ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রাজাকারের শাবকরা সংবিধান মানতে চায় না : হানিফ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৪৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বিএনপির উদ্দেশে বলেন, যারা বলে বাহাত্তরের সংবিধান ছুড়ে ফেলতে হবে, স্বাধীন বাংলাদেশ বাই চান্স হয়েছে, তাদের জনগণের শায়েস্তার মুখোমুখি হতে হবে। এ ধরনের ধৃষ্টতা দেখানো বক্তব্য প্রত্যাহার করুন। জাতির কাছে ক্ষমা চান। আর না হলে জনগণের শায়েস্তার মুখোমুখি হতে হবে। এর দায়ভার কেউ নেবে না।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেটে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের বিক্ষোভের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সমাবেশ থেকে বলা হয় ৭২-এর সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। তাদের এত বড় ধৃষ্টতা হয় কী করে? যারা সংবিধান মানে না, গণতন্ত্র মানে না, তাদের ধৃষ্টতার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে দেশের সংবিধান রক্ষার্থে, গণতন্ত্র রক্ষার্থে যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের রাজপথে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। যুবলীগ সব সময় অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। এখনো আপনারা প্রস্তুত থাকবেন। এই সময়ে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হতে না। উঠতে গেলে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।

বিএনপি-জামায়াত দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র করে চলেছে বলে মন্তব্য করে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সেই মুহূর্তে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বিএনপি-জামায়াত পদে পদে নানামুখী ষড়যন্ত্র করে চলছে।

তিনি বলেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না, পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাস করে। যারা পাকিস্তানি মতাদর্শে বিশ্বাসী তাদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করতে হবে।

শান্তি সমাবেশে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত গণ-আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য আর জনগণের জানমালের ক্ষতি করছে। বিএনপি নেতারা বলেছিলেন, ১০ ডিসেম্বরের পর দেশ নাকি খালেদা জিয়ার কথায় চলবে। আপনারাই দেখছেন ১০ ডিসেম্বরের পর আওয়ামী লীগ এখনও ক্ষমতায় রয়েছে, জনগণের সেবা করছে।’

তিনি বলেন, ‘যারা মানুষ মারে, পেট্রোলবোমা মারে, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে, দেশের জনগণ তাদের চায় না। যারা এ দেশের বিরুদ্ধে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, তাদের রাজপথেই কঠোরভাবে প্রতিহত করবে যুবলীগ।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, ডা. খালেদ শওকত আলী, মো. নবী নেওয়াজ, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সেলিম আলতাফ জর্জ, মৃণাল কান্তি জোদ্দার, তাজউদ্দিন আহমেদ, মো. আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, মশিউর রহমান চপল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজাকারের শাবকরা সংবিধান মানতে চায় না : হানিফ

আপডেট সময় : ১০:৪০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বিএনপির উদ্দেশে বলেন, যারা বলে বাহাত্তরের সংবিধান ছুড়ে ফেলতে হবে, স্বাধীন বাংলাদেশ বাই চান্স হয়েছে, তাদের জনগণের শায়েস্তার মুখোমুখি হতে হবে। এ ধরনের ধৃষ্টতা দেখানো বক্তব্য প্রত্যাহার করুন। জাতির কাছে ক্ষমা চান। আর না হলে জনগণের শায়েস্তার মুখোমুখি হতে হবে। এর দায়ভার কেউ নেবে না।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেটে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের বিক্ষোভের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সমাবেশ থেকে বলা হয় ৭২-এর সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিতে হবে। তাদের এত বড় ধৃষ্টতা হয় কী করে? যারা সংবিধান মানে না, গণতন্ত্র মানে না, তাদের ধৃষ্টতার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে দেশের সংবিধান রক্ষার্থে, গণতন্ত্র রক্ষার্থে যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের রাজপথে কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। যুবলীগ সব সময় অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। এখনো আপনারা প্রস্তুত থাকবেন। এই সময়ে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হতে না। উঠতে গেলে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।

বিএনপি-জামায়াত দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র করে চলেছে বলে মন্তব্য করে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সেই মুহূর্তে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বিএনপি-জামায়াত পদে পদে নানামুখী ষড়যন্ত্র করে চলছে।

তিনি বলেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না, পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাস করে। যারা পাকিস্তানি মতাদর্শে বিশ্বাসী তাদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করতে হবে।

শান্তি সমাবেশে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত গণ-আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য আর জনগণের জানমালের ক্ষতি করছে। বিএনপি নেতারা বলেছিলেন, ১০ ডিসেম্বরের পর দেশ নাকি খালেদা জিয়ার কথায় চলবে। আপনারাই দেখছেন ১০ ডিসেম্বরের পর আওয়ামী লীগ এখনও ক্ষমতায় রয়েছে, জনগণের সেবা করছে।’

তিনি বলেন, ‘যারা মানুষ মারে, পেট্রোলবোমা মারে, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে, দেশের জনগণ তাদের চায় না। যারা এ দেশের বিরুদ্ধে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, তাদের রাজপথেই কঠোরভাবে প্রতিহত করবে যুবলীগ।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, ডা. খালেদ শওকত আলী, মো. নবী নেওয়াজ, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সেলিম আলতাফ জর্জ, মৃণাল কান্তি জোদ্দার, তাজউদ্দিন আহমেদ, মো. আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, মশিউর রহমান চপল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।