ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রাজশাহীতে এমপির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ,সতর্ক করে চিঠি 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৭২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর মোহনপুরে জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।তাৎক্ষণিকভাবেই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে এমপি আয়েনকে সতর্ক করে চিঠি দেন জেলা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোট করছেন তিনি। যার কারণে একাধিকবার হামলা ও হুমকি দেয়া হয়। কিন্ত তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি তার পোষ্টার ও ফেস্টুন নির্বাচনী এলাকা থেকে ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আখতারুজ্জামান আকতারের ৬ কর্মীকে এমপি আয়েন উদ্দিনের উপস্থিতিতে মারপিট করা হয়। মারপিটের পর ওই ৬ কর্মীকে এমপি আয়েন উদ্দিন পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী।
গত বুধবার মধ্যরাতে মোহনপুর উপজেলার ধুরোইল ইউনিয়নে তার পাষ্টার লাগাতে বাধা দেয়া ও কর্মীদের আটকে রেখে মারধরের করা হয়। ওই রাত ১০টা ৪০ মিনিটে পবা-মোহনপুর আসনের এমপি আয়েন উদ্দিনের নির্দেশে চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা হয় তার কর্মীদের ওপর।
হামলাকারীরা বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে। ঘটনার কিছু সময় পরে এমপি উপস্থিত হয়ে তার ৬ কর্মীকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন মোহনপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য সঙ্গীও ফোর্স। ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে উদ্ধার করে থানায় নেয় পুলিশ।
মারধরের ঘটনায় আহতরা হলেন, আকতারের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী ড. আবু রায়হান মাসুদ, বাগমারা উপজেলার বড়বিহানালী গ্রামের নাসির উদ্দীন প্রামাণিকের ছেলে আব্দুল মালেক নয়ন (৩৫), রাজশাহী নগরীর হড়গ্রাম এলাকার মৃত সাইফুদ্দিন মিয়ার ছেলে আবু সুফিয়ান সম্রাট (৩০), মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আশিকুল ইসলাম নিটু (৪৫), মৃত অ্যাড. মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে অ্যাডভোকেট গোলাম আযম ফারুক (৫৩), মনিমুল হকের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩০), লক্ষীপুর এলাকার মৃত নকির উদ্দিন শেখের ছেলে মো. আলী (৫৩) ও রাজশাহীর হড়গ্রাম এলাকার মস্টুর ছেলে রাফি (৩৫)।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন,প্রচারণা নিয়ে একটি দ্বন্দ্ব হয়েছে।ঘটনার সাথে জড়িত কয়েকজনেক থানায় রাখা আছে।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গৃহীত হবে।

এমপি আয়েন বলেন, আমি কাউকে মারধর করিনি। আমি গিয়ে পরিস্তিতি শান্ত করেছি। ওরা রাতের আঁধারে এসে বিশৃঙ্খলা তৈরীর চেষ্টা করছিল। তাই এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

প্রসঙ্গত, এর আগে আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে এমপি আয়েনকে সতর্ক করে চিঠি দেন জেলা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজশাহীতে এমপির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ,সতর্ক করে চিঠি 

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২
রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীর মোহনপুরে জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।তাৎক্ষণিকভাবেই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে এমপি আয়েনকে সতর্ক করে চিঠি দেন জেলা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোট করছেন তিনি। যার কারণে একাধিকবার হামলা ও হুমকি দেয়া হয়। কিন্ত তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি তার পোষ্টার ও ফেস্টুন নির্বাচনী এলাকা থেকে ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আখতারুজ্জামান আকতারের ৬ কর্মীকে এমপি আয়েন উদ্দিনের উপস্থিতিতে মারপিট করা হয়। মারপিটের পর ওই ৬ কর্মীকে এমপি আয়েন উদ্দিন পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী।
গত বুধবার মধ্যরাতে মোহনপুর উপজেলার ধুরোইল ইউনিয়নে তার পাষ্টার লাগাতে বাধা দেয়া ও কর্মীদের আটকে রেখে মারধরের করা হয়। ওই রাত ১০টা ৪০ মিনিটে পবা-মোহনপুর আসনের এমপি আয়েন উদ্দিনের নির্দেশে চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা হয় তার কর্মীদের ওপর।
হামলাকারীরা বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে। ঘটনার কিছু সময় পরে এমপি উপস্থিত হয়ে তার ৬ কর্মীকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন মোহনপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য সঙ্গীও ফোর্স। ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে উদ্ধার করে থানায় নেয় পুলিশ।
মারধরের ঘটনায় আহতরা হলেন, আকতারের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী ড. আবু রায়হান মাসুদ, বাগমারা উপজেলার বড়বিহানালী গ্রামের নাসির উদ্দীন প্রামাণিকের ছেলে আব্দুল মালেক নয়ন (৩৫), রাজশাহী নগরীর হড়গ্রাম এলাকার মৃত সাইফুদ্দিন মিয়ার ছেলে আবু সুফিয়ান সম্রাট (৩০), মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আশিকুল ইসলাম নিটু (৪৫), মৃত অ্যাড. মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে অ্যাডভোকেট গোলাম আযম ফারুক (৫৩), মনিমুল হকের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩০), লক্ষীপুর এলাকার মৃত নকির উদ্দিন শেখের ছেলে মো. আলী (৫৩) ও রাজশাহীর হড়গ্রাম এলাকার মস্টুর ছেলে রাফি (৩৫)।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন,প্রচারণা নিয়ে একটি দ্বন্দ্ব হয়েছে।ঘটনার সাথে জড়িত কয়েকজনেক থানায় রাখা আছে।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গৃহীত হবে।

এমপি আয়েন বলেন, আমি কাউকে মারধর করিনি। আমি গিয়ে পরিস্তিতি শান্ত করেছি। ওরা রাতের আঁধারে এসে বিশৃঙ্খলা তৈরীর চেষ্টা করছিল। তাই এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

প্রসঙ্গত, এর আগে আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে এমপি আয়েনকে সতর্ক করে চিঠি দেন জেলা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।