ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রপ্তানী আয় বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩
  • / ৪৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশ্বে বাংলাদেশেী পণ্যের বাজার খুঁজে বের করে রপ্তানী আয় বাড়ানোর ওপর তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। পঞ্চম এলডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিন সোমবার কাতারের রাজধানী দোহায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশী কূটনীতিকদের সাথে বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যে সব পণ্য আমদানী করে তা যাতে ন্যায্য মূল্যে পায় সেই বিষয়টিও খেয়াল রাখতে করতে হবে। প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যর সেতু বন্ধন হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলেও কূটনীতিকদের জানান প্রধানমন্ত্রী। সেজন্য অর্থনৈতিক ডিপ্লোমেসিকে গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানান শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে এলডিসির রাষ্ট্রসমূহের সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে ৫দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন তিনি।

টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, যেহেতু আমাদের উত্তরণ হবে ডেভেলপিং কান্ট্রি হিসেবে, ডেভেলপিং কান্ট্রি হিসেবে কোন কোন দেশের সঙ্গে আমরা আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে পারি, কোথায় আমাদের লাভ হবে। আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যেন টিকে থাকতে পারি, এগিয়ে যেতে পারি, উন্নত দেশে আমাদের উত্তরণ ঘটে সেদিকে দৃষ্টি রেখে সব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, একসময় কূটনীতি ছিল রাজনৈতিক বিষয়, এখন এটা অর্থনৈতিক বিষয়। অর্থাৎ ইকনোমিক ডিপ্লোমেসি। আমাদের যারা কাজ করছেন সব সময় এটা লক্ষ্য রাখবেন। আমরা কোন দেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারি, কোন দেশে আমাদের পণ্য রপ্তানি সুযোগ আছে, আমরা যেগুলো আমদানি করি, সেগুলো কোন দেশ থেকে কম দামে ন্যায্যমূল্যে আমদানি করতে পারি সেটা দেখতে হবে।

বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশের নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। অন্তত আমি এটুকু দাবি করতে পারি বাংলাদেশ এই নীতিটা যথাযথভাবে পালন করছে।

তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমরা সবার সঙ্গে বজায় রাখবো। তবে যেখানে আমরা অন্যায় দেখবো নিশ্চয়ই আমরা কথা বলব। কিন্তু সেটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে। যেমন মিয়ানমারে যখন ঘটনা ঘটলো আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলাম। কিন্তু আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে ঝগড়া লিপ্ত হইনি। রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে ফেরাতে কূটনৈতিকভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ।

কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত, ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা দূত সম্মেলনে অংশ নেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রপ্তানী আয় বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশ্বে বাংলাদেশেী পণ্যের বাজার খুঁজে বের করে রপ্তানী আয় বাড়ানোর ওপর তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। পঞ্চম এলডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিন সোমবার কাতারের রাজধানী দোহায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশী কূটনীতিকদের সাথে বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যে সব পণ্য আমদানী করে তা যাতে ন্যায্য মূল্যে পায় সেই বিষয়টিও খেয়াল রাখতে করতে হবে। প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যর সেতু বন্ধন হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলেও কূটনীতিকদের জানান প্রধানমন্ত্রী। সেজন্য অর্থনৈতিক ডিপ্লোমেসিকে গুরুত্ব দেয়ার আহবান জানান শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে এলডিসির রাষ্ট্রসমূহের সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নে ৫দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন তিনি।

টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, যেহেতু আমাদের উত্তরণ হবে ডেভেলপিং কান্ট্রি হিসেবে, ডেভেলপিং কান্ট্রি হিসেবে কোন কোন দেশের সঙ্গে আমরা আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে পারি, কোথায় আমাদের লাভ হবে। আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যেন টিকে থাকতে পারি, এগিয়ে যেতে পারি, উন্নত দেশে আমাদের উত্তরণ ঘটে সেদিকে দৃষ্টি রেখে সব দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, একসময় কূটনীতি ছিল রাজনৈতিক বিষয়, এখন এটা অর্থনৈতিক বিষয়। অর্থাৎ ইকনোমিক ডিপ্লোমেসি। আমাদের যারা কাজ করছেন সব সময় এটা লক্ষ্য রাখবেন। আমরা কোন দেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারি, কোন দেশে আমাদের পণ্য রপ্তানি সুযোগ আছে, আমরা যেগুলো আমদানি করি, সেগুলো কোন দেশ থেকে কম দামে ন্যায্যমূল্যে আমদানি করতে পারি সেটা দেখতে হবে।

বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশের নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। অন্তত আমি এটুকু দাবি করতে পারি বাংলাদেশ এই নীতিটা যথাযথভাবে পালন করছে।

তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমরা সবার সঙ্গে বজায় রাখবো। তবে যেখানে আমরা অন্যায় দেখবো নিশ্চয়ই আমরা কথা বলব। কিন্তু সেটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে। যেমন মিয়ানমারে যখন ঘটনা ঘটলো আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলাম। কিন্তু আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে ঝগড়া লিপ্ত হইনি। রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে ফেরাতে কূটনৈতিকভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ।

কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত, ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা দূত সম্মেলনে অংশ নেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।