ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সংবাদ প্রকাশে রাষ্ট্র ও মূল চেতনার বেদীমূলে যেন আঘাত না লাগে : তথ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪৪৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং বর্তমান সরকার এই স্বাধীনতা সব সময় বজায় রাখতে চায়। লক্ষ্য রাখতে হবে, সংবাদ আমাদের রাষ্ট্র এবং মূল চেতনার বেদীমূলে যেন আঘাত না হানে এবং সংবাদকে আকর্ষণীয় করতে গিয়ে যেন কাউকে অপব্যবহার না করা হয়।’

আজ সোমবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় একটি রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরামের ইফতার সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্পাদক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ তালুকদারের সঞ্চালনায় সভায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম সম্মানিত অতিথি হিসেবে এবং ফোরামের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রতন স্বাগত বক্তব্য দেন।

সম্পাদক ফোরামকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবসে দৈনিক প্রথম আলো অনলাইনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদের নামে যা পরিবেশন করেছে, তা যে একইসঙ্গে দায়িত্বহীন এবং রাষ্ট্রবিরোধী, সেটি সম্পাদক ফোরাম তাদের বিবৃতিতে পরিষ্কারভাবে বলেছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক সমাজে বসবাস করি। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীন বিকাশ অপরিহার্য। আওয়ামী লীগ শুধু সরকারে থাকা অবস্থায় নয়, বিরোধী দলে থাকার সময়ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।’ দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তৃতায় দ্য ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘রাষ্ট্র না থাকলে নাগরিকেরই অস্তিত্ব থাকে না, তাই রাষ্ট্রবিরোধী সংবাদ পরিবেশন কখনও সাংবাদিকতা হতে পারে না, এটি অপসাংবাদিকতা।’

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, বর্তমান সভাপতি ওমর ফারুক, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ্র বাদল, ডিএফপির মহাপরিচালক গোলাম কিবরিয়া, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হক সোহেল, এডিটরস গিল্ড নেতা মোল্লাহ আমজাদ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, শাজাহান সরদার, শরীফ শাহাবুদ্দিন, এ কে এম বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ বুলেটিনের সম্পাদক ও প্রকাশক মো. আশরাফ আলী, সংবাদ প্রতিদিন সম্পাদক রিমন মাহফুজ, বাংলাদেশের আলো সম্পাদক ও প্রকাশক মফিজুর রহমান খান বাবু, আমার বার্তা সম্পাদক জসীম উদ্দীন, সিটিজেন টাইম সম্পাদক তৌফিক হোসেন, ফোরামের নেতা দুলাল আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রতিদিন সম্পাদক আয়ান শর্মা, ঢাকা টাইম সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন, দৈনিক ভোরের আকাশের উপদেষ্টা সম্পাদক মোতাহার হোসেন, সংবাদ সারাবেলা সম্পাদক আব্দুল মজিদ, সাউথ এশিয়ান টাইম সম্পাদক দীপক আচার্য, কান্ট্রি টুডে সম্পাদক হেমায়েত হোসেন, দৈনিক মুখপাত্র সম্পাদক শেখ জামাল হোসেন, বাংলাদেশ কণ্ঠ সম্পাদক ফারুক খান, সকালের সময় সম্পাদক নুর হাকিম প্রমুখ সভায় যোগ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবাদ প্রকাশে রাষ্ট্র ও মূল চেতনার বেদীমূলে যেন আঘাত না লাগে : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং বর্তমান সরকার এই স্বাধীনতা সব সময় বজায় রাখতে চায়। লক্ষ্য রাখতে হবে, সংবাদ আমাদের রাষ্ট্র এবং মূল চেতনার বেদীমূলে যেন আঘাত না হানে এবং সংবাদকে আকর্ষণীয় করতে গিয়ে যেন কাউকে অপব্যবহার না করা হয়।’

আজ সোমবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় একটি রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরামের ইফতার সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্পাদক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ তালুকদারের সঞ্চালনায় সভায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম সম্মানিত অতিথি হিসেবে এবং ফোরামের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রতন স্বাগত বক্তব্য দেন।

সম্পাদক ফোরামকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবসে দৈনিক প্রথম আলো অনলাইনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদের নামে যা পরিবেশন করেছে, তা যে একইসঙ্গে দায়িত্বহীন এবং রাষ্ট্রবিরোধী, সেটি সম্পাদক ফোরাম তাদের বিবৃতিতে পরিষ্কারভাবে বলেছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক সমাজে বসবাস করি। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীন বিকাশ অপরিহার্য। আওয়ামী লীগ শুধু সরকারে থাকা অবস্থায় নয়, বিরোধী দলে থাকার সময়ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।’ দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তৃতায় দ্য ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘রাষ্ট্র না থাকলে নাগরিকেরই অস্তিত্ব থাকে না, তাই রাষ্ট্রবিরোধী সংবাদ পরিবেশন কখনও সাংবাদিকতা হতে পারে না, এটি অপসাংবাদিকতা।’

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, বর্তমান সভাপতি ওমর ফারুক, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ্র বাদল, ডিএফপির মহাপরিচালক গোলাম কিবরিয়া, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হক সোহেল, এডিটরস গিল্ড নেতা মোল্লাহ আমজাদ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, শাজাহান সরদার, শরীফ শাহাবুদ্দিন, এ কে এম বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ বুলেটিনের সম্পাদক ও প্রকাশক মো. আশরাফ আলী, সংবাদ প্রতিদিন সম্পাদক রিমন মাহফুজ, বাংলাদেশের আলো সম্পাদক ও প্রকাশক মফিজুর রহমান খান বাবু, আমার বার্তা সম্পাদক জসীম উদ্দীন, সিটিজেন টাইম সম্পাদক তৌফিক হোসেন, ফোরামের নেতা দুলাল আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রতিদিন সম্পাদক আয়ান শর্মা, ঢাকা টাইম সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন, দৈনিক ভোরের আকাশের উপদেষ্টা সম্পাদক মোতাহার হোসেন, সংবাদ সারাবেলা সম্পাদক আব্দুল মজিদ, সাউথ এশিয়ান টাইম সম্পাদক দীপক আচার্য, কান্ট্রি টুডে সম্পাদক হেমায়েত হোসেন, দৈনিক মুখপাত্র সম্পাদক শেখ জামাল হোসেন, বাংলাদেশ কণ্ঠ সম্পাদক ফারুক খান, সকালের সময় সম্পাদক নুর হাকিম প্রমুখ সভায় যোগ দেন।