ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রাজস্ব আয়ে বড় বাধা কর ফাঁকি- সিপিডি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩
  • / ৪৬৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর ফাঁকির কারণে সরকার ২ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত রাজস্ব হারাচ্ছে বলে জানিয়েছে সেন্টারফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি। আজ (সোমবার) রাজধানীতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এসব তথ্য জানান।

সিপিডির গবেষণা তুলে ধরে খন্দকার গোলাম বলেন, ৬৮ শতাংশ মানুষ করযোগ্য আয় করার পরও আয়কর দেন না। অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ কর দেওয়ার যোগ্য হওয়ার পরও কর দেন না। কর ফাঁকি যদি ৮০ শতাংশ হয় তাহলে ২ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার মতো রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। কর ফাঁকি ৫০ শতাংশ ধরা হলে রাজস্ব হারানোর পরিমাণ ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। সে হিসাবে আমাদের ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা থেকে ২ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত কর আদায়ের সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের রাজস্ব আয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কর ফাঁকি দেয়া। রেজিস্টার্ড ও করপোরেট কোম্পানিগুলো সময়মতো কর দেয় না। ফলে সরকারকে প্রতিবছর মোটা অংকের আর্থিক ক্ষতিতে পড়তে হচ্ছে।

খন্দকার গোলম বলেন, কর অব্যাহতি নির্দিষ্ট সময় ও লক্ষ্যভিত্তিক হওয়া উচিত। আর্থিক খাতের সব লেনদেন সমন্বিত হওয়া দরকার। এ সম্পর্কিত রিপোর্ট ইন্টিগ্রেট হওয়া উচিত। এর অংশ হিসেবে ডিজিটালাইজেশন ও ইন্টারনেটভিত্তিক ট্রানজেকশন হওয়া উচিত। কর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাধ্যতামূলক সাস্টেইনেবল রিপোর্টিংয়ে যাওয়া দরকার।

করপোরেট কোম্পানিগুলোর প্রতি পাঁচটির মধ্যে একটি নিয়মিত কর প্রদান কওে বলে জানান সিপিডির পরিচালক। তিনি বলেন, বাকিরা কর প্রদানে ফাঁকি দেয়। রাজস্ব আয় বাড়াতে হলে, কর ফাঁকি দেয়া বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আগামী বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বন্ধের পরামর্শও দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজস্ব আয়ে বড় বাধা কর ফাঁকি- সিপিডি

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর ফাঁকির কারণে সরকার ২ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত রাজস্ব হারাচ্ছে বলে জানিয়েছে সেন্টারফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি। আজ (সোমবার) রাজধানীতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এসব তথ্য জানান।

সিপিডির গবেষণা তুলে ধরে খন্দকার গোলাম বলেন, ৬৮ শতাংশ মানুষ করযোগ্য আয় করার পরও আয়কর দেন না। অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ কর দেওয়ার যোগ্য হওয়ার পরও কর দেন না। কর ফাঁকি যদি ৮০ শতাংশ হয় তাহলে ২ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার মতো রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। কর ফাঁকি ৫০ শতাংশ ধরা হলে রাজস্ব হারানোর পরিমাণ ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। সে হিসাবে আমাদের ৪১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা থেকে ২ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত কর আদায়ের সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের রাজস্ব আয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কর ফাঁকি দেয়া। রেজিস্টার্ড ও করপোরেট কোম্পানিগুলো সময়মতো কর দেয় না। ফলে সরকারকে প্রতিবছর মোটা অংকের আর্থিক ক্ষতিতে পড়তে হচ্ছে।

খন্দকার গোলম বলেন, কর অব্যাহতি নির্দিষ্ট সময় ও লক্ষ্যভিত্তিক হওয়া উচিত। আর্থিক খাতের সব লেনদেন সমন্বিত হওয়া দরকার। এ সম্পর্কিত রিপোর্ট ইন্টিগ্রেট হওয়া উচিত। এর অংশ হিসেবে ডিজিটালাইজেশন ও ইন্টারনেটভিত্তিক ট্রানজেকশন হওয়া উচিত। কর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাধ্যতামূলক সাস্টেইনেবল রিপোর্টিংয়ে যাওয়া দরকার।

করপোরেট কোম্পানিগুলোর প্রতি পাঁচটির মধ্যে একটি নিয়মিত কর প্রদান কওে বলে জানান সিপিডির পরিচালক। তিনি বলেন, বাকিরা কর প্রদানে ফাঁকি দেয়। রাজস্ব আয় বাড়াতে হলে, কর ফাঁকি দেয়া বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আগামী বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বন্ধের পরামর্শও দেন তিনি।