ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট অনলাইনে দেবে বিএসএমএমইউ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) সেবা নিতে আসা রোগীরা রোগ নির্ণয়ের পর পরীক্ষার রিপোর্ট এখন থেকে অনলাইনেই পাবেন।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) এ সেবার উদ্বোধন করেছেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

বায়োকেমেস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে এ সেবার উদ্বোধন করে শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দুই থেকে আড়াই হাজার রোগী রক্ত পরীক্ষার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। পরীক্ষার পর রিপোর্ট নিতে আসতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। এ ভোগান্তি দূর করার জন্য অনলাইনে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে উদ্যোগ, তারই একটি অংশ।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে সব ডিপার্টমেন্টে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হবে। শুধু বায়োকেমেস্ট্রি বিভাগে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রিপোর্ট প্রদান করার কারণে দৈনিক ১৪ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে রোগীদের। এছাড়া রোগীদের সময় বাঁচবে আর রিপোর্ট নিতে আসার জন্য কষ্টও দূর হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট অনলাইনে দেবে বিএসএমএমইউ

আপডেট সময় : ০২:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) সেবা নিতে আসা রোগীরা রোগ নির্ণয়ের পর পরীক্ষার রিপোর্ট এখন থেকে অনলাইনেই পাবেন।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) এ সেবার উদ্বোধন করেছেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

বায়োকেমেস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে এ সেবার উদ্বোধন করে শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দুই থেকে আড়াই হাজার রোগী রক্ত পরীক্ষার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। পরীক্ষার পর রিপোর্ট নিতে আসতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। এ ভোগান্তি দূর করার জন্য অনলাইনে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে উদ্যোগ, তারই একটি অংশ।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে সব ডিপার্টমেন্টে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হবে। শুধু বায়োকেমেস্ট্রি বিভাগে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রিপোর্ট প্রদান করার কারণে দৈনিক ১৪ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে রোগীদের। এছাড়া রোগীদের সময় বাঁচবে আর রিপোর্ট নিতে আসার জন্য কষ্টও দূর হবে।