ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

শীতের প্রকোপ কমছেই না

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৬৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উত্তরের জনপদে শীতের প্রকোপ কমছেই না। মাঘের তীব্র ঠাণ্ডার সাথে ঘন কুয়াশা ভোগান্তি বাড়িয়েছে আরও। কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড় ও কুঁড়িগ্রামের ওপর দিয়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। যা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শীত বাড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে থাকায় দু’দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তিন জেলা এবং একটি উপজেলার সব স্কুল। এদিকে, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত বৃৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছিলো। এরপর রাজধানীতে তেমন শীত না পড়লেও উত্তর, মধ্য ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আবার নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের অবস্থা বেশি খারাপ।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে এসব অঞ্চলের জনজীবন। চরম বিপাকে পড়েছে নি¤œ আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। সেইসাথে বেড়েছে শীতজনিত নানা রোগের প্রকোপ।

বর্তমানে ৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। রোববার ভোরে দেশের সর্বনিু তাপমাত্রা ছিলো রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহীতে তীব্র শীতের কারণে সোমবার পর্যন্ত সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া জয়পুরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা এবং পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় শীতের কারণে দু’দিন বন্ধ থাকবে সব স্কুল।

এদিকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামায় রাজশাহী, জয়পুরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা এবং পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দু’দিন বন্ধ থাকবে সব স্কুল। রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস বলছে, দেশের উত্তর-উত্তর পূর্বাঞ্চলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। তবে অন্য অঞ্চলে কমে আসবে শীত।

তীব্র শীতের কারণে রোববার (২১ জানুয়ারি) রাজশাহী জেলার সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি ও তার নীচে নামলে এই ছুটি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, শীতের কারণে ইতোমধ্যে জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয় রোববার বন্ধ ঘোষণা করা হলেও জেলার সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় রোববার ও আগামীকাল সোমবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজশাহীতে আজ রোববার মৌসুমির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুই দিন ধরে ১০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। টানা দুই সপ্তাহ ধরেই ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় চারপাশ ঢাকা থাকায় জনজীবনে চলছে টানা দুর্ভোগ। বিশেষ করে তীব্র শীতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে মানুষ ও জীবজন্তু। জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ।

রোববার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। গতকাল শনিবার (২০ জানুয়ারি) তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছিল। শৈত্যপ্রবাহের পর দুই দিন তাপমাত্রা বাড়লেও লাগাতার শীতে বেসামাল পরিস্থিতিতে পড়েছে এ জেলার মানুষ।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ও মেঘে ঢাকা পুরো জেলা। কুয়াশা ও বাতাসে ঝরছে হিমশীতল শিশির। শহর ও গ্রামের সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। টানা শীতের কারণে চরম বিপাকে সময় পার করছে শিশু ও বৃদ্ধরা। শীতের কারণে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগ।

কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে আবারও মৃদ্যু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। মাঘের শুরুতে ঘনকুয়াশার সঙ্গে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী, ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। গত দুইদিন তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও আজ কিছুটা কম।

রোববার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।

দিনের অধিকাংশ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য কিছুটা উত্তাপ ছড়ালেও বিকেল হতেই তাপমাত্রা আবারও নিম্নগামী হচ্ছে। গরম কাপড়ের অভাবে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিতে দেখা গেছে।

রোববার (২১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড় ও কুঁড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের উত্তর-উত্তরপূর্বাঞ্চলের রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা বৃদ্ধি পেতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, ২২ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া, সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, আগামী ২৩ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিনের প্রথমার্ধে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীতের প্রকোপ কমছেই না

আপডেট সময় : ০২:১৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

উত্তরের জনপদে শীতের প্রকোপ কমছেই না। মাঘের তীব্র ঠাণ্ডার সাথে ঘন কুয়াশা ভোগান্তি বাড়িয়েছে আরও। কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড় ও কুঁড়িগ্রামের ওপর দিয়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। যা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শীত বাড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে থাকায় দু’দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তিন জেলা এবং একটি উপজেলার সব স্কুল। এদিকে, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত বৃৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছিলো। এরপর রাজধানীতে তেমন শীত না পড়লেও উত্তর, মধ্য ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আবার নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের অবস্থা বেশি খারাপ।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে এসব অঞ্চলের জনজীবন। চরম বিপাকে পড়েছে নি¤œ আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। সেইসাথে বেড়েছে শীতজনিত নানা রোগের প্রকোপ।

বর্তমানে ৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। রোববার ভোরে দেশের সর্বনিু তাপমাত্রা ছিলো রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহীতে তীব্র শীতের কারণে সোমবার পর্যন্ত সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া জয়পুরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা এবং পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় শীতের কারণে দু’দিন বন্ধ থাকবে সব স্কুল।

এদিকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামায় রাজশাহী, জয়পুরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা এবং পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দু’দিন বন্ধ থাকবে সব স্কুল। রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস বলছে, দেশের উত্তর-উত্তর পূর্বাঞ্চলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। তবে অন্য অঞ্চলে কমে আসবে শীত।

তীব্র শীতের কারণে রোববার (২১ জানুয়ারি) রাজশাহী জেলার সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি ও তার নীচে নামলে এই ছুটি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, শীতের কারণে ইতোমধ্যে জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয় রোববার বন্ধ ঘোষণা করা হলেও জেলার সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় রোববার ও আগামীকাল সোমবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজশাহীতে আজ রোববার মৌসুমির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুই দিন ধরে ১০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। টানা দুই সপ্তাহ ধরেই ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় চারপাশ ঢাকা থাকায় জনজীবনে চলছে টানা দুর্ভোগ। বিশেষ করে তীব্র শীতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে মানুষ ও জীবজন্তু। জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ।

রোববার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। গতকাল শনিবার (২০ জানুয়ারি) তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছিল। শৈত্যপ্রবাহের পর দুই দিন তাপমাত্রা বাড়লেও লাগাতার শীতে বেসামাল পরিস্থিতিতে পড়েছে এ জেলার মানুষ।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ও মেঘে ঢাকা পুরো জেলা। কুয়াশা ও বাতাসে ঝরছে হিমশীতল শিশির। শহর ও গ্রামের সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। টানা শীতের কারণে চরম বিপাকে সময় পার করছে শিশু ও বৃদ্ধরা। শীতের কারণে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগ।

কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে আবারও মৃদ্যু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। মাঘের শুরুতে ঘনকুয়াশার সঙ্গে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী, ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। গত দুইদিন তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও আজ কিছুটা কম।

রোববার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।

দিনের অধিকাংশ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য কিছুটা উত্তাপ ছড়ালেও বিকেল হতেই তাপমাত্রা আবারও নিম্নগামী হচ্ছে। গরম কাপড়ের অভাবে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিতে দেখা গেছে।

রোববার (২১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, পঞ্চগড় ও কুঁড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের উত্তর-উত্তরপূর্বাঞ্চলের রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা বৃদ্ধি পেতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, ২২ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া, সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, আগামী ২৩ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিনের প্রথমার্ধে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।