ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রাত না হলে যে হাটে বেচা বিক্রি শুরু হয় না

গৌরনদী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৫১৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনের আলো গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই হাটে আসেন পান ক্রেতা-বিক্রেতারা। প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার পান বেচা বিক্রি হয় এই পান হাটে। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে বেচা বিক্রি। বলছি বরিশাল জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে পানের একটি হাটের কথা। ঢাকা-বরিশাল মহা সড়ক সংলগ্ন গৌরনদী উপজেলার পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড টরকী নীলখোলা নামক স্থানের কথা। রাতের আধারে জমে উঠে এই হাটে পান বিক্রির বেচা কেনা। এই হাটকে ঘিড়ে গড়ে উঠেছে একাধীক পানের আড়ৎ। এর পাশা পাশি বসে কাঁচা বাজারের হাট। মাছ, মাংস, শাক, সবজিসহ নানা পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানীরা।

এই পান নিয়ে রয়েছে অনেক গানের কথা। যেমন একটি গানও রয়েছ “পান খাইয়া ঠোঁট লাল করিলাম বন্ধুর খবর পাইলাম না” “মহেশখালীর পান এর খিলি তারে বানাই খাওইতাম” খুব জনপ্রিয় এই গান কিংবা নানা ছন্দের মধ্যে দেশের জনপ্রিয় একটি খাবারের নাম রয়েছে সেটা হল অতি পরিচিত প্রচলিত খাবার পান। আর এই পান নিয়ে আছে নানা ছন্দ আছে জনপ্রিয় গান। এই পানের হাটটিতে প্রায় ৬/৭ বছর যাবত চলছে বেচা কিনা। এখানে প্রায় দশটি পানের আড়ৎ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ক্রেতা বিক্রেতারা ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার পান বেচা বিক্রি করেন এই টরকী নীলখোলা পানের হাটে।

নিউ সোনার বাংলা পানের আড়তের পরিচালক মোঃ আঃ রাজ্জাক হাওলাদার জানান এখানে আগে সপ্তাহে ৫ দিন পানের হাট বসত। এখন প্রতিদিনই পান নিয়ে আসেন পান চাষিরা। তবে এখানে প্রতিদিন যে কয়টি পানের আড়ৎ বসে প্রায় ৪০ থেখে ৫০ লাখ টাকার পান বিক্রি করেন আড়ৎ গুলো। এখানে প্রায় ১০টির মত পানের আড়ৎ রয়েছে এর মধ্যে ভাই ভাই পান আড়ৎ, সোনার মদিনা পানের আড়ৎ, এলাহী ভরসা পানের আড়ৎ, নিউ সোনার বাংলা পানের আড়ৎ, শাপলা পানের আড়ৎ, টরকী পান ভান্ডার, জোনাকী পানের আড়ৎ ,আজমিরী পানের আড়ৎ।

সোনার বাংলা পানের আড়তের মালিক মোঃ ছলেমান হাওলাদার জানান এই হাটের পান চলে যায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় এবং পাশ্ববর্তী হাট-বাজারে এর মধ্যে মস্তফাপুর, টেকের হাট, সিলেট, ঢাকা, যশোর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালি, চাদঁপুরসহ বিভিন্ন জেলায়। তবে শীত মৌসুমে পানলতা থেকে পড়ে যাওয়ার কারনে চাষিরা লাভবান কম হচ্ছেন।

পান চাষি আকবার ঘরামী জানান পানের বরজ থেকে চাষিরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পানের লতা থেকে পান পাঙ্গা হয়। পরে পান গুছিয়ে তা বাজারের বিক্রি করতে আসতে আসতে রাত হয়ে যায়। এজন্যেই পানের ফরিয়া বা পাইকার রাতেই পান কিনতে আসেন।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

রাত না হলে যে হাটে বেচা বিক্রি শুরু হয় না

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দিনের আলো গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই হাটে আসেন পান ক্রেতা-বিক্রেতারা। প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার পান বেচা বিক্রি হয় এই পান হাটে। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে বেচা বিক্রি। বলছি বরিশাল জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে পানের একটি হাটের কথা। ঢাকা-বরিশাল মহা সড়ক সংলগ্ন গৌরনদী উপজেলার পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড টরকী নীলখোলা নামক স্থানের কথা। রাতের আধারে জমে উঠে এই হাটে পান বিক্রির বেচা কেনা। এই হাটকে ঘিড়ে গড়ে উঠেছে একাধীক পানের আড়ৎ। এর পাশা পাশি বসে কাঁচা বাজারের হাট। মাছ, মাংস, শাক, সবজিসহ নানা পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানীরা।

এই পান নিয়ে রয়েছে অনেক গানের কথা। যেমন একটি গানও রয়েছ “পান খাইয়া ঠোঁট লাল করিলাম বন্ধুর খবর পাইলাম না” “মহেশখালীর পান এর খিলি তারে বানাই খাওইতাম” খুব জনপ্রিয় এই গান কিংবা নানা ছন্দের মধ্যে দেশের জনপ্রিয় একটি খাবারের নাম রয়েছে সেটা হল অতি পরিচিত প্রচলিত খাবার পান। আর এই পান নিয়ে আছে নানা ছন্দ আছে জনপ্রিয় গান। এই পানের হাটটিতে প্রায় ৬/৭ বছর যাবত চলছে বেচা কিনা। এখানে প্রায় দশটি পানের আড়ৎ রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ক্রেতা বিক্রেতারা ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার পান বেচা বিক্রি করেন এই টরকী নীলখোলা পানের হাটে।

নিউ সোনার বাংলা পানের আড়তের পরিচালক মোঃ আঃ রাজ্জাক হাওলাদার জানান এখানে আগে সপ্তাহে ৫ দিন পানের হাট বসত। এখন প্রতিদিনই পান নিয়ে আসেন পান চাষিরা। তবে এখানে প্রতিদিন যে কয়টি পানের আড়ৎ বসে প্রায় ৪০ থেখে ৫০ লাখ টাকার পান বিক্রি করেন আড়ৎ গুলো। এখানে প্রায় ১০টির মত পানের আড়ৎ রয়েছে এর মধ্যে ভাই ভাই পান আড়ৎ, সোনার মদিনা পানের আড়ৎ, এলাহী ভরসা পানের আড়ৎ, নিউ সোনার বাংলা পানের আড়ৎ, শাপলা পানের আড়ৎ, টরকী পান ভান্ডার, জোনাকী পানের আড়ৎ ,আজমিরী পানের আড়ৎ।

সোনার বাংলা পানের আড়তের মালিক মোঃ ছলেমান হাওলাদার জানান এই হাটের পান চলে যায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় এবং পাশ্ববর্তী হাট-বাজারে এর মধ্যে মস্তফাপুর, টেকের হাট, সিলেট, ঢাকা, যশোর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালি, চাদঁপুরসহ বিভিন্ন জেলায়। তবে শীত মৌসুমে পানলতা থেকে পড়ে যাওয়ার কারনে চাষিরা লাভবান কম হচ্ছেন।

পান চাষি আকবার ঘরামী জানান পানের বরজ থেকে চাষিরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পানের লতা থেকে পান পাঙ্গা হয়। পরে পান গুছিয়ে তা বাজারের বিক্রি করতে আসতে আসতে রাত হয়ে যায়। এজন্যেই পানের ফরিয়া বা পাইকার রাতেই পান কিনতে আসেন।

 

বাখ//আর