ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

স্বামীকে কিডনি দিয়ে বাঁচালেন স্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 
চোখের সামনে স্বামীকে ৯৮ বার ডায়ালাইসিস সেশনের মধ্য দিয়ে যেতে দেখেছেন। প্রতিনিয়ত এমন দৃশ্য দেখার অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর ছিলো না স্ত্রীর জন্য। তাই স্বামীর এ কষ্ট দূর করতে নিজের একটি কিডনি দান করে দেন স্ত্রী।

কথায় আছে ভালোবাসা অমর। ভালোবাসা যদি আসল হয় তাহলে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে নিজেকে বিলিয়ে দিতেও পরোয়া করে না মানুষ। ঠিক এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় এক দম্পতি।

সম্প্রতি টুইটারে ওই দম্পতির সন্তান লিও বাবা-মায়ের মধ্যকার এ অসাধারণ ভালোবাসার ঘঠনা তুলে ধরেন। তা নিয়ে প্রতিবেদন করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এক টুইটে লিও বলেন, আমার বাবাকে সপ্তাহে তিনদিন ডায়ালাইসিস সেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। পুরো সেশনটি শেষ হওয়ার জন্য আমার মাকে ৫-৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করতে হতো। একপর্যায়ে বাবাকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দেন মা। এর চেয়ে ভালো কোনো প্রেমকাহিনী আমার জানা নেই।

লিও আরো জানান, পুরো প্রক্রিয়াটির জন্য তার পরিবারের ১৫ হাজার রুপিরও কম খরচ হয়েছে। পুরো ব্যয়ের ৯৯ শতাংশই বহন করেছে বিমা কোম্পানি।
সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনে লিও কেরালার কোচি হাসপাতালের ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের অপেক্ষায় থাকার কথা উল্লেখ করে অঙ্গদানে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার ওপরেও আলোকপাত করেছেন তিনি।
৭০ বছর বয়সে কিডনি প্রতিস্থাপনের এ ঘটনার মাধ্যমে লিওর বাবা-মা দুজনই কোচি হাসপাতালের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ কিডনি দাতা ও প্রাপকের স্থান দখল করেন।

সে অভিজ্ঞতার কথা মনে করে লিও বলেন, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা ও বিভিন্ন বিভাগ থেকে চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পেতে প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। অনেক জটিলতা শেষে অস্ত্রোপচার সফল হয়।
লিওর ওই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া টুইটে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি লাইক পড়ে। তার মা-বাবার অস্ত্রোপচারের আপডেট পেতে টুইটারে অপেক্ষায় থাকতেন হাজার হাজার মানুষ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বামীকে কিডনি দিয়ে বাঁচালেন স্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:২৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 
চোখের সামনে স্বামীকে ৯৮ বার ডায়ালাইসিস সেশনের মধ্য দিয়ে যেতে দেখেছেন। প্রতিনিয়ত এমন দৃশ্য দেখার অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর ছিলো না স্ত্রীর জন্য। তাই স্বামীর এ কষ্ট দূর করতে নিজের একটি কিডনি দান করে দেন স্ত্রী।

কথায় আছে ভালোবাসা অমর। ভালোবাসা যদি আসল হয় তাহলে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে নিজেকে বিলিয়ে দিতেও পরোয়া করে না মানুষ। ঠিক এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় এক দম্পতি।

সম্প্রতি টুইটারে ওই দম্পতির সন্তান লিও বাবা-মায়ের মধ্যকার এ অসাধারণ ভালোবাসার ঘঠনা তুলে ধরেন। তা নিয়ে প্রতিবেদন করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এক টুইটে লিও বলেন, আমার বাবাকে সপ্তাহে তিনদিন ডায়ালাইসিস সেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। পুরো সেশনটি শেষ হওয়ার জন্য আমার মাকে ৫-৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করতে হতো। একপর্যায়ে বাবাকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দেন মা। এর চেয়ে ভালো কোনো প্রেমকাহিনী আমার জানা নেই।

লিও আরো জানান, পুরো প্রক্রিয়াটির জন্য তার পরিবারের ১৫ হাজার রুপিরও কম খরচ হয়েছে। পুরো ব্যয়ের ৯৯ শতাংশই বহন করেছে বিমা কোম্পানি।
সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনে লিও কেরালার কোচি হাসপাতালের ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের অপেক্ষায় থাকার কথা উল্লেখ করে অঙ্গদানে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার ওপরেও আলোকপাত করেছেন তিনি।
৭০ বছর বয়সে কিডনি প্রতিস্থাপনের এ ঘটনার মাধ্যমে লিওর বাবা-মা দুজনই কোচি হাসপাতালের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ কিডনি দাতা ও প্রাপকের স্থান দখল করেন।

সে অভিজ্ঞতার কথা মনে করে লিও বলেন, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা ও বিভিন্ন বিভাগ থেকে চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পেতে প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। অনেক জটিলতা শেষে অস্ত্রোপচার সফল হয়।
লিওর ওই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া টুইটে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি লাইক পড়ে। তার মা-বাবার অস্ত্রোপচারের আপডেট পেতে টুইটারে অপেক্ষায় থাকতেন হাজার হাজার মানুষ।