বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৬ দিনে ৭৪৫ কোটি ছাড়িয়েছে ‘পাঠান’ পুলের ধারে বসে চুরুট ধরালেন সুস্মিতা দেশে চার হাজার ৬৩৩টি ইটভাটা অবৈধ: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে : মহিলাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী চার্লসের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়ে কুমিল্লার জয় মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি : মেয়র আতিক দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে : রাষ্ট্রপতি আকাশে কেবিন ক্রুকে নারী যাত্রীর থাপ্পড় সাহস থাকলে দেশে আসুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পকেটে আহলে হাদিসের দুই কোটি ভোট : সংসদে এমপি রহমতুল্লাহ প্ররোচনায় পড়ে র‌্যাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কারামুক্ত যুবদল নেতা নয়ন ‘ভারতীয় ছবি রিলিজের পক্ষে সবাই থাকলেও আমি নেই’-রাউজানে অভিনেতা রুবেল ইসলামপুরে দৈনিক গণমুক্তি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত অবসরে গেলেন সকলের প্রিয় ফজলু স্যার

স্বামীকে কিডনি দিয়ে বাঁচালেন স্ত্রী

স্বামীকে কিডনি দিয়ে বাঁচালেন স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 
চোখের সামনে স্বামীকে ৯৮ বার ডায়ালাইসিস সেশনের মধ্য দিয়ে যেতে দেখেছেন। প্রতিনিয়ত এমন দৃশ্য দেখার অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর ছিলো না স্ত্রীর জন্য। তাই স্বামীর এ কষ্ট দূর করতে নিজের একটি কিডনি দান করে দেন স্ত্রী।

কথায় আছে ভালোবাসা অমর। ভালোবাসা যদি আসল হয় তাহলে তাকে বাঁচিয়ে রাখতে নিজেকে বিলিয়ে দিতেও পরোয়া করে না মানুষ। ঠিক এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় এক দম্পতি।

সম্প্রতি টুইটারে ওই দম্পতির সন্তান লিও বাবা-মায়ের মধ্যকার এ অসাধারণ ভালোবাসার ঘঠনা তুলে ধরেন। তা নিয়ে প্রতিবেদন করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এক টুইটে লিও বলেন, আমার বাবাকে সপ্তাহে তিনদিন ডায়ালাইসিস সেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। পুরো সেশনটি শেষ হওয়ার জন্য আমার মাকে ৫-৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করতে হতো। একপর্যায়ে বাবাকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দেন মা। এর চেয়ে ভালো কোনো প্রেমকাহিনী আমার জানা নেই।

লিও আরো জানান, পুরো প্রক্রিয়াটির জন্য তার পরিবারের ১৫ হাজার রুপিরও কম খরচ হয়েছে। পুরো ব্যয়ের ৯৯ শতাংশই বহন করেছে বিমা কোম্পানি।
সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনে লিও কেরালার কোচি হাসপাতালের ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের অপেক্ষায় থাকার কথা উল্লেখ করে অঙ্গদানে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার ওপরেও আলোকপাত করেছেন তিনি।
৭০ বছর বয়সে কিডনি প্রতিস্থাপনের এ ঘটনার মাধ্যমে লিওর বাবা-মা দুজনই কোচি হাসপাতালের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ কিডনি দাতা ও প্রাপকের স্থান দখল করেন।

সে অভিজ্ঞতার কথা মনে করে লিও বলেন, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা ও বিভিন্ন বিভাগ থেকে চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পেতে প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। অনেক জটিলতা শেষে অস্ত্রোপচার সফল হয়।
লিওর ওই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া টুইটে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি লাইক পড়ে। তার মা-বাবার অস্ত্রোপচারের আপডেট পেতে টুইটারে অপেক্ষায় থাকতেন হাজার হাজার মানুষ।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *