ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

১৩ জুনের মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন না হলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের রানিং স্টাফদের কর্মসূচি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩
  • / ৪৬০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
// সৌরভ কুমার দেবনাথ, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি //
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের রানিং স্টাফদের মাইলেজ জটিলতা নিরসনসহ দাবীগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আগামী ১৩ জুন থেকে স্বাভাবিক কর্মঘন্টার বাইরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন না করার ঘোষণা দিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার ) দুপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী ( ক্যারেজ) আশিষ কুমার মন্ডলের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর আগে রেলওয়ের রানিং স্টাফদের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক স্টাফ পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত পথ সভা করেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির ঈশ্বরদী শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, রেলওয়েতে রানিং স্টাফ তথা ট্রেনের পরিচালক (গার্ড), ট্রেন টিকিট এক্সামিনার (টিটিই), ট্রেন চালক (এলএম) ও সহকারী ট্রেন চালক (এএলএম) সংকট রয়েছে। এ কারণে রেলওয়ের চাকাকে সচল রাখতে রানিং স্টাফরা প্রতিদিনের স্বাভাবিক কর্মঘন্টার পরও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে। এতে যথাযথ বিশ্রাম গ্রহন না করেই নতুন করে ডিউটি শুরু করতে হয়। যার কারণে রানিং স্টাফরা শারীরিক, মানুষিক, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। এতো কিছুর পর “আইবাস++”(ধারণা সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি) প্রদানের ক্ষেত্রে গত ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর  অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে রানিং স্টাফদের মাইলেজ সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি করে। পরবর্তিতে আন্দোলনের মুখে অপর একটি আদেশে আংশিক পরিবর্তন করে অর্জিত মাইলেজ প্রদানের নির্দেশ দেয়। কিন্তু এই আদেশে অবসরোত্তর আনুতোষিক ৭৫% মাইলেজ যোগ করার বিষয়টি আবারও খর্ব করা হয়। এর প্রতিবাদে গত ২০২২ সালের ১৩ এপ্রিল সারাদেশের রানিং স্টাফ ও কর্মচারীরা এক যোগে কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলনে যায়। বাধ্য হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনটি প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু এরপর থেকে এই বিষয়টি সমাধানের জন্য রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেও বিষয়টি সমাধান হয়নি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন গার্ড বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত রানিং স্টাফদের স্বার্থ বিরোধী প্রজ্ঞাপনটি আন্দোলনের মুখে প্রত্যহার করে নিলেও গত ২০২১ সালের ৩ নভেম্বরের পর থেকে অবসরে যাওয়া রানিং স্টাফদের পিআরএল শেষ হলেও মাইলেজ জটিলতার কারণে আজ পর্যন্ত তাদের ফাইনাল স্যাটেলমেন্ট সম্পন্ন হয়নি। যার কারণে পেনশন চালু না হওয়ায় অবসরে যাওয়া আমার মতো অনেকজন অর্থ সংকটে দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতিতে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করিছ।  এই সমস্যা সমাধানের জন্য রেলওয়েসহ সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছে না।
১৩ জুনের মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন না হলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের রানিং স্টাফদের কর্মসূচি
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির রাজশাহী শাখার সভাপতি টিটিই মনোয়ার হোসেন বলেন, ২০১৭ সালের পর থেকে রানিং স্টাফদের প্রমোশন বন্ধ রয়েছে। জনবল সংকটের কারণে রানিং স্টাফদের উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করাসহ প্রতিদিনের স্বাভাবিক কর্মঘন্টার পর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়।  কোনরুপ বিশ্রাম না নিয়েই নতুন করে ডিউটি শুরু করতে হয়। এতে দূর্ঘটনার আশংকা সম্ভাবনা রয়েছে। অথচ মাইলেজ দেওয়া হচ্ছে না।
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, রানিং স্টাফদের বেতনে ‘আইবাস++’ পদ্ধতির জটিলতা দূর করে মাসের প্রথম তারিখে প্রদান ও ৭৫% মাইলেজ যোগে পেনশন নিষ্পত্তি করার দাবী বাস্তবায়নটি এখন আমাদের নিকট মুখ্য। এছাড়া রানিং স্টাফদের পদোন্নতি, আইবাস++ এ বেতন সমস্যা সমাধান করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ লোকোমোটিভগুলোর যান্ত্রিক সমস্যা সমাধান করা, রানিং রুমের সমস্যা সমাধান করা, ট্রেন দুর্ঘটনারোধে অবৈধ লেভেলক্রসিং গেট বন্ধ করা, বিগত বছরের তুলনায় স্টাফদের প্রদান করা অসাঞ্জস্যপূর্ণ ইউনিফরম বাতিল করে পুর্বের ইউনিফরম বহাল রাখা, রানিং স্টাফদের পদোন্নতি ও নিয়োগ বিধি-২০২০ সংশোধন, আইন (জিএস রুল) মেনে গাড়ি চালানো, হাসানপুর স্টেশনে দূর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান, চুক্তিভিত্তিক লোকোবল নিয়োগ/ আউট সোর্সিং বন্ধ ও পে-স্কেল/১০টি বিশেষ ইনক্রিমেন্ট প্রদানের দাবিতে গত ১৩ মে/২৩ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্মারকলিপিটি রেলপথ মন্ত্রীসহ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট ১৪টি দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, রেলভবনে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত বিএনপির এক চক্র রয়েছে। যারা রেলকে বেসরকারীখাতে নেয়ার জন্য গভীরভাবে ষড়যন্ত্র করছে। এ কারণে রানিং স্টাফদের সমস্যা সমাধান করার ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে।
পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে থাকা বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী ( ক্যারেজ) আশিষ কুমার মন্ডল বলেন, রানিং স্টাফদের বিষয়টি রেলওয়ের সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হয়েছে। আলোচনা করা চলছে। আশা করছি রানিং স্টাফদের হার্ড লাইনে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৩ জুনের মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন না হলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের রানিং স্টাফদের কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩
// সৌরভ কুমার দেবনাথ, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি //
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের রানিং স্টাফদের মাইলেজ জটিলতা নিরসনসহ দাবীগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আগামী ১৩ জুন থেকে স্বাভাবিক কর্মঘন্টার বাইরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন না করার ঘোষণা দিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার ) দুপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী ( ক্যারেজ) আশিষ কুমার মন্ডলের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর আগে রেলওয়ের রানিং স্টাফদের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক স্টাফ পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত পথ সভা করেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির ঈশ্বরদী শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, রেলওয়েতে রানিং স্টাফ তথা ট্রেনের পরিচালক (গার্ড), ট্রেন টিকিট এক্সামিনার (টিটিই), ট্রেন চালক (এলএম) ও সহকারী ট্রেন চালক (এএলএম) সংকট রয়েছে। এ কারণে রেলওয়ের চাকাকে সচল রাখতে রানিং স্টাফরা প্রতিদিনের স্বাভাবিক কর্মঘন্টার পরও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে। এতে যথাযথ বিশ্রাম গ্রহন না করেই নতুন করে ডিউটি শুরু করতে হয়। যার কারণে রানিং স্টাফরা শারীরিক, মানুষিক, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। এতো কিছুর পর “আইবাস++”(ধারণা সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি) প্রদানের ক্ষেত্রে গত ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর  অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে রানিং স্টাফদের মাইলেজ সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি করে। পরবর্তিতে আন্দোলনের মুখে অপর একটি আদেশে আংশিক পরিবর্তন করে অর্জিত মাইলেজ প্রদানের নির্দেশ দেয়। কিন্তু এই আদেশে অবসরোত্তর আনুতোষিক ৭৫% মাইলেজ যোগ করার বিষয়টি আবারও খর্ব করা হয়। এর প্রতিবাদে গত ২০২২ সালের ১৩ এপ্রিল সারাদেশের রানিং স্টাফ ও কর্মচারীরা এক যোগে কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলনে যায়। বাধ্য হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনটি প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু এরপর থেকে এই বিষয়টি সমাধানের জন্য রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেও বিষয়টি সমাধান হয়নি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন গার্ড বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত রানিং স্টাফদের স্বার্থ বিরোধী প্রজ্ঞাপনটি আন্দোলনের মুখে প্রত্যহার করে নিলেও গত ২০২১ সালের ৩ নভেম্বরের পর থেকে অবসরে যাওয়া রানিং স্টাফদের পিআরএল শেষ হলেও মাইলেজ জটিলতার কারণে আজ পর্যন্ত তাদের ফাইনাল স্যাটেলমেন্ট সম্পন্ন হয়নি। যার কারণে পেনশন চালু না হওয়ায় অবসরে যাওয়া আমার মতো অনেকজন অর্থ সংকটে দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতিতে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করিছ।  এই সমস্যা সমাধানের জন্য রেলওয়েসহ সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছে না।
১৩ জুনের মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন না হলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের রানিং স্টাফদের কর্মসূচি
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির রাজশাহী শাখার সভাপতি টিটিই মনোয়ার হোসেন বলেন, ২০১৭ সালের পর থেকে রানিং স্টাফদের প্রমোশন বন্ধ রয়েছে। জনবল সংকটের কারণে রানিং স্টাফদের উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করাসহ প্রতিদিনের স্বাভাবিক কর্মঘন্টার পর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়।  কোনরুপ বিশ্রাম না নিয়েই নতুন করে ডিউটি শুরু করতে হয়। এতে দূর্ঘটনার আশংকা সম্ভাবনা রয়েছে। অথচ মাইলেজ দেওয়া হচ্ছে না।
বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, রানিং স্টাফদের বেতনে ‘আইবাস++’ পদ্ধতির জটিলতা দূর করে মাসের প্রথম তারিখে প্রদান ও ৭৫% মাইলেজ যোগে পেনশন নিষ্পত্তি করার দাবী বাস্তবায়নটি এখন আমাদের নিকট মুখ্য। এছাড়া রানিং স্টাফদের পদোন্নতি, আইবাস++ এ বেতন সমস্যা সমাধান করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ লোকোমোটিভগুলোর যান্ত্রিক সমস্যা সমাধান করা, রানিং রুমের সমস্যা সমাধান করা, ট্রেন দুর্ঘটনারোধে অবৈধ লেভেলক্রসিং গেট বন্ধ করা, বিগত বছরের তুলনায় স্টাফদের প্রদান করা অসাঞ্জস্যপূর্ণ ইউনিফরম বাতিল করে পুর্বের ইউনিফরম বহাল রাখা, রানিং স্টাফদের পদোন্নতি ও নিয়োগ বিধি-২০২০ সংশোধন, আইন (জিএস রুল) মেনে গাড়ি চালানো, হাসানপুর স্টেশনে দূর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান, চুক্তিভিত্তিক লোকোবল নিয়োগ/ আউট সোর্সিং বন্ধ ও পে-স্কেল/১০টি বিশেষ ইনক্রিমেন্ট প্রদানের দাবিতে গত ১৩ মে/২৩ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্মারকলিপিটি রেলপথ মন্ত্রীসহ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট ১৪টি দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, রেলভবনে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত বিএনপির এক চক্র রয়েছে। যারা রেলকে বেসরকারীখাতে নেয়ার জন্য গভীরভাবে ষড়যন্ত্র করছে। এ কারণে রানিং স্টাফদের সমস্যা সমাধান করার ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে।
পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে থাকা বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী ( ক্যারেজ) আশিষ কুমার মন্ডল বলেন, রানিং স্টাফদের বিষয়টি রেলওয়ের সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হয়েছে। আলোচনা করা চলছে। আশা করছি রানিং স্টাফদের হার্ড লাইনে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।