ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

১৭টি বিদেশি ব্রাউনি প্যাঁচা জব্দ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২
  • / ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গোতে অভিযান চালিয়ে ১৭টি বিদেশি ব্রাউনি প্যাঁচা জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এসব প্যাঁচা জব্দ করা হয়। পরে এনওসি বর্হিভূত হওয়ায় আমদানিকারকের বিরুদ্ধে মামলা ও বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পরিদর্শক নিগার সুলতানা জানান, মেসার্স শাহজালাল পেটস এন্ড ফার্মিং নামে একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মালি থেকে বৈধভাবে আনা ১৫টি হর্ণবিল পাখির সঙ্গে এনওসি বর্হিভূত ১৭টি প্যাঁচা আনে। সন্ধ্যার দিকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এনওসি বর্হিভূত ব্রাউনি প্যাঁচাগুলো জব্দ করে এবং বিষয়টি বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগকে জানায়।

পরে কাস্টমস আইন ১৯৬৯ লঙ্ঘন করায় আমদানিকারকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও তাদের কাছ থেকে ১৯ লাখ ৫২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অবৈধভাবে আনা এসব প্যাঁচাকে পরিপালন ও সংরক্ষণের জন্য রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমদানিকারকের চালানে প্রতিটি প্যাঁচার দাম দেখানো হয়েছে ৮৪৪ মার্কিন ডলার।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৭টি বিদেশি ব্রাউনি প্যাঁচা জব্দ

আপডেট সময় : ০৩:০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গোতে অভিযান চালিয়ে ১৭টি বিদেশি ব্রাউনি প্যাঁচা জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এসব প্যাঁচা জব্দ করা হয়। পরে এনওসি বর্হিভূত হওয়ায় আমদানিকারকের বিরুদ্ধে মামলা ও বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পরিদর্শক নিগার সুলতানা জানান, মেসার্স শাহজালাল পেটস এন্ড ফার্মিং নামে একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মালি থেকে বৈধভাবে আনা ১৫টি হর্ণবিল পাখির সঙ্গে এনওসি বর্হিভূত ১৭টি প্যাঁচা আনে। সন্ধ্যার দিকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এনওসি বর্হিভূত ব্রাউনি প্যাঁচাগুলো জব্দ করে এবং বিষয়টি বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগকে জানায়।

পরে কাস্টমস আইন ১৯৬৯ লঙ্ঘন করায় আমদানিকারকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও তাদের কাছ থেকে ১৯ লাখ ৫২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অবৈধভাবে আনা এসব প্যাঁচাকে পরিপালন ও সংরক্ষণের জন্য রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমদানিকারকের চালানে প্রতিটি প্যাঁচার দাম দেখানো হয়েছে ৮৪৪ মার্কিন ডলার।