ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মির্জা আব্বাসের বাসায় দুটি ককটেল নিক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩
  • / ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় পরপর দুইটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। কারারুদ্ধ মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে করে দুজন আরোহী এসে রাজধানীর শাহজাহানপুরের বাসা লক্ষ্য করে পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে। একটি ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় এবং অপর একটি ককটেল সম্পূর্ণ অবিস্ফোরিত থাকে। এ সময় পুরো বাড়ি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

তিনি জানান, ককটেল বিস্ফোরণে মুহূর্তের মধ্যে বাসায় অবস্থান করা নিরাপত্তা কর্মীরা দৌড়ে গেলে মোটরসাইকেলটি নিরাপদে চলে যায়। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা বাসার গেটের সামনে গিয়ে ইউনিফর্ম পরা ৬-৮ জন পুলিশকে বহন করা ৩-৪টি মোটরসাইকেল অবস্থান করতে দেখেন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগ যুবলীগের ছেলেরা প্রেস-লেখা জ্যাকেট পরে ককটেল মেরেছে। এ সময় পুলিশ তাদের নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগে সহায়তা করে।

আফরোজা আব্বাস বলেন, কালো পোশাক ও হেলমেট পরিহিত দুজন মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত করার পরও পুলিশ কোন সহায়তা করেনি। এতেই বুঝা যায় এই সরকার থাকলে ন্যায় আমরা বিচার পাব না।

তিনি আরও বলেন, মির্জা আব্বাস জেলে এমন পরিস্থিতিতে বাসায় ককটেল হামলার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

মির্জা আব্বাসের নিরাপত্তা কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, মোটরসাইকেল আরোহী এবং ককটেল নিক্ষেপের ঘটনাটি পুলিশের কাছে জানতে চাইলে পুলিশ কোনো সদুত্তর না দিয়ে চলে যায়।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় একটি মোটরসাইকেলে করে দুজন আরোহী এসে পর পর দু’টি ককটেল নিক্ষেপ করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটি ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় এবং অপর একটি ককটেল অবিস্ফোরিত থাকে। এ সময় পুরো বাড়ি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

দিদার জানান, মুহূর্তের মধ্যে বাসায় অবস্থান করা মির্জা আব্বাসের নিরাপত্তা কর্মীরা দৌড়ে গেলে মোটরসাইকেলটি নিরাপদে চলে যায়। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা বাসার গেটের সামনে গিয়ে ৬ থেকে ৮ জন পুলিশকে বহন করা ৩ থেকে ৪টি মোটরসাইকেল অবস্থান করতে দেখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মির্জা আব্বাসের বাসায় দুটি ককটেল নিক্ষেপ

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় পরপর দুইটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। কারারুদ্ধ মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে করে দুজন আরোহী এসে রাজধানীর শাহজাহানপুরের বাসা লক্ষ্য করে পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে। একটি ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় এবং অপর একটি ককটেল সম্পূর্ণ অবিস্ফোরিত থাকে। এ সময় পুরো বাড়ি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

তিনি জানান, ককটেল বিস্ফোরণে মুহূর্তের মধ্যে বাসায় অবস্থান করা নিরাপত্তা কর্মীরা দৌড়ে গেলে মোটরসাইকেলটি নিরাপদে চলে যায়। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা বাসার গেটের সামনে গিয়ে ইউনিফর্ম পরা ৬-৮ জন পুলিশকে বহন করা ৩-৪টি মোটরসাইকেল অবস্থান করতে দেখেন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগ যুবলীগের ছেলেরা প্রেস-লেখা জ্যাকেট পরে ককটেল মেরেছে। এ সময় পুলিশ তাদের নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগে সহায়তা করে।

আফরোজা আব্বাস বলেন, কালো পোশাক ও হেলমেট পরিহিত দুজন মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত করার পরও পুলিশ কোন সহায়তা করেনি। এতেই বুঝা যায় এই সরকার থাকলে ন্যায় আমরা বিচার পাব না।

তিনি আরও বলেন, মির্জা আব্বাস জেলে এমন পরিস্থিতিতে বাসায় ককটেল হামলার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

মির্জা আব্বাসের নিরাপত্তা কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, মোটরসাইকেল আরোহী এবং ককটেল নিক্ষেপের ঘটনাটি পুলিশের কাছে জানতে চাইলে পুলিশ কোনো সদুত্তর না দিয়ে চলে যায়।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় একটি মোটরসাইকেলে করে দুজন আরোহী এসে পর পর দু’টি ককটেল নিক্ষেপ করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটি ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয় এবং অপর একটি ককটেল অবিস্ফোরিত থাকে। এ সময় পুরো বাড়ি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

দিদার জানান, মুহূর্তের মধ্যে বাসায় অবস্থান করা মির্জা আব্বাসের নিরাপত্তা কর্মীরা দৌড়ে গেলে মোটরসাইকেলটি নিরাপদে চলে যায়। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা বাসার গেটের সামনে গিয়ে ৬ থেকে ৮ জন পুলিশকে বহন করা ৩ থেকে ৪টি মোটরসাইকেল অবস্থান করতে দেখেন।