ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

শরীয়তপুরে সেতুতে লঞ্চের ধাক্কায় প্রাণ গেলো ৩ জনের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৬৩ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি : 
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় শাইখ্যা সেতুর সঙ্গে লঞ্চের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত দুজন।

আজ রোববার (২৩ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের মাইজারা এলাকায় মেঘনার শাখা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার কোদালপুর সরদার পাড়া এলাকার শাহআলি মোল্লার ছেলে তানজি (২৩), টাঙ্গাইল সদরের দাইনাবঘিল এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাকিল আহমেদ (২৫) ও জামালপুরের দিঘলি সোনাটিয়া রগুনাথপুর এলাকার বোরহান আলীর ছেলে সাগর আলী (২৩)। এ সময় হিরা (২৩) ও সাগর রাড়ী (২৩) গুরুতর আহত হয়েছেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হিরাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে আর রাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভার্তি আছেন।

লঞ্চ যাত্রীরা জানান, গোসাইরহাটপট্টির উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘স্বর্ণদ্বীপ প্লাস’ লঞ্চটি ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শাইখ্যা সেতুর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় লঞ্চের ছাদে থাকা লোহার পানির ট্যাংক দোতলার ছাদে যাত্রীদের ওপর ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তানজি মারা যান। শাকিল, সাগর আলী, হিরা ও সাগর রাড়ী আহত হন। লঞ্চ যাত্রীরা তাদের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকিল, সাগর আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। হিরার শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়।

আহত সাগর রাড়ী বলেন, লঞ্চের দোতলার ছাদে আমরা শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ হলো তারপার কী হয়েছে বলতে পারছি না। পরে দেখি হাসপাতালে আছি।

গোসাইরহাট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায়। গিয়ে দেখি লঞ্চে থাকা পানির ট্যাংক ফেটে নিচে পড়ে রয়েছে। আমরা টাংকের নিচে চাপা পড়া পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এ ঘটনায় লঞ্চ যাত্রীরা লস্কর এমরান হোসেন নান্নু ব্যাপারী ও মাস্টার মো. নুরুজ্জামানকে মারধরের চেষ্টা করেন। এর মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফি বিন কবির বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শরীয়তপুরে সেতুতে লঞ্চের ধাক্কায় প্রাণ গেলো ৩ জনের

আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২

শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি : 
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় শাইখ্যা সেতুর সঙ্গে লঞ্চের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত দুজন।

আজ রোববার (২৩ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের মাইজারা এলাকায় মেঘনার শাখা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার কোদালপুর সরদার পাড়া এলাকার শাহআলি মোল্লার ছেলে তানজি (২৩), টাঙ্গাইল সদরের দাইনাবঘিল এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাকিল আহমেদ (২৫) ও জামালপুরের দিঘলি সোনাটিয়া রগুনাথপুর এলাকার বোরহান আলীর ছেলে সাগর আলী (২৩)। এ সময় হিরা (২৩) ও সাগর রাড়ী (২৩) গুরুতর আহত হয়েছেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হিরাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে আর রাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভার্তি আছেন।

লঞ্চ যাত্রীরা জানান, গোসাইরহাটপট্টির উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘স্বর্ণদ্বীপ প্লাস’ লঞ্চটি ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শাইখ্যা সেতুর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় লঞ্চের ছাদে থাকা লোহার পানির ট্যাংক দোতলার ছাদে যাত্রীদের ওপর ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তানজি মারা যান। শাকিল, সাগর আলী, হিরা ও সাগর রাড়ী আহত হন। লঞ্চ যাত্রীরা তাদের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকিল, সাগর আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। হিরার শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়।

আহত সাগর রাড়ী বলেন, লঞ্চের দোতলার ছাদে আমরা শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ হলো তারপার কী হয়েছে বলতে পারছি না। পরে দেখি হাসপাতালে আছি।

গোসাইরহাট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায়। গিয়ে দেখি লঞ্চে থাকা পানির ট্যাংক ফেটে নিচে পড়ে রয়েছে। আমরা টাংকের নিচে চাপা পড়া পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এ ঘটনায় লঞ্চ যাত্রীরা লস্কর এমরান হোসেন নান্নু ব্যাপারী ও মাস্টার মো. নুরুজ্জামানকে মারধরের চেষ্টা করেন। এর মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফি বিন কবির বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।