ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মেহেদির ব্যাটে ঝড়ে ঢাকাকে হেসেখেলেই হারালো রংপুর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ব্যাট হাতে বিপিএলে মেহেদী হাসানের ঝলক নতুন কিছু নয়। তবে এবারের আসরে সেই ব্যাটার মেহেদীর দেখাই মিলছিল না। উপরে ব্যাটিং করেও নিজের জাত চেনাতে পারছিলেন না। অবশেষে হাসল তার ব্যাট। তাতে ঢাকা ডমিনেটর্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে আসরে পঞ্চম জয় তুলে নিল রংপুর রাইডার্স। ৪৩ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৭২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন মেহেদী।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) টসে জিতে ঢাকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রংপুরের অধিনায়ক রুল হাসান সোহান। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে ঢাকা। ১৪৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৬ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জয় পায় রংপুর।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৪৫ রানের লক্ষ্যে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ নাঈমকে (০) হারায়। তবে ঢাকাকে চড়াও হতে দেননি মেহেদী। দ্বিতীয় উইকেটে রনি তালুকদারকে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন তিনি। ২৮ বলে ৫ চারে ২৯ রান করে ফেরেন রনি। এরপর শোয়েব মালিক (৬) ও নুরুল হাসান সোহানও (৬) ফিরে যান দ্রুত। একপ্রান্তে রানের চাকা সচল রাখেন মেহেদী। তাই জয় পেতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি রংপুরের।

মেহেদী যখন আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন জয় থেকে তখন ২২ রান দূরে সোহানের দল। যা এক ওভার হাতে রেখেই নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ নওয়াজ (১৭*) ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই (১২*)। ঢাকার হয়ে দুটি উইকেট নেন সালমান ইরশাদ। একটি করে শিকার আমির হামজা, আল-আমিন হোসেন ও সৌম্য সরকারের।

এর আগে টস জিতে ঢাকাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় রংপুর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রংপুরকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দলীয় ১১ রানে দুর্দান্ত এক ইনসুইং ডেলভারীতে মিজানুর রহমানকে বোল্ড করেন তিনি। আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারকেও স্বীকার করেন এই আফগান পেসার।

ফ্লিক করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে থাকা শামীম হোসেনের হাতে ক্যাচ দেন সৌম্য। আগের ম্যাচে ফিফটি করে বাঁহাতি এই ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন মাত্র ১১ রানেই। দলীয় ২৮ রানে আরও এক ব্যাটারকে হারায় ঢাকা। এবার অ্যালেক্স ব্লেকের (৪) স্টাম্প উপড়ে ফেলেন মেহেদী হাসান।

পাওয়ার প্লেতেই বড় ধাক্কা খাওয়ার পর সেভাবে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ঢাকা। মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে সেই চাপ সামাল দেওয়ার কাজ করেন উসমান গণি। থিতু হয়েও কেবল ১৪ রানে রাকিবুল হাসানের শিকার হয়ে ফেরেন মিঠুন। ইনফর্ম নাসির হোসেন ক্রিজে আসলে ঢাকার রানের গতি কিছুটা বাড়ে। গণির সঙ্গে ৪৫ রানের জুটি গড়েন ঢাকার অধিনায়ক। রান-আউটে বিদায় নেওয়ার আগে ২২ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ রান করেন তিনি।

অন্যদিকে একপ্রান্ত ঠিকই আগলে রাখেন গণি। যার ফলে ৫ উইকেট হারিয়ে ঢাকার সংগ্রহ পৌঁছায় ১৪৪ রানে। ৫৫ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ডানহাতি এই ব্যাটার। রংপুরের হয়ে ওমরজাই দুটি এবং মেহেদী ও রাকিবুল নেন একটি করে উইকেট।

এই জয়ের পর ৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে আছে রংপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন

মেহেদির ব্যাটে ঝড়ে ঢাকাকে হেসেখেলেই হারালো রংপুর

আপডেট সময় : ০৫:২১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ব্যাট হাতে বিপিএলে মেহেদী হাসানের ঝলক নতুন কিছু নয়। তবে এবারের আসরে সেই ব্যাটার মেহেদীর দেখাই মিলছিল না। উপরে ব্যাটিং করেও নিজের জাত চেনাতে পারছিলেন না। অবশেষে হাসল তার ব্যাট। তাতে ঢাকা ডমিনেটর্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে আসরে পঞ্চম জয় তুলে নিল রংপুর রাইডার্স। ৪৩ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৭২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন মেহেদী।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) টসে জিতে ঢাকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রংপুরের অধিনায়ক রুল হাসান সোহান। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে ঢাকা। ১৪৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৬ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জয় পায় রংপুর।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৪৫ রানের লক্ষ্যে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ নাঈমকে (০) হারায়। তবে ঢাকাকে চড়াও হতে দেননি মেহেদী। দ্বিতীয় উইকেটে রনি তালুকদারকে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন তিনি। ২৮ বলে ৫ চারে ২৯ রান করে ফেরেন রনি। এরপর শোয়েব মালিক (৬) ও নুরুল হাসান সোহানও (৬) ফিরে যান দ্রুত। একপ্রান্তে রানের চাকা সচল রাখেন মেহেদী। তাই জয় পেতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি রংপুরের।

মেহেদী যখন আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন জয় থেকে তখন ২২ রান দূরে সোহানের দল। যা এক ওভার হাতে রেখেই নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ নওয়াজ (১৭*) ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই (১২*)। ঢাকার হয়ে দুটি উইকেট নেন সালমান ইরশাদ। একটি করে শিকার আমির হামজা, আল-আমিন হোসেন ও সৌম্য সরকারের।

এর আগে টস জিতে ঢাকাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় রংপুর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রংপুরকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দলীয় ১১ রানে দুর্দান্ত এক ইনসুইং ডেলভারীতে মিজানুর রহমানকে বোল্ড করেন তিনি। আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারকেও স্বীকার করেন এই আফগান পেসার।

ফ্লিক করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে থাকা শামীম হোসেনের হাতে ক্যাচ দেন সৌম্য। আগের ম্যাচে ফিফটি করে বাঁহাতি এই ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন মাত্র ১১ রানেই। দলীয় ২৮ রানে আরও এক ব্যাটারকে হারায় ঢাকা। এবার অ্যালেক্স ব্লেকের (৪) স্টাম্প উপড়ে ফেলেন মেহেদী হাসান।

পাওয়ার প্লেতেই বড় ধাক্কা খাওয়ার পর সেভাবে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ঢাকা। মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে সেই চাপ সামাল দেওয়ার কাজ করেন উসমান গণি। থিতু হয়েও কেবল ১৪ রানে রাকিবুল হাসানের শিকার হয়ে ফেরেন মিঠুন। ইনফর্ম নাসির হোসেন ক্রিজে আসলে ঢাকার রানের গতি কিছুটা বাড়ে। গণির সঙ্গে ৪৫ রানের জুটি গড়েন ঢাকার অধিনায়ক। রান-আউটে বিদায় নেওয়ার আগে ২২ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ রান করেন তিনি।

অন্যদিকে একপ্রান্ত ঠিকই আগলে রাখেন গণি। যার ফলে ৫ উইকেট হারিয়ে ঢাকার সংগ্রহ পৌঁছায় ১৪৪ রানে। ৫৫ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন ডানহাতি এই ব্যাটার। রংপুরের হয়ে ওমরজাই দুটি এবং মেহেদী ও রাকিবুল নেন একটি করে উইকেট।

এই জয়ের পর ৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে আছে রংপুর।