ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সেনাশাসক নয়, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করেছে: মঈন খান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশে কোনো সেনাশাসক গণতন্ত্র হত্যা করেনি। নিজেদের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দল বলে দাবি করে আসা আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় বসে দেশের গণতন্ত্র হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জিয়া প্রজন্মদল এ সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা বলে বেড়ান, বিএনপির জন্ম নাকি ক্যান্টনমেন্টে। বিএনপির জন্ম ক্যান্টনমেন্টে নয়, জনগণের মাঝেই। যদি তর্কের খাতিরে ধরেই নিই, তাদের কথা সত্য। কিন্তু আওয়ামী লীগের জন্ম তো ক্যান্টনমেন্টে নয়। এ দলটি কেন বার বার দেশে গণতন্ত্র হত্যা করে?

ড. মঈন বলেন, দেশে রাজনীতি বলতে কিছু অবশিষ্ট নেই। আমরা যারা বিএনপি করি তারা রাজনীতি বলতে বুঝি মানুষের কল্যাণ করা, তাদের সেবা দেওয়া, তাদের উন্নয়ন করা এবং সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোট নিয়ে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেশকে পরিচালনা করা।

তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে ছিল ২২টি পরিবার। এখন আওয়ামী লীগ ২২০টি পরিবার সৃষ্টি করেছে। অথচ এরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও দেশের মানুষের অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। এ ধারা থেকে বের হতে না পারলে এই স্বাধীনতা অর্থহীন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আপনারা জানেন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যদি কেউ কথা বলে, সেটা রাষ্ট্রদ্রোহ হয়। কিন্তু কোনো দলের বিরুদ্ধে, সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে সেটা কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহ হয়? বিএনপির কেউ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কথা বলে না। সরকার ও আওয়ামী লীগের ভুল কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে। এটা তো সাংবিধানিক অধিকার।

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এক লাখ মামলায় ৩৫ লাখ আসামি উল্লেখ করে ড. মঈন বলেন, দলের মহাসচিবের বিরুদ্ধে ৮৪টি মামলা। এত কর্তৃত্ববাদী শাসন। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশের আগে ৩০ নভেম্বর থেকে ২৫ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়, এক হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাহলে কোথায় আছে রাজনীতি? রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই।

সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিচার বিভাগের অবস্থা দেখুন, সরকার যেভাবে রায় লিখে দেয়, শুধু তা পাঠ করে। শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে প্রশাসন তৈরি করা হয়, তাও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে নিয়োগ দেওয়া হয় কে আওয়ামী লীগ করে। পুলিশ বিভাগকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তারা যত দুর্নীতি করুক সরকার তাদের রক্ষা করবে, সব কিছু মাফ। এ দেশ এখন পুলিশি রাষ্ট্র। নির্বাচন কমিশন, ভোটের ফলাফল আগের রাতেই লিখে সই করে দেয়। মিডিয়ার কি স্বাধীনতা আছে? দেশে এখন অঘোষিত বাকশাল চলছে।

মঈন খান বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ৭ কোটি মানুষের মধ্যে কতজন বিরোধিতা করেছিলেন- সেই অজুহাত দিয়ে দেশকে আজ বিভক্ত করা হচ্ছে। এতে আওয়ামী লীগের কী উদ্দেশ্য? বিভক্ত করে তারা রাষ্ট্রকে অস্থির করতে চায়। তারা দেশের টাকা লুণ্ঠন করছে, হাজার হাজার কোটি টাকা দেশের বাইরে পাচার করছে।

রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই উল্লেখ করে ড. মঈন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেষ কথা ফিরিয়ে আনতে হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধে কাপুরুষের মতো পালিয়ে গেলাম, আর মুখে স্বাধীনতার কথা বলব—এই ধোঁকাবাজির রাজনীতি চলবে না। সত্যিকার অর্থে যারা জীবনপণ করে মুক্তিযুদ্ধে নেমেছিল আমাদের নেতা শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হননি, তিনি সম্মুখ যুদ্ধ করেছেন এবং জয়লাভ করেছেন। তাকে বাংলাদেশের মানুষ বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করেছিল। সেই জিয়াউর রহমানের সৃষ্ট বিএনপির একজন সদস্য হিসেবে গর্ববোধ করি। আওয়ামী লীগ মুখে একটা বলে, করে আরেকটা। যেটা করে তা কোনোদিন বলে না। এই রাজনীতি দেশের মানুষ অতীতে প্রত্যাখান করেছে, এখন করছে আবার ভবিষ্যতেও প্রত্যাখ্যান করবে। এ দেশের মানুষ চায় সৎ রাজনীতি, তারা চায় গণতন্ত্র ফিরে আসুক, তারা তাদের অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। এসব ফিরে পেতে হলে প্রয়োজন সৎ রাজনীতি।

আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাতে আওয়ামী লীগের ভূমিকা কী ছিল? তাদের কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সেদিন তো ছিল না। তারা পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেদিন যদি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে দেশে তো মুক্তিযুদ্ধই হতো না, হতো গৃহযুদ্ধ। জিয়া জাতির ক্রান্তিলগ্নে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই পালিয়ে যাননি। সম্মুখযুদ্ধেও নেতৃত্ব দিয়েছেন, দেশ স্বাধীন করেছেন।

দেশে রাজনীতির রেশ বলতে কিছু নেই দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ে দেশে লিখিত বাকশাল ছিল। এখন অলিখিত বাকশাল কায়েম করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ যা হুকুম করে, জনগণকে তা মানতে বাধ্যও করে। ক্ষমতাসীনদের অস্বাভাবিক রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। মানুষকে চিন্তার স্বাধীনতা দিতে হবে।

জিয়া প্রজন্মদলের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান শাহীনুর মল্লিক জীবন। সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন রুবেলের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বরকতউল্লাহ বুলু, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাশাসক নয়, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করেছে: মঈন খান

আপডেট সময় : ০৭:১৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশে কোনো সেনাশাসক গণতন্ত্র হত্যা করেনি। নিজেদের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দল বলে দাবি করে আসা আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় বসে দেশের গণতন্ত্র হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জিয়া প্রজন্মদল এ সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা বলে বেড়ান, বিএনপির জন্ম নাকি ক্যান্টনমেন্টে। বিএনপির জন্ম ক্যান্টনমেন্টে নয়, জনগণের মাঝেই। যদি তর্কের খাতিরে ধরেই নিই, তাদের কথা সত্য। কিন্তু আওয়ামী লীগের জন্ম তো ক্যান্টনমেন্টে নয়। এ দলটি কেন বার বার দেশে গণতন্ত্র হত্যা করে?

ড. মঈন বলেন, দেশে রাজনীতি বলতে কিছু অবশিষ্ট নেই। আমরা যারা বিএনপি করি তারা রাজনীতি বলতে বুঝি মানুষের কল্যাণ করা, তাদের সেবা দেওয়া, তাদের উন্নয়ন করা এবং সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোট নিয়ে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেশকে পরিচালনা করা।

তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে ছিল ২২টি পরিবার। এখন আওয়ামী লীগ ২২০টি পরিবার সৃষ্টি করেছে। অথচ এরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও দেশের মানুষের অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। এ ধারা থেকে বের হতে না পারলে এই স্বাধীনতা অর্থহীন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আপনারা জানেন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যদি কেউ কথা বলে, সেটা রাষ্ট্রদ্রোহ হয়। কিন্তু কোনো দলের বিরুদ্ধে, সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে সেটা কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহ হয়? বিএনপির কেউ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কথা বলে না। সরকার ও আওয়ামী লীগের ভুল কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে। এটা তো সাংবিধানিক অধিকার।

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এক লাখ মামলায় ৩৫ লাখ আসামি উল্লেখ করে ড. মঈন বলেন, দলের মহাসচিবের বিরুদ্ধে ৮৪টি মামলা। এত কর্তৃত্ববাদী শাসন। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশের আগে ৩০ নভেম্বর থেকে ২৫ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়, এক হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাহলে কোথায় আছে রাজনীতি? রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই।

সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিচার বিভাগের অবস্থা দেখুন, সরকার যেভাবে রায় লিখে দেয়, শুধু তা পাঠ করে। শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে প্রশাসন তৈরি করা হয়, তাও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে নিয়োগ দেওয়া হয় কে আওয়ামী লীগ করে। পুলিশ বিভাগকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তারা যত দুর্নীতি করুক সরকার তাদের রক্ষা করবে, সব কিছু মাফ। এ দেশ এখন পুলিশি রাষ্ট্র। নির্বাচন কমিশন, ভোটের ফলাফল আগের রাতেই লিখে সই করে দেয়। মিডিয়ার কি স্বাধীনতা আছে? দেশে এখন অঘোষিত বাকশাল চলছে।

মঈন খান বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ৭ কোটি মানুষের মধ্যে কতজন বিরোধিতা করেছিলেন- সেই অজুহাত দিয়ে দেশকে আজ বিভক্ত করা হচ্ছে। এতে আওয়ামী লীগের কী উদ্দেশ্য? বিভক্ত করে তারা রাষ্ট্রকে অস্থির করতে চায়। তারা দেশের টাকা লুণ্ঠন করছে, হাজার হাজার কোটি টাকা দেশের বাইরে পাচার করছে।

রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই উল্লেখ করে ড. মঈন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেষ কথা ফিরিয়ে আনতে হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধে কাপুরুষের মতো পালিয়ে গেলাম, আর মুখে স্বাধীনতার কথা বলব—এই ধোঁকাবাজির রাজনীতি চলবে না। সত্যিকার অর্থে যারা জীবনপণ করে মুক্তিযুদ্ধে নেমেছিল আমাদের নেতা শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হননি, তিনি সম্মুখ যুদ্ধ করেছেন এবং জয়লাভ করেছেন। তাকে বাংলাদেশের মানুষ বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করেছিল। সেই জিয়াউর রহমানের সৃষ্ট বিএনপির একজন সদস্য হিসেবে গর্ববোধ করি। আওয়ামী লীগ মুখে একটা বলে, করে আরেকটা। যেটা করে তা কোনোদিন বলে না। এই রাজনীতি দেশের মানুষ অতীতে প্রত্যাখান করেছে, এখন করছে আবার ভবিষ্যতেও প্রত্যাখ্যান করবে। এ দেশের মানুষ চায় সৎ রাজনীতি, তারা চায় গণতন্ত্র ফিরে আসুক, তারা তাদের অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। এসব ফিরে পেতে হলে প্রয়োজন সৎ রাজনীতি।

আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাতে আওয়ামী লীগের ভূমিকা কী ছিল? তাদের কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সেদিন তো ছিল না। তারা পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেদিন যদি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে দেশে তো মুক্তিযুদ্ধই হতো না, হতো গৃহযুদ্ধ। জিয়া জাতির ক্রান্তিলগ্নে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই পালিয়ে যাননি। সম্মুখযুদ্ধেও নেতৃত্ব দিয়েছেন, দেশ স্বাধীন করেছেন।

দেশে রাজনীতির রেশ বলতে কিছু নেই দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ে দেশে লিখিত বাকশাল ছিল। এখন অলিখিত বাকশাল কায়েম করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ যা হুকুম করে, জনগণকে তা মানতে বাধ্যও করে। ক্ষমতাসীনদের অস্বাভাবিক রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। মানুষকে চিন্তার স্বাধীনতা দিতে হবে।

জিয়া প্রজন্মদলের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান শাহীনুর মল্লিক জীবন। সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন রুবেলের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বরকতউল্লাহ বুলু, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।