ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

শিগগিরই পাইপলাইনে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৩০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রথমবার পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানি শুরু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে শিলগুড়ি থেকে পার্বতীপুর ডিপোতে ডিজেল আসবে। এতে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় ১৬ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ নির্বিঘœ হবে এবং পরিবহন খরচও কম পড়বে। ১৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনে বছরে ভারত থেকে বছরে আড়াই লাখ থেকে তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করার পরিকল্পনা সরকারের।

জ্বলানি তেল আমদানির নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি শুরু হবে ১৮ই মার্চ। ভারতের শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ১৩২ কিলোমিটার মৈত্রী পাইপ লাইনে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে সরাসরি আসবে ডিজেল।

ভারতের শিলিগুড়ির নুমালিগড় রিফাইনারির মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত ১৩২ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ শুরু হয় ২০১৮ সালে। গত বছর ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জালানি তেল পাওয়ার আশা এই অঞ্চলের কৃষকদের।

বিপিসি জানিয়েছে, ১৫ বছরের চুক্তিতে প্রথম ৩ বছর পাইপ লাইনে বছরে ২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল দেবে ভারতের রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান নুমালীগড় রিফাইনারী লিমিটেড। চতুর্থ বছর থেকে ৫ লাখ টন ও বাকি ১০ বছরে ১০ লাখ টন করে তেল আসবে। চুক্তিটি নবায়ন না হলে পাইপ লাইনের মালিকানা ও কর্তৃত্ব বাংলাদেশের কাছে থাকবে।

পার্বতীপুর ডিপো থেকে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। এই তেল চট্টগ্রাম থেকে প্রথমে নেয়া হয় মোংলা বন্দরে, সেখান থেকে রেলওয়ের ওয়াগনে যেতো পার্বতীপুর। এতে সময় লাগতো দুই থেকে তিন দিন। পরিবহন খরচসহ প্রতি ব্যারেল তেলে দাম পড়তো ১১ ডলার।

বিদ্যুত ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান পাইপলাইনে ভারত থেকে তেল আনলে বছরে ৮০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

পার্বতীপুর ডিপোতে তেল মজুদ করা যাবে ৪৩ হাজার টন। যা দিয়ে উত্তরের ১৬ জেলায় ৬০ দিন চলবে বলে জানিয়েছে বিপিসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিগগিরই পাইপলাইনে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রথমবার পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানি শুরু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে শিলগুড়ি থেকে পার্বতীপুর ডিপোতে ডিজেল আসবে। এতে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় ১৬ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ নির্বিঘœ হবে এবং পরিবহন খরচও কম পড়বে। ১৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনে বছরে ভারত থেকে বছরে আড়াই লাখ থেকে তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করার পরিকল্পনা সরকারের।

জ্বলানি তেল আমদানির নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি শুরু হবে ১৮ই মার্চ। ভারতের শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ১৩২ কিলোমিটার মৈত্রী পাইপ লাইনে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে সরাসরি আসবে ডিজেল।

ভারতের শিলিগুড়ির নুমালিগড় রিফাইনারির মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত ১৩২ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণ শুরু হয় ২০১৮ সালে। গত বছর ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জালানি তেল পাওয়ার আশা এই অঞ্চলের কৃষকদের।

বিপিসি জানিয়েছে, ১৫ বছরের চুক্তিতে প্রথম ৩ বছর পাইপ লাইনে বছরে ২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল দেবে ভারতের রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান নুমালীগড় রিফাইনারী লিমিটেড। চতুর্থ বছর থেকে ৫ লাখ টন ও বাকি ১০ বছরে ১০ লাখ টন করে তেল আসবে। চুক্তিটি নবায়ন না হলে পাইপ লাইনের মালিকানা ও কর্তৃত্ব বাংলাদেশের কাছে থাকবে।

পার্বতীপুর ডিপো থেকে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। এই তেল চট্টগ্রাম থেকে প্রথমে নেয়া হয় মোংলা বন্দরে, সেখান থেকে রেলওয়ের ওয়াগনে যেতো পার্বতীপুর। এতে সময় লাগতো দুই থেকে তিন দিন। পরিবহন খরচসহ প্রতি ব্যারেল তেলে দাম পড়তো ১১ ডলার।

বিদ্যুত ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান পাইপলাইনে ভারত থেকে তেল আনলে বছরে ৮০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

পার্বতীপুর ডিপোতে তেল মজুদ করা যাবে ৪৩ হাজার টন। যা দিয়ে উত্তরের ১৬ জেলায় ৬০ দিন চলবে বলে জানিয়েছে বিপিসি।