ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শিক্ষা সফর

রাজেশ দত্ত ও ভরত সাহা
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৯৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান আহরণ এবং কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সারাদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিলো রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদচারণায় মুখরিত। সকাল ৭:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ থেকে রওনা হয়ে ১০:৩০ মিনিটে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহন করা বাস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়। এরপর শহিদ জোহা স্মৃতি চত্বর, শহিদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ, শহিদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার চত্বর, কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক-এর সমাধি, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ও বধ্যভূমিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন।

এ সময় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম, সকল বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষকমন্ডলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এরপর এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম শহিদ শামসুজ্জোহার অবদান স্মরণ করে বলেন, তিনি একজন প্রকৃত শিক্ষক ও বাংলাদেশের প্রথম বুদ্ধিজীবী হিসেবে আমাদের সকলেরই অনুপ্রেরণা।

ছাত্রের জীবন রক্ষা করতে নিজ জীবন উৎসর্গ করে তিনি ছাত্র-শিক্ষকের পারষ্পরিক শ্রদ্ধা ও নির্ভরশীলতার সম্পর্ককে চির অম্লান করেন। আজও দ্রোহে আর বিপ্লবে ড. জোহা প্রেরণা হিসাবে শত সহস্র শিক্ষক ছাত্রের হৃদয়ে উদ্ভাসিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধের নিদর্শনগুলোকে যতœ সহকারে সংরক্ষণ করেছে। এই মঞ্চে কাজ করেই বাংলাদেশের শিল্প সাহিত্যের কর্মীরা তাদের অবদান রেখে চলেছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার জন্য স্মৃতি সংগ্রহশালা রয়েছে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এখানে এসেছে সেটি আমার কাছে অনেক আনন্দের ও গৌরবের এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক মনে হচ্ছে, কারণ এটি আমরা ভাষার মাসে করতে পেরেছি।

উপাচার্য বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোমলমতি সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক অবয়ব এবং তার যে নিবেদন তাতে মনে হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মানুষ তৈরির জন্য উপযোগী। আমরা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নির্মাণ করতে যাচ্ছি। আমাদের অবয়বটা কেমন হবে তার একটা ধারণা যেন আমাদের মনের মধ্যে তৈরি হয় সেটি আমাদেরই শিক্ষা সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বর্ণাঢ্য শিক্ষা ও কর্মজীবনের স্মৃতি উপস্থিত সবার মাঝে তুলে ধরেন। উপাচার্য মহোদয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের ইতিহাস তুলে ধরেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন শেষে বিকাল ৩:০০টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শিক্ষা সফর

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ (শনিবার) রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান আহরণ এবং কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সারাদিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিলো রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদচারণায় মুখরিত। সকাল ৭:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ থেকে রওনা হয়ে ১০:৩০ মিনিটে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহন করা বাস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়। এরপর শহিদ জোহা স্মৃতি চত্বর, শহিদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ, শহিদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার চত্বর, কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক-এর সমাধি, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ও বধ্যভূমিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন।

এ সময় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম, সকল বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষকমন্ডলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এরপর এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম শহিদ শামসুজ্জোহার অবদান স্মরণ করে বলেন, তিনি একজন প্রকৃত শিক্ষক ও বাংলাদেশের প্রথম বুদ্ধিজীবী হিসেবে আমাদের সকলেরই অনুপ্রেরণা।

ছাত্রের জীবন রক্ষা করতে নিজ জীবন উৎসর্গ করে তিনি ছাত্র-শিক্ষকের পারষ্পরিক শ্রদ্ধা ও নির্ভরশীলতার সম্পর্ককে চির অম্লান করেন। আজও দ্রোহে আর বিপ্লবে ড. জোহা প্রেরণা হিসাবে শত সহস্র শিক্ষক ছাত্রের হৃদয়ে উদ্ভাসিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধের নিদর্শনগুলোকে যতœ সহকারে সংরক্ষণ করেছে। এই মঞ্চে কাজ করেই বাংলাদেশের শিল্প সাহিত্যের কর্মীরা তাদের অবদান রেখে চলেছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার জন্য স্মৃতি সংগ্রহশালা রয়েছে। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এখানে এসেছে সেটি আমার কাছে অনেক আনন্দের ও গৌরবের এবং দিনটিকে ঐতিহাসিক মনে হচ্ছে, কারণ এটি আমরা ভাষার মাসে করতে পেরেছি।

উপাচার্য বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোমলমতি সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক অবয়ব এবং তার যে নিবেদন তাতে মনে হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মানুষ তৈরির জন্য উপযোগী। আমরা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নির্মাণ করতে যাচ্ছি। আমাদের অবয়বটা কেমন হবে তার একটা ধারণা যেন আমাদের মনের মধ্যে তৈরি হয় সেটি আমাদেরই শিক্ষা সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বর্ণাঢ্য শিক্ষা ও কর্মজীবনের স্মৃতি উপস্থিত সবার মাঝে তুলে ধরেন। উপাচার্য মহোদয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের ইতিহাস তুলে ধরেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন শেষে বিকাল ৩:০০টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্ আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

বাখ//আর