ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গরুর সাথে এ কেমন শত্রুতা?

রাউজানে ৭ মাসের গর্ভবতী গাভী গরু পুড়িয়ে মারার অভিযোগ

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
রাউজানের হলদিয়া ইউপির ৮নং ওয়ার্ডে আগুণ লাগিয়ে গর্ভবতী গাভী গরু পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন গাভি গরুর মালিক প্রবাসী মোঃ আবদুল কাদেরের স্ত্রী রশিদা বেগম নামের এক গৃহবধু।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এয়াছিন্নগর বাচু মোহাম্মদ তালুকদার বাড়ীর মৃত আবদুল খালেকের ছেলে মোঃ কামাল প্রকাশ ননাইয়া রশিদা বেগমের গোয়াল ঘরে আগুণ লাগিয়ে দেয়। তারা দুটি পরিবার একই বাড়ীর বাসিন্ধা। সিসি ক্যামরার ফুটেজ থেকে আগুণ দেয়া ব্যাক্তিকে শনাক্ত করেছেন বাদী এমনটি উল্লেখ করেন থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে। এর আগেউ কে বা কাহারা বাদীর ঘর চুরি, মালামাল ভাংচুর, ফলদ বাগানের চারা গাছ কাটা, খড়ের গাদাতে আগুণ দেয়া সহ বিভিন্ন ক্ষতি সাধিত করায় বাদী গত রমজান মাসে বসত ঘরের চারদিকে সিসি ক্যামরা স্থাপন করেন।
২২এপ্রিল আগুণ লাগানোর ভিডিউ ফুটেজে বিবাদী মোঃ কামালকে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে উল্লেখ করে বাদী রশিদা বেগম মঙ্গলবার রাতে স্থানিয় সংবাদকর্মিদের জানান আমার স্বামী থাকেন বিদেশে।বিবাদী একজন দুর্দান্ত জুলুমবাজ ও আইন অমান্যকারি।তিনি গায়ে একটি গেঞ্জি, চোখে চশমা দিয়ে আগুণ লাগিয়ে দেয়ার ভিডিউ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সিসি ক্যামরাতে।
এ ঘটনায় ২ লক্ষ টাকার শাহি ওয়াল জাতের ৭ মাসের একটি গর্ভবতী গাভী গরু আগুণে পুড়ে আঙ্গার হয়ে যায়।গোয়াল ঘরে থাকা অপর দুটি গরুকে রশিদা বেগমের ছেলে রশি কেটে বের করে প্রানে বাঁচালেও আগুণের চ্যাকা লেগে অসুস্থ হয়ে পড়ে দুটি গরু।জড়িত  কামাল একটি লোহা সিমেন্টের দোকানে চাকুরী করে বলে জানাগেছে।রশিদা বেগমের আত্মিয় নাজিম ড্রাইভার জানান মানুষে মানুষে শত্রু থাকতে শুনেছি, পশুর সাথে এ কেমন শত্রুতা?
এ ধরনের একটি গর্ভবতী গাভী গরুকে আগুণ দিয়ে মেরে পেলা কোন জালিম ছাড়া ঈমানদার মানুষ করতে পারেনা!এধরনের পাপ কাজের বিচারের সাজা উভয় জগতে ভোগ করতে হবে।নাজিম বলেন গরুটি দেখে আমার চোখে পানি এসেছে। প্রশাসন এটির সর্বোচ্চ যা-যা করার তা করবে তেমনটি আশা করেন তিনি।এঘটনায় স্থানিয় ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ।
ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম বাদীকে স্পস্ট বলেছেন গরুর সাথে যারা জগন্য অমানবিক কাজ করেছে আমি তাদের ছাড় দেবনা। তাদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। আমি অন্যায়কে পশ্রয় দিইনি দেবওনা।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

গরুর সাথে এ কেমন শত্রুতা?

রাউজানে ৭ মাসের গর্ভবতী গাভী গরু পুড়িয়ে মারার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
রাউজানের হলদিয়া ইউপির ৮নং ওয়ার্ডে আগুণ লাগিয়ে গর্ভবতী গাভী গরু পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন গাভি গরুর মালিক প্রবাসী মোঃ আবদুল কাদেরের স্ত্রী রশিদা বেগম নামের এক গৃহবধু।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এয়াছিন্নগর বাচু মোহাম্মদ তালুকদার বাড়ীর মৃত আবদুল খালেকের ছেলে মোঃ কামাল প্রকাশ ননাইয়া রশিদা বেগমের গোয়াল ঘরে আগুণ লাগিয়ে দেয়। তারা দুটি পরিবার একই বাড়ীর বাসিন্ধা। সিসি ক্যামরার ফুটেজ থেকে আগুণ দেয়া ব্যাক্তিকে শনাক্ত করেছেন বাদী এমনটি উল্লেখ করেন থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে। এর আগেউ কে বা কাহারা বাদীর ঘর চুরি, মালামাল ভাংচুর, ফলদ বাগানের চারা গাছ কাটা, খড়ের গাদাতে আগুণ দেয়া সহ বিভিন্ন ক্ষতি সাধিত করায় বাদী গত রমজান মাসে বসত ঘরের চারদিকে সিসি ক্যামরা স্থাপন করেন।
২২এপ্রিল আগুণ লাগানোর ভিডিউ ফুটেজে বিবাদী মোঃ কামালকে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে উল্লেখ করে বাদী রশিদা বেগম মঙ্গলবার রাতে স্থানিয় সংবাদকর্মিদের জানান আমার স্বামী থাকেন বিদেশে।বিবাদী একজন দুর্দান্ত জুলুমবাজ ও আইন অমান্যকারি।তিনি গায়ে একটি গেঞ্জি, চোখে চশমা দিয়ে আগুণ লাগিয়ে দেয়ার ভিডিউ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সিসি ক্যামরাতে।
এ ঘটনায় ২ লক্ষ টাকার শাহি ওয়াল জাতের ৭ মাসের একটি গর্ভবতী গাভী গরু আগুণে পুড়ে আঙ্গার হয়ে যায়।গোয়াল ঘরে থাকা অপর দুটি গরুকে রশিদা বেগমের ছেলে রশি কেটে বের করে প্রানে বাঁচালেও আগুণের চ্যাকা লেগে অসুস্থ হয়ে পড়ে দুটি গরু।জড়িত  কামাল একটি লোহা সিমেন্টের দোকানে চাকুরী করে বলে জানাগেছে।রশিদা বেগমের আত্মিয় নাজিম ড্রাইভার জানান মানুষে মানুষে শত্রু থাকতে শুনেছি, পশুর সাথে এ কেমন শত্রুতা?
এ ধরনের একটি গর্ভবতী গাভী গরুকে আগুণ দিয়ে মেরে পেলা কোন জালিম ছাড়া ঈমানদার মানুষ করতে পারেনা!এধরনের পাপ কাজের বিচারের সাজা উভয় জগতে ভোগ করতে হবে।নাজিম বলেন গরুটি দেখে আমার চোখে পানি এসেছে। প্রশাসন এটির সর্বোচ্চ যা-যা করার তা করবে তেমনটি আশা করেন তিনি।এঘটনায় স্থানিয় ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ।
ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম বাদীকে স্পস্ট বলেছেন গরুর সাথে যারা জগন্য অমানবিক কাজ করেছে আমি তাদের ছাড় দেবনা। তাদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। আমি অন্যায়কে পশ্রয় দিইনি দেবওনা।
বাখ//আর