ্যাপক বাজলুর রহমান আমিনী, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুদ হোসেন।