ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

১৭ লাখ টাকায় বিক্রি হলো উল্লাপাড়ার টাইটানিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩
  • / ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// রাজু আহমেদ সাহান, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি //
পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আর মাত্র বাকী ২ দিন । ঈদকে সামনে রেখে উল্লাপাড়ার কোরবানি পশুর হাটগুলোতে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে। উপজেলার গ্যাসলাইন পশুর হাট, বড়হর, জনতার হাট, বোয়ালিয়া বাজার, কয়ড়া হাট এবং সলংগা পশুর হাটে যেমন রং-বেরঙ্গের কোরবানির পশু উঠছে তেমনি রয়েছে এর ক্রেতা ও পাইকার। দামও যথেষ্ঠ ভালো পাচ্ছে খামারিরা। তবে কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদাররা কোরবানি উপলক্ষে দ্বিগুণ খাজনা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে ক্রেতাদের।
রবিবার সকালে উল্লাপাড়ায় টাইটনিক নামের ১৬’শ কেজি ওজনের একটি অস্ট্রেলিয়ান জাতের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান গরু ১৭ লাখ টাকায় এবং পাকিস্তানি শাহিয়াল জাতের আরও দুটি গরু ২৪ লাখ টাকায় বিক্রি করেন উপজেলার কয়ড়া গ্রমের খামারি মোঃ রঞ্জু মিয়া। গরু ৩ টি তুলনামূলক সাশ্রয়ে ক্রয় করেছেন বলে জানান ঢাকা থেকে আগত গরু ব্যবসায়ীরা।
মোঃ রঞ্জু মিয়া জানান, তিনি তার খামারে দুই বছর পূর্বে বিভিন্ন জাতের ১৬টি গরু প্রতিপালনের জন্য ক্রয় করেন। তাদর মধ্যে টাইটনিক নামের ১৬’শ কেজি ওজনের ১টি গরু তিনি তৈরি করে তা বিক্রি করেন ১৭ লাখ টাকায়। শাহিয়াল জাতের আরো দুটি বিক্রি করেন ২৪ লাখ টাকায়। এখন তার খামারে শাহিয়াল জাতের আরো ১৩টি গরু রয়েছে। তবে এগুলোর মধ্যে কালো মানিক নামের ১৫’শ কেজি ওজনের প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু রবিবারে ঢাকার গাবতলি হাটে বিক্রয়ের জন্য নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগেই তার পালিত গরুগুলো বিক্রি হলে বেশ তিনি আশা করেন। বর্তমান দামে বিক্রি হলে বেশ কিছু টাকা লাভ হবে বলে তিনি জানান।
উল্লাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন চন্দ্র দেবনাথ সর্বোচ্চ দামে মোঃ রঞ্জু মিয়ার গরু বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উল্লাপাড়ায় চলতি বছরে কোরবানীর জন্য প্রায় ৫৯ হাজার ৩শ’ ৮০ টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে এ বছর স্থানীয় ভাবে কোরবানী গরুর চাহিদা রয়েছে ৪১ হাজার ২৫০ টি। সেক্ষেত্রে প্রায় ৯ হাজার গরু খামারিদের জেলার বাইরে দেশের অন্যত্র বিক্রি করতে হবে।
ডাঃ স্বপন চন্দ্র দেবনাথ আরো জানান, অনেক গরু বিক্রেতা তাদের কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় এখনও  গরুগুলো হাটে তুলে আবারও বাড়ী ফেরত নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৭ লাখ টাকায় বিক্রি হলো উল্লাপাড়ার টাইটানিক

আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩
// রাজু আহমেদ সাহান, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি //
পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আর মাত্র বাকী ২ দিন । ঈদকে সামনে রেখে উল্লাপাড়ার কোরবানি পশুর হাটগুলোতে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে। উপজেলার গ্যাসলাইন পশুর হাট, বড়হর, জনতার হাট, বোয়ালিয়া বাজার, কয়ড়া হাট এবং সলংগা পশুর হাটে যেমন রং-বেরঙ্গের কোরবানির পশু উঠছে তেমনি রয়েছে এর ক্রেতা ও পাইকার। দামও যথেষ্ঠ ভালো পাচ্ছে খামারিরা। তবে কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদাররা কোরবানি উপলক্ষে দ্বিগুণ খাজনা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে ক্রেতাদের।
রবিবার সকালে উল্লাপাড়ায় টাইটনিক নামের ১৬’শ কেজি ওজনের একটি অস্ট্রেলিয়ান জাতের হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান গরু ১৭ লাখ টাকায় এবং পাকিস্তানি শাহিয়াল জাতের আরও দুটি গরু ২৪ লাখ টাকায় বিক্রি করেন উপজেলার কয়ড়া গ্রমের খামারি মোঃ রঞ্জু মিয়া। গরু ৩ টি তুলনামূলক সাশ্রয়ে ক্রয় করেছেন বলে জানান ঢাকা থেকে আগত গরু ব্যবসায়ীরা।
মোঃ রঞ্জু মিয়া জানান, তিনি তার খামারে দুই বছর পূর্বে বিভিন্ন জাতের ১৬টি গরু প্রতিপালনের জন্য ক্রয় করেন। তাদর মধ্যে টাইটনিক নামের ১৬’শ কেজি ওজনের ১টি গরু তিনি তৈরি করে তা বিক্রি করেন ১৭ লাখ টাকায়। শাহিয়াল জাতের আরো দুটি বিক্রি করেন ২৪ লাখ টাকায়। এখন তার খামারে শাহিয়াল জাতের আরো ১৩টি গরু রয়েছে। তবে এগুলোর মধ্যে কালো মানিক নামের ১৫’শ কেজি ওজনের প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু রবিবারে ঢাকার গাবতলি হাটে বিক্রয়ের জন্য নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগেই তার পালিত গরুগুলো বিক্রি হলে বেশ তিনি আশা করেন। বর্তমান দামে বিক্রি হলে বেশ কিছু টাকা লাভ হবে বলে তিনি জানান।
উল্লাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন চন্দ্র দেবনাথ সর্বোচ্চ দামে মোঃ রঞ্জু মিয়ার গরু বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উল্লাপাড়ায় চলতি বছরে কোরবানীর জন্য প্রায় ৫৯ হাজার ৩শ’ ৮০ টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে এ বছর স্থানীয় ভাবে কোরবানী গরুর চাহিদা রয়েছে ৪১ হাজার ২৫০ টি। সেক্ষেত্রে প্রায় ৯ হাজার গরু খামারিদের জেলার বাইরে দেশের অন্যত্র বিক্রি করতে হবে।
ডাঃ স্বপন চন্দ্র দেবনাথ আরো জানান, অনেক গরু বিক্রেতা তাদের কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় এখনও  গরুগুলো হাটে তুলে আবারও বাড়ী ফেরত নিয়েছেন।