ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

লোডশেডিংয় শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুন ২০২৩
  • / ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দিনে-রাতে গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ। লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপরীতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই ভোগান্তি বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।

বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে কয়েক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং হচ্ছে চট্টগ্রামে। গত কয়েকদিন ধরেই চলছে এ অবস্থা। এতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ বার লোডশেডিং হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কখন লোডশেডিং হবে তা আগে না জানানোয় বাড়ছে ভোগান্তি।

চট্টগ্রাম শহরের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বলেন, ‌কতক্ষণ বাদে কারেন্ট পুটুস করে আসে। দু-এক ঘণ্টা থাকার পরে আবার পুটুস করে চলে যায় গা। আবার মাঝরাতে দেখি কারেন্ট নাই।

আরেকজন চালক বলেন, সারা দিন পরিশ্রম করি। রাতে ঘুমাইতে গেলে দেখি কারেন্ট নাই। এভাবে কি জীবনযাপন করা সম্ভব!

লোডশেডিংয়ে নাকাল মেহেরপুরের বাসিন্দারাও। দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন। শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিং বেশি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, প্রচণ্ড গরম এবং এরপরে যদি লোডশেডিং হয় তাহলে আমরা ঘরে কীভাবে থাকব!

গত দুদিন ধরে লোডশেডিং বেড়েছে রাজশাহীতেও। বুধবার জেলায় বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল প্রায় ৭৬ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নেসকো বলছে, জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন না বাড়লে পরিস্থিতি উন্নয়নের সম্ভাবনা নেই।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান, দিনে দুই থেকে তিনবার বিদ্যুত চলে যায়। ওই সময় প্রচণ্ড গরম থাকে। ফলে ক্রেতারা দোকানে আসতে চান না। আবার বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে বাসায় ফিরে ঘুমাতে পারেন না তারা।

রাজশাহী অঞ্চলের নেসকোর প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ বলেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পেলেই লোডশেডিং হয়ে যায়। এখন যেহেতু চাহিদা বেশি তাই লোডশেডিংও বেশি হচ্ছে। আমাদের নেসকোর ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মাঝে সুষ্ঠভাবে বণ্টনের চেষ্টা করব।

এদিকে প্রখর রোদ ও গরমের কারণে জমির পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

লোডশেডিংয় শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি

আপডেট সময় : ১২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুন ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দিনে-রাতে গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ। লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিপরীতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই ভোগান্তি বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।

বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে কয়েক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং হচ্ছে চট্টগ্রামে। গত কয়েকদিন ধরেই চলছে এ অবস্থা। এতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ বার লোডশেডিং হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কখন লোডশেডিং হবে তা আগে না জানানোয় বাড়ছে ভোগান্তি।

চট্টগ্রাম শহরের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বলেন, ‌কতক্ষণ বাদে কারেন্ট পুটুস করে আসে। দু-এক ঘণ্টা থাকার পরে আবার পুটুস করে চলে যায় গা। আবার মাঝরাতে দেখি কারেন্ট নাই।

আরেকজন চালক বলেন, সারা দিন পরিশ্রম করি। রাতে ঘুমাইতে গেলে দেখি কারেন্ট নাই। এভাবে কি জীবনযাপন করা সম্ভব!

লোডশেডিংয়ে নাকাল মেহেরপুরের বাসিন্দারাও। দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন। শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিং বেশি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, প্রচণ্ড গরম এবং এরপরে যদি লোডশেডিং হয় তাহলে আমরা ঘরে কীভাবে থাকব!

গত দুদিন ধরে লোডশেডিং বেড়েছে রাজশাহীতেও। বুধবার জেলায় বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল প্রায় ৭৬ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নেসকো বলছে, জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন না বাড়লে পরিস্থিতি উন্নয়নের সম্ভাবনা নেই।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান, দিনে দুই থেকে তিনবার বিদ্যুত চলে যায়। ওই সময় প্রচণ্ড গরম থাকে। ফলে ক্রেতারা দোকানে আসতে চান না। আবার বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে বাসায় ফিরে ঘুমাতে পারেন না তারা।

রাজশাহী অঞ্চলের নেসকোর প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ বলেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পেলেই লোডশেডিং হয়ে যায়। এখন যেহেতু চাহিদা বেশি তাই লোডশেডিংও বেশি হচ্ছে। আমাদের নেসকোর ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মাঝে সুষ্ঠভাবে বণ্টনের চেষ্টা করব।

এদিকে প্রখর রোদ ও গরমের কারণে জমির পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।