ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মিলে তেল-চিনি উৎপাদন স্বাভাবিক, সঙ্কট বাজারে : ভোক্তার ডিজি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২
  • / ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, মিল থেকে উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বাজারে ভোজ্যতেল ও চিনির সঙ্কট রয়েছে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তদারকি অভিযানে এসে তিনি এ কথা বলেন।

শুধু খুচরা বাজারেই নয়, ডিলারদের কাছেও নেই চিনি। মিল থেকে চিনি দিচ্ছে না, আবার মিলাররা ক্রয়াদেশও বাতিল করছেন, এমন গুরুতর অভিযোগ করছেন ডিলাররা। এদিকে বাজার তদারকিতে এসে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর বলছে, উল্টো কথা। মিল থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তাহলে চিনি যাচ্ছে কোথায়, এর কোনো উত্তর নেই কারও কাছেই।

কারওয়ান বাজারের খুচরা পর্যায়ে কেন চিনি নেই? এ প্রশ্নের জবাবে পাইকারি ব্যবসায়ী ও ডিলারদের অভিযোগ, মিল থেকে দিচ্ছে না। তবে দাম বাড়ালে সরবরাহ মিলবে বলে আশ্বাস পাচ্ছেন তারা।

আবার বাজারের কোথাও কোথাও চিনির দেখা পেলেও প্রতি কেজির দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা বেশি পড়ছে। চিনির হাহাকারের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে সকালে বাজার তদারকিতে যান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক।

তদারকি শেষে তিনি জানান, বাজারে তেল চিনির ঘাটতি রয়েছে, যদিও উৎপাদন পর্যায়ে স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে বাজার স্বাভাবিক রাখতে চিনি প্রস্তুতকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সরাসরি ট্রাকে করে চিনি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিলে তেল-চিনি উৎপাদন স্বাভাবিক, সঙ্কট বাজারে : ভোক্তার ডিজি

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, মিল থেকে উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বাজারে ভোজ্যতেল ও চিনির সঙ্কট রয়েছে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তদারকি অভিযানে এসে তিনি এ কথা বলেন।

শুধু খুচরা বাজারেই নয়, ডিলারদের কাছেও নেই চিনি। মিল থেকে চিনি দিচ্ছে না, আবার মিলাররা ক্রয়াদেশও বাতিল করছেন, এমন গুরুতর অভিযোগ করছেন ডিলাররা। এদিকে বাজার তদারকিতে এসে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর বলছে, উল্টো কথা। মিল থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তাহলে চিনি যাচ্ছে কোথায়, এর কোনো উত্তর নেই কারও কাছেই।

কারওয়ান বাজারের খুচরা পর্যায়ে কেন চিনি নেই? এ প্রশ্নের জবাবে পাইকারি ব্যবসায়ী ও ডিলারদের অভিযোগ, মিল থেকে দিচ্ছে না। তবে দাম বাড়ালে সরবরাহ মিলবে বলে আশ্বাস পাচ্ছেন তারা।

আবার বাজারের কোথাও কোথাও চিনির দেখা পেলেও প্রতি কেজির দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা বেশি পড়ছে। চিনির হাহাকারের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে সকালে বাজার তদারকিতে যান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক।

তদারকি শেষে তিনি জানান, বাজারে তেল চিনির ঘাটতি রয়েছে, যদিও উৎপাদন পর্যায়ে স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে বাজার স্বাভাবিক রাখতে চিনি প্রস্তুতকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সরাসরি ট্রাকে করে চিনি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন।