ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

হাসপাতালে ৫০ শতাংশ মৃত্যু কমবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৫০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড ক্যাজুয়ালিটি সার্ভিসের (ওসেক) মাধ্যমে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগী মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ কমে আসবে বলে আশা করছেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিসের (ওসেক) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওসেক চালু হলে হাসপাতালগুলোতে ৫০ শতাংশ মৃত্যু কমে যাবে। ইমার্জেন্সিতেই অর্ধেক রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে। এতে করে ইনডোরের রোগীর চাপ কমে যাবে। বেশি মানুষ সেবা পাবে। চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চাপ কমে আসবে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অধিকার। এজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, হাসপাতালে রোগীদের সেবার মান নিশ্চিত করতে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস খুবই জরুরি। এরই মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই সেবা চালু করা হয়েছে। দেশের সব বড় হাসপাতালে এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা হাসপাতালেও এই সেবা চালু করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। মানুষের গড় আয়ু এখন ৭৩ বছর হয়েছে। এটা জাদু না, কাজ করার ফলেই হয়েছে। আমারা চিকিৎসা খাতে কাজ করছি, তাই মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সব জেলা হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু করা হবে। এরই মধ্যে পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এটি চালু করা হয়েছে। বাকি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে শিগগির চালু করা হবে।

তিনি বলেন, একটি হাসপাতালে সেবার মান নিশ্চিতের জন্য ওসেক খুবই জরুরি। যা এরই মধ্যে দেশের চারটি বড় হাসপাতালে খোলা হয়েছে। হাসপাতালগুলো হলো- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশের সব বড় হাসপাতালে ওএসইসি (ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি কেয়ার) নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ওএসইসি খোলা হবে। এছাড়া যেসব হাসপাতালে বেশি রোগী সেবা নিতে আসেন, তা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনাও আমাদের আছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে আশঙ্কাজনক হারে অসংক্রামক রোগ বাড়ছে। এসব রোগে চিকিৎসার জন্য অসংখ্য মানুষ বিদেশে যায়। লোকে তো যাবেই, যদি আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা না করি। আমরা জনবল নিয়োগের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। শুধু করোনার মধ্যেই দেশে প্রায় ৪৫ হাজার নতুন লোক নিয়োগ দিয়েছি।

চিকিৎসকদের পদোন্নতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রমোশন নিয়ে আপনাদের অনেক অভিযোগ। দেরিতে প্রমোশন হয়। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে এ সমস্যা সমাধান করেছি। এখন থেকে প্রমোশন নিয়ে আপনাদের কোনো সমস্যা থাকবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

হাসপাতালে ৫০ শতাংশ মৃত্যু কমবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড ক্যাজুয়ালিটি সার্ভিসের (ওসেক) মাধ্যমে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগী মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ কমে আসবে বলে আশা করছেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিসের (ওসেক) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওসেক চালু হলে হাসপাতালগুলোতে ৫০ শতাংশ মৃত্যু কমে যাবে। ইমার্জেন্সিতেই অর্ধেক রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে। এতে করে ইনডোরের রোগীর চাপ কমে যাবে। বেশি মানুষ সেবা পাবে। চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চাপ কমে আসবে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অধিকার। এজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, হাসপাতালে রোগীদের সেবার মান নিশ্চিত করতে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস খুবই জরুরি। এরই মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই সেবা চালু করা হয়েছে। দেশের সব বড় হাসপাতালে এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা হাসপাতালেও এই সেবা চালু করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। মানুষের গড় আয়ু এখন ৭৩ বছর হয়েছে। এটা জাদু না, কাজ করার ফলেই হয়েছে। আমারা চিকিৎসা খাতে কাজ করছি, তাই মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সব জেলা হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু করা হবে। এরই মধ্যে পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এটি চালু করা হয়েছে। বাকি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে শিগগির চালু করা হবে।

তিনি বলেন, একটি হাসপাতালে সেবার মান নিশ্চিতের জন্য ওসেক খুবই জরুরি। যা এরই মধ্যে দেশের চারটি বড় হাসপাতালে খোলা হয়েছে। হাসপাতালগুলো হলো- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশের সব বড় হাসপাতালে ওএসইসি (ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি কেয়ার) নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ওএসইসি খোলা হবে। এছাড়া যেসব হাসপাতালে বেশি রোগী সেবা নিতে আসেন, তা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনাও আমাদের আছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে আশঙ্কাজনক হারে অসংক্রামক রোগ বাড়ছে। এসব রোগে চিকিৎসার জন্য অসংখ্য মানুষ বিদেশে যায়। লোকে তো যাবেই, যদি আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা না করি। আমরা জনবল নিয়োগের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। শুধু করোনার মধ্যেই দেশে প্রায় ৪৫ হাজার নতুন লোক নিয়োগ দিয়েছি।

চিকিৎসকদের পদোন্নতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রমোশন নিয়ে আপনাদের অনেক অভিযোগ। দেরিতে প্রমোশন হয়। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে এ সমস্যা সমাধান করেছি। এখন থেকে প্রমোশন নিয়ে আপনাদের কোনো সমস্যা থাকবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক প্রমুখ।