ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সংবিধান নিয়ে যারা কথা বলে তারা জাতীয় শত্রু : আমু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, আমাদের সংবিধান নিয়ে যারা কথা বলে তারা জাতীয় শত্রু। যারা দেশের অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলে সেই আইনে কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হয় না?

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১৪ দলীয় জোটের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আমির হোসেন আমু বলেন, সংবিধান নিয়ে কথা বলার জন্য সেই আইনে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় না? যারা দেশের অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলে সেই আইনে কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হয় না? কেন তাদের সেই আইনে শাস্তি দেওয়া হয় না? এটাই আজকে আমাদের জিজ্ঞাসা। সেই আইন যথাযথ প্রয়োগ করে জনগণের সামনে স্বাধীনতার বিরোধীদের শাস্তি দেওয়া হোক।

রাশেদ খান মেনন বলেন,তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিকৃত করে ভোট ডাকাতির নির্বাচন করেছিল বিএনপি-জামায়াত। স্বাধীন নির্বাচনের জন্য আমরা লড়াই করেছি বলেই ফখরুদ্দীনরা নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল।

ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়ে কারও দ্বিমত থাকা উচিত নয় বলে জানিয়ে হাসানুল হক ইনু বলেন, একাত্তরের মীমাংসিত বিষয়কে বিএনপি অস্বীকার করে বাংলাদেশ দখল করেছিল। সামরিক শাসকের ঔরসজাত দল বিএনপি। আন্দোলন নামে বিএনপি আবারও রাজনৈতিক অপরাধ করছে, যা এ দেশের জন্য অশনিসংকেত।

দৈনিক প্রথম আলোতে গত ২৬ মার্চ প্রকাশিত আলোচিত সেই প্রতিবেদনের বিষয়ে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে একটা শিশুর ছবি দিয়ে প্রথম আলোতে একটা নিউজ করা হয়েছে। সেটি পরিকল্পিতভাবে, ষড়যন্ত্রমূলক করা হয়েছে। মিথ্যা খবর ছিল বুঝতে পেরে নিউজটা সরিয়ে ফেলেছেন তারা। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছে নিউজটা ষড়যন্ত্রমূলক ছিল, তার কোনো সত্যতা ছিল না।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবিধান নিয়ে যারা কথা বলে তারা জাতীয় শত্রু : আমু

আপডেট সময় : ১১:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, আমাদের সংবিধান নিয়ে যারা কথা বলে তারা জাতীয় শত্রু। যারা দেশের অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলে সেই আইনে কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হয় না?

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১৪ দলীয় জোটের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আমির হোসেন আমু বলেন, সংবিধান নিয়ে কথা বলার জন্য সেই আইনে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় না? যারা দেশের অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলে সেই আইনে কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হয় না? কেন তাদের সেই আইনে শাস্তি দেওয়া হয় না? এটাই আজকে আমাদের জিজ্ঞাসা। সেই আইন যথাযথ প্রয়োগ করে জনগণের সামনে স্বাধীনতার বিরোধীদের শাস্তি দেওয়া হোক।

রাশেদ খান মেনন বলেন,তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিকৃত করে ভোট ডাকাতির নির্বাচন করেছিল বিএনপি-জামায়াত। স্বাধীন নির্বাচনের জন্য আমরা লড়াই করেছি বলেই ফখরুদ্দীনরা নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল।

ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়ে কারও দ্বিমত থাকা উচিত নয় বলে জানিয়ে হাসানুল হক ইনু বলেন, একাত্তরের মীমাংসিত বিষয়কে বিএনপি অস্বীকার করে বাংলাদেশ দখল করেছিল। সামরিক শাসকের ঔরসজাত দল বিএনপি। আন্দোলন নামে বিএনপি আবারও রাজনৈতিক অপরাধ করছে, যা এ দেশের জন্য অশনিসংকেত।

দৈনিক প্রথম আলোতে গত ২৬ মার্চ প্রকাশিত আলোচিত সেই প্রতিবেদনের বিষয়ে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে একটা শিশুর ছবি দিয়ে প্রথম আলোতে একটা নিউজ করা হয়েছে। সেটি পরিকল্পিতভাবে, ষড়যন্ত্রমূলক করা হয়েছে। মিথ্যা খবর ছিল বুঝতে পেরে নিউজটা সরিয়ে ফেলেছেন তারা। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছে নিউজটা ষড়যন্ত্রমূলক ছিল, তার কোনো সত্যতা ছিল না।