ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মেয়াদোত্তীর্ণ ফাইজারের টিকা বন্ধ হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ৪৭১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ব্যবহৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ফাইজারের টিকা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে কাউকে দেওয়া হবে না। তবে শিশুদের ফাইজার ও বড়দের সিনোফার্মসহ অন্যান্য টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা শাখার লাইন ডিরেক্টর (এমএনসি অ্যান্ড এএইচ) ডা. সাইদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

তিনি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ টিকার ঘাটতি পূরণে আগামী এক মাসের মধ্যে ফাইজারের বিশেষ টিকা আমদানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। করোনার তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজে ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে, আমাদের হাতে মজুদ থাকা কিছু সংখ্যক ফাইজারের টিকার মেয়াদ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাবে। ২৭ ফেব্রুয়ারির পর মেয়াদোত্তীর্ণ টিকা নতুন করে কাউকে দেওয়া হবে না। তবে শিশুদের জন্য যেসব ফাইজারের টিকা রয়েছে, সেগুলোর মেয়াদ আরও অনেকদিন আছে। যে কারণে শিশুদের টিকা কার্যক্রমে কোনো সমস্যা হবে না।
তিনি আরো বলেন, কোনো টিকার মেয়াদ শেষ হলে সেগুলোর প্রয়োগ বন্ধ হবে, এটাই স্বাভাবিক। এজন্য ঘোষণা দেওয়ার কিছু নাই। করোনা টিকার সঠিক ব্যবহার ও অপচয় রোধে আগে বিশেষ ক্যাম্পেইন করে জেলায় জেলায় দেওয়া হয়েছে। এরপরও কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে সেই সংখ্যা খুবই অপ্রতুল।

তবে কত টিকা মেয়াদোত্তীর্ণ ও কত সংখ্যক মজুদ রয়েছে নথিপত্র না দেখে বলা সম্ভব হচ্ছে না। দৈনিক কত টিকা প্রয়োগ হচ্ছে, কত সংখ্যক মুজদ রয়েছে আমাদের কাছে নিয়মিত আপডেট রিপোর্ট আসে।

নাম না প্রকাশের শর্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের কাছে মজুদ থাকা ফাইজার টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফাইজারের নতুন টিকার বিষয়ে গ্যাভির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সেগুলো আসা মাত্রই আবারও নতুন করে কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে রাজধানীর একাধিক টিকা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ করোনা টিকা কেন্দ্রই খালি পড়ে আছে। টিকা গ্রহীতাদের আনাগোনা না থাকায় টিকাদানে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অলস সময় পার করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মেয়াদোত্তীর্ণ ফাইজারের টিকা বন্ধ হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ব্যবহৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ফাইজারের টিকা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে কাউকে দেওয়া হবে না। তবে শিশুদের ফাইজার ও বড়দের সিনোফার্মসহ অন্যান্য টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা শাখার লাইন ডিরেক্টর (এমএনসি অ্যান্ড এএইচ) ডা. সাইদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

তিনি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ টিকার ঘাটতি পূরণে আগামী এক মাসের মধ্যে ফাইজারের বিশেষ টিকা আমদানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। করোনার তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজে ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে, আমাদের হাতে মজুদ থাকা কিছু সংখ্যক ফাইজারের টিকার মেয়াদ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাবে। ২৭ ফেব্রুয়ারির পর মেয়াদোত্তীর্ণ টিকা নতুন করে কাউকে দেওয়া হবে না। তবে শিশুদের জন্য যেসব ফাইজারের টিকা রয়েছে, সেগুলোর মেয়াদ আরও অনেকদিন আছে। যে কারণে শিশুদের টিকা কার্যক্রমে কোনো সমস্যা হবে না।
তিনি আরো বলেন, কোনো টিকার মেয়াদ শেষ হলে সেগুলোর প্রয়োগ বন্ধ হবে, এটাই স্বাভাবিক। এজন্য ঘোষণা দেওয়ার কিছু নাই। করোনা টিকার সঠিক ব্যবহার ও অপচয় রোধে আগে বিশেষ ক্যাম্পেইন করে জেলায় জেলায় দেওয়া হয়েছে। এরপরও কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে সেই সংখ্যা খুবই অপ্রতুল।

তবে কত টিকা মেয়াদোত্তীর্ণ ও কত সংখ্যক মজুদ রয়েছে নথিপত্র না দেখে বলা সম্ভব হচ্ছে না। দৈনিক কত টিকা প্রয়োগ হচ্ছে, কত সংখ্যক মুজদ রয়েছে আমাদের কাছে নিয়মিত আপডেট রিপোর্ট আসে।

নাম না প্রকাশের শর্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের কাছে মজুদ থাকা ফাইজার টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফাইজারের নতুন টিকার বিষয়ে গ্যাভির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সেগুলো আসা মাত্রই আবারও নতুন করে কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে রাজধানীর একাধিক টিকা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ করোনা টিকা কেন্দ্রই খালি পড়ে আছে। টিকা গ্রহীতাদের আনাগোনা না থাকায় টিকাদানে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অলস সময় পার করছেন।