বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৬ দিনে ৭৪৫ কোটি ছাড়িয়েছে ‘পাঠান’ পুলের ধারে বসে চুরুট ধরালেন সুস্মিতা দেশে চার হাজার ৬৩৩টি ইটভাটা অবৈধ: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে : মহিলাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী চার্লসের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়ে কুমিল্লার জয় মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি : মেয়র আতিক দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকার বাড়ছে : রাষ্ট্রপতি আকাশে কেবিন ক্রুকে নারী যাত্রীর থাপ্পড় সাহস থাকলে দেশে আসুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পকেটে আহলে হাদিসের দুই কোটি ভোট : সংসদে এমপি রহমতুল্লাহ প্ররোচনায় পড়ে র‌্যাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা : সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কারামুক্ত যুবদল নেতা নয়ন ‘ভারতীয় ছবি রিলিজের পক্ষে সবাই থাকলেও আমি নেই’-রাউজানে অভিনেতা রুবেল ইসলামপুরে দৈনিক গণমুক্তি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত অবসরে গেলেন সকলের প্রিয় ফজলু স্যার

সংসদে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল বিল পাস

সংসদে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল বিল পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ সৃষ্টি হওয়ায় মূলত ২০১৬ সালের এ আইনটিতে সংশোধনী আনা হয়েছে।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী জাহিদ মালেক বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করা হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার তথ্য তুলে ধরেন। তারা অভিযোগ করেন অনেক ক্ষেত্রেই নার্সের অভাবে রোগীরা সেবা পাচ্ছেন না।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রয়োজনের তুলনায় নার্সের সংখ্যা কম। মোট চিকিৎসকের তিনগুণ নার্স প্রয়োজন হয়। নার্সের সংখ্যা বাড়ানোর কার্যক্রম চলছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে— বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল আইন, ২০১৬ বলবৎ হওয়ার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ নামে দুটি পৃথক বিভাগ সৃষ্টি হওয়ায় এ আইনে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’ এর জায়গায় ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ’ প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

এছাড়া ‘বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল’ এর পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল’, ‘সেবা পরিদপ্তর’ এর জায়গায় ‘নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর’, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জায়গায় স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরসহ কয়েকটি পদের নাম পরিবর্তন হওয়ায় আইনটি সংশোধন করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *