ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

শ্রীনগরে কুকুটিয়া কমলাকান্ত ইনস্টিটিউশনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযােগ

মুনীরুল ইসলাম, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
  • / ৪২৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
শ্রীনগর উপজেলার কমলাকান্ত ইনস্টিটিউশনের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযােগ উঠেছে। আগামী ৪ জুলাই বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে।
নির্বাচনের আগে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল সদস্যকে অবহিত করার কথা থাকলেও দাতা সদস্যদের অনেককেই তা অবহিত করা হয়নি বলে অভিযােগ রয়েছে।
এছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনার গত কমিটির সদস্য মােঃ শহিদ জানান, তাকে বলা হয়েছিল নির্বাচনের বিষয়ে তাকে জানানাে হবে কিন্তু তাকে না জানিয়েই সব করা হয়েছে। কি ভাবে করা হয়েছে তা যারা করেছেন তারাই ভালো জানেন।
কুকুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুলতান মেম্বার বলেন, তিনি বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি পদে মনােনয়নপত্র কিনতে  গিয়ছিলন। কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম আহমেদ ভূইয়া ও কুকুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা তাকে মনােনয়নপত্র কিনতে নিষেধ করেন। এ কারণে তিনি মনানয়নপত্র কিনতে পারননি।
এই বিষয়ে রেজাউল করিম রেজা বলেন, সুলতান মেম্বার একদিন বিকাল ৪ টার দিকে ফােন দিয়ে আমাকে বলেছিল তিনি  ফরম কিনতে গিয়েছেন কিন্তু প্রধান শিক্ষক তাকে ফরম দিচ্ছেন না। আমি তাকে প্রধান শিক্ষকের সাথেই কথা বলতে বলি। তাকে নিষেধ করেছি এটা ঠিক নয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম আহমেদ ভূইয়া বলেন, তাকে  নির্বাচনের বিষয়ে জানানাে হয়েছে। তবে সুলতান মেম্বারকে আমি ফরম কিনতে নিষেধ করিনি।
অপরদিকে বিদ্যালয়টির একাধিক দাতা সদস্য জানান, প্রায় দেড় শতাধিক দাতা সদস্যদের বেশীর ভাগ এলাকায় অবস্থান  করেন না। এ কারণে বিদ্যালয়ের নােটিশ বাের্ড ও শ্রেণী কক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদরকে নির্বাচন বিষয়ে অবহিত করলেই তাদের পক্ষে জানা সম্ভব হয় না। মূলত সিন্ডিকেটের পছন্দের দাতা সদস্যকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত করার জন্যই কৌশল করে সকল সদস্যকে জানানাে থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বিমলানন্দ বসু জানান, সকল প্রক্রিয়া মেনেই তফসিল ঘাষিত হয়েছে। বিদ্যালয়ে কেউ ফরম কিনতে এস ফেরত যায়নি। ৮ থেকে ১০ জুন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে নির্বাচনের ফরম নিতে এসে কেউ ফেরত যায়নি। ১১ জুন মনােনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বাইরে কেউ ফরম নিতে বাঁধা দিয়ে থাকলে তা আমাদের বিষয় নয় বা কেউ আমাদেরকে অবহিত করেননি।
দাতা সদস্যদেরকে আলাদাভাবে জানানাের কােন নির্দেশনা বিধিতে উল্লেখ নেই বিধায় তাদেরকে আলাদাভাবে জানানাে হয়নি।
নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা  বলেন, তার কাছে কেউ অভিযােগ করলে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। তাছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কােন অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রীনগরে কুকুটিয়া কমলাকান্ত ইনস্টিটিউশনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযােগ

আপডেট সময় : ১১:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
শ্রীনগর উপজেলার কমলাকান্ত ইনস্টিটিউশনের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযােগ উঠেছে। আগামী ৪ জুলাই বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে।
নির্বাচনের আগে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল সদস্যকে অবহিত করার কথা থাকলেও দাতা সদস্যদের অনেককেই তা অবহিত করা হয়নি বলে অভিযােগ রয়েছে।
এছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনার গত কমিটির সদস্য মােঃ শহিদ জানান, তাকে বলা হয়েছিল নির্বাচনের বিষয়ে তাকে জানানাে হবে কিন্তু তাকে না জানিয়েই সব করা হয়েছে। কি ভাবে করা হয়েছে তা যারা করেছেন তারাই ভালো জানেন।
কুকুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুলতান মেম্বার বলেন, তিনি বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি পদে মনােনয়নপত্র কিনতে  গিয়ছিলন। কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম আহমেদ ভূইয়া ও কুকুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম রেজা তাকে মনােনয়নপত্র কিনতে নিষেধ করেন। এ কারণে তিনি মনানয়নপত্র কিনতে পারননি।
এই বিষয়ে রেজাউল করিম রেজা বলেন, সুলতান মেম্বার একদিন বিকাল ৪ টার দিকে ফােন দিয়ে আমাকে বলেছিল তিনি  ফরম কিনতে গিয়েছেন কিন্তু প্রধান শিক্ষক তাকে ফরম দিচ্ছেন না। আমি তাকে প্রধান শিক্ষকের সাথেই কথা বলতে বলি। তাকে নিষেধ করেছি এটা ঠিক নয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম আহমেদ ভূইয়া বলেন, তাকে  নির্বাচনের বিষয়ে জানানাে হয়েছে। তবে সুলতান মেম্বারকে আমি ফরম কিনতে নিষেধ করিনি।
অপরদিকে বিদ্যালয়টির একাধিক দাতা সদস্য জানান, প্রায় দেড় শতাধিক দাতা সদস্যদের বেশীর ভাগ এলাকায় অবস্থান  করেন না। এ কারণে বিদ্যালয়ের নােটিশ বাের্ড ও শ্রেণী কক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদরকে নির্বাচন বিষয়ে অবহিত করলেই তাদের পক্ষে জানা সম্ভব হয় না। মূলত সিন্ডিকেটের পছন্দের দাতা সদস্যকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত করার জন্যই কৌশল করে সকল সদস্যকে জানানাে থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বিমলানন্দ বসু জানান, সকল প্রক্রিয়া মেনেই তফসিল ঘাষিত হয়েছে। বিদ্যালয়ে কেউ ফরম কিনতে এস ফেরত যায়নি। ৮ থেকে ১০ জুন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে নির্বাচনের ফরম নিতে এসে কেউ ফেরত যায়নি। ১১ জুন মনােনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। বাইরে কেউ ফরম নিতে বাঁধা দিয়ে থাকলে তা আমাদের বিষয় নয় বা কেউ আমাদেরকে অবহিত করেননি।
দাতা সদস্যদেরকে আলাদাভাবে জানানাের কােন নির্দেশনা বিধিতে উল্লেখ নেই বিধায় তাদেরকে আলাদাভাবে জানানাে হয়নি।
নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা  বলেন, তার কাছে কেউ অভিযােগ করলে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। তাছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কােন অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
বাখ//আর