ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মিথ্যাচার করায় ভোট পাবে না বিএনপি : কাদের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৪৬৩ বার পড়া হয়েছে

শ্যামলী স্কয়ার প্রাঙ্গণে শান্তিসমাবেশে বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মিথ্যাচার করায় বিএনপি মানুষের ভোট পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শ্যামলী হলের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষোদগার, মিথ্যাচার ছাড়া বিএনপির আর কী আছে? মিথ্যাচারের জন্য মানুষ আর আপনাদের ভোট দেবে না। বিএনপিকে বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে না। তারা নাকি রাষ্ট্র মেরামত করবে! বিএনপি রাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। রাষ্ট্রের অর্থ পাচার করেছে বিএনপি। এরা নষ্ট রাজনীতি করে। যারা নষ্ট রাজনীতি করে তারা রাষ্ট্র মেরামত করতে পারে না, রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে।

তিনি বলেন, আজ ঢাকা মিছিলের নগরী। সারা ঢাকায় আওয়ামী লীগ প্রস্তুত আছে। প্রস্তুত আছে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, ভোট চোরদের বিরুদ্ধে আমরা প্রস্তুত। বিএনপির বিরুদ্ধে আমরা প্রস্তুত। ওদের রুখতে হবে, জঙ্গিবাদ রুখতে হবে। স্বাধীনতা বিরোধীদের রুখতে হবে।

রাজধানীতে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর গণমিছিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কাউকে আক্রমণ করবে না, কিন্তু আঘাত আসলে সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত আছে।

মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অন্যান্য মেগা প্রকল্পে বিএনপি নেতাদের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি জীবনেও মেগা প্রজেক্ট করতে পারেনি। সরকারের মেগা প্রকল্প দেখে হিংসায় মরে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা বুদ্ধিজীবী নামিয়েছে, ফখরুলের মুক্তি চায়, ফখরুল তাদের বন্ধু, তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী। ফখরুল অসুস্থ, আমরা জানি না, অথচ বিবৃতিজীবীরা বলছে তিনি নাকি অসুস্থ। ফখরুলের জন্য উদ্বিগ্ন এই বিবৃতিজীবীরা। এই বিশিষ্টজনেরা, বুদ্ধিজীবীরা এই বাংলায় যখন সহস্র মায়ের বুক খালি হয়েছে, ১৫ আগস্ট যখন সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়, তখন এই ঘাতকদের বিরুদ্ধে আপনারা কি বিবৃতি দিয়েছিলেন? তখন কোথায় ছিল আপনাদের মুখের ভাষা, কোথায় ছিল উদ্বেগ?

তিনি আরও বলেন, জাতীয় চার নেতাকে যখন জেলখানায় নিশংসভাবে হত্যা করা হয় তখন কোথায় ছিল আপনাদের প্রতিবাদ। ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে গ্রেনেড হামলায় ২৩ জনের প্রাণহানির সময় সিরাজুল ইসলাম, বদরুদ্দীন উমর- আপনারা সেদিন কোথায় ছিলেন? সেদিন কি আপনারা প্রতিবাদ করেছেন? আহসানুল্লাহ মাস্টার, শাহ এমএস কিবরিয়া, নাটোরের মমতাজ, খুলনার মমতাজ, সাংবাদিক মানিক সাহা, হুমায়ুন কবির বালুকে যেদিন প্রকাশ্যে হত্যা করা হয় সেদিন কি প্রতিবাদ করেছিলেন, উদ্যোগ প্রকাশ করেছেন? এই ঘাতকের দলের পক্ষে এখন বিবৃতি দিচ্ছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, গোস্বা (অভিমান) করে কোনো লাভ নেই। বাংলার জনগণ ২০২৪ সালে নির্বাচনে উন্নয়ন আর অর্জনের জন্য শেখ হাসিনাকে টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় বসাবেন। আপনারা চেয়ে চেয়ে শুধু হতাশা আর দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন, কিছুই করার থাকবে না। বাংলাদেশ আর রক্তপাতে ফিরে যাবে না। জনগণ আর হাওয়া ভবনে ফিরে যাবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, খেলা হবে মানে মারাপিট না, আন্দোলনের খেলা। নির্বাচনে হবে ফাইনাল খেলা। এখন আমাদের লাল কার্ড দেখাচ্ছেন, নির্বাচনের দিন বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে। বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়ে বলবে, না না তোমাদের আর চাই না। ফাইনাল খেলা শেষ, হুইসেল বেজে যাবে। এই এক বছর ছেড়ে দেব না, অনেক বাড়াবাড়ি, লাফালাফি করেছেন, আর বাড়াবাড়ি, লাফালাফি নয়। ক্ষমতায় বসাবে এই দেশের জনগণ, দূতাবাসে গিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করবেন, তাদের কাছে ভোট নেই। ভোট আছে সাধারণ জনগণের হাতে।

জঙ্গিবাদ রুখতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীদের রুখতে হবে। হাওয়া ভবনের লুটেরাদের রুখতে হবে। তারা (বিএনপি) বলে রাষ্ট্র মেরামত করবে। বিএনপি এই রাষ্ট্রকে ধ্বংস করেছে। এই রাষ্ট্রের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করেছে তারা। এই রাষ্ট্রে অর্থপাচার করেছে বিএনপি। পাঁচ বছরে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিএনপি।

বিএনপি জীবনেও মেগা প্রকল্প করতে পারবে না দাবি করে কাদের বলেন, বিষোদগার লিপ সার্ভিস ছাড়া আপনাদের কি আছে? নির্বাচনের জন্য বাংলার মানুষ আর ভোট দেবে না।

সারা দেশে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সতর্ক আছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা কোনও ধরনের সহিংসতায় জড়াব না। তবে আঘাত করা হলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

পদ্মা সেতু ব্যবহারে বিএনপি নেতাদের লজ্জা করে না— এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতু হলো জোড়াতালি দিয়ে, এখন খুলনাতে তিন ঘণ্টায় সমাবেশ করতে যান। এখন পদ্মা সেতুতে উঠছেন কেন? আপনাদের দেশনেত্রী তো বলেছে পদ্মা সেতু জোড়াতালি দিয়ে হয়েছে। এই সেতু এখন কেন ব্যবহার করেন? লজ্জা করে না?

পদ্মা সেতু এখন কেন ব্যবহার করেন, লজ্জা করে না : বিএনপিকে কাদের

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ দেখলাম একটি কিশোর ইন্টারভিউতে বলেছেন, আমি থাকি নিউইয়র্ক, ঢাকায় এসেছি। এটা তো ঢাকার মেট্রো নয়, নিউইয়র্কের মেট্রো।

তিনি বলেন, আজ শেখ হাসিনা মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল করেছেন, লজ্জায় তাদের মাথা হেঁট হয়ে যায়। জ্বালা রে, অন্তর জ্বালা। হায় রে, যেটা আমরা পারলাম না শেখ হাসিনা করেই ফেলল? ভোটের রাজনীতিতে হেরে গিয়ে রেখে যাচ্ছে। বিএনপির নেতারা গোসসা করবেন না। গোসসা করে লাভ নেই। বাংলার জনগণ আগামী ২৪ নির্বাচনেও ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে টানা চতুর্থবার ক্ষমতা বসাবে।

তিনি আরও বলেন, বড়লোকদের বাড়ির সামনে লেখা থাকে কুকুর থেকে সাবধান। জনগণ বলে তারেক থেকে সাবধান। বিএনপি থেকে সাবধান। খেলা হবে, বাংলাদেশ আর রক্তপাতে ফিরে যাবে না। লন্ডনে বসে বলে ‘টেক ব্যাক’। বাংলাদেশের মানুষ আর হাওয়া ভবনে ফিরে যাবে না।

শান্তি সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব) মুহাম্মদ ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মিথ্যাচার করায় ভোট পাবে না বিএনপি : কাদের

আপডেট সময় : ০৫:৩২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মিথ্যাচার করায় বিএনপি মানুষের ভোট পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শ্যামলী হলের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষোদগার, মিথ্যাচার ছাড়া বিএনপির আর কী আছে? মিথ্যাচারের জন্য মানুষ আর আপনাদের ভোট দেবে না। বিএনপিকে বাংলার মানুষ বিশ্বাস করে না। তারা নাকি রাষ্ট্র মেরামত করবে! বিএনপি রাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। রাষ্ট্রের অর্থ পাচার করেছে বিএনপি। এরা নষ্ট রাজনীতি করে। যারা নষ্ট রাজনীতি করে তারা রাষ্ট্র মেরামত করতে পারে না, রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে।

তিনি বলেন, আজ ঢাকা মিছিলের নগরী। সারা ঢাকায় আওয়ামী লীগ প্রস্তুত আছে। প্রস্তুত আছে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, ভোট চোরদের বিরুদ্ধে আমরা প্রস্তুত। বিএনপির বিরুদ্ধে আমরা প্রস্তুত। ওদের রুখতে হবে, জঙ্গিবাদ রুখতে হবে। স্বাধীনতা বিরোধীদের রুখতে হবে।

রাজধানীতে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর গণমিছিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কাউকে আক্রমণ করবে না, কিন্তু আঘাত আসলে সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত আছে।

মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অন্যান্য মেগা প্রকল্পে বিএনপি নেতাদের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি জীবনেও মেগা প্রজেক্ট করতে পারেনি। সরকারের মেগা প্রকল্প দেখে হিংসায় মরে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা বুদ্ধিজীবী নামিয়েছে, ফখরুলের মুক্তি চায়, ফখরুল তাদের বন্ধু, তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী। ফখরুল অসুস্থ, আমরা জানি না, অথচ বিবৃতিজীবীরা বলছে তিনি নাকি অসুস্থ। ফখরুলের জন্য উদ্বিগ্ন এই বিবৃতিজীবীরা। এই বিশিষ্টজনেরা, বুদ্ধিজীবীরা এই বাংলায় যখন সহস্র মায়ের বুক খালি হয়েছে, ১৫ আগস্ট যখন সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়, তখন এই ঘাতকদের বিরুদ্ধে আপনারা কি বিবৃতি দিয়েছিলেন? তখন কোথায় ছিল আপনাদের মুখের ভাষা, কোথায় ছিল উদ্বেগ?

তিনি আরও বলেন, জাতীয় চার নেতাকে যখন জেলখানায় নিশংসভাবে হত্যা করা হয় তখন কোথায় ছিল আপনাদের প্রতিবাদ। ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে গ্রেনেড হামলায় ২৩ জনের প্রাণহানির সময় সিরাজুল ইসলাম, বদরুদ্দীন উমর- আপনারা সেদিন কোথায় ছিলেন? সেদিন কি আপনারা প্রতিবাদ করেছেন? আহসানুল্লাহ মাস্টার, শাহ এমএস কিবরিয়া, নাটোরের মমতাজ, খুলনার মমতাজ, সাংবাদিক মানিক সাহা, হুমায়ুন কবির বালুকে যেদিন প্রকাশ্যে হত্যা করা হয় সেদিন কি প্রতিবাদ করেছিলেন, উদ্যোগ প্রকাশ করেছেন? এই ঘাতকের দলের পক্ষে এখন বিবৃতি দিচ্ছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, গোস্বা (অভিমান) করে কোনো লাভ নেই। বাংলার জনগণ ২০২৪ সালে নির্বাচনে উন্নয়ন আর অর্জনের জন্য শেখ হাসিনাকে টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় বসাবেন। আপনারা চেয়ে চেয়ে শুধু হতাশা আর দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন, কিছুই করার থাকবে না। বাংলাদেশ আর রক্তপাতে ফিরে যাবে না। জনগণ আর হাওয়া ভবনে ফিরে যাবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, খেলা হবে মানে মারাপিট না, আন্দোলনের খেলা। নির্বাচনে হবে ফাইনাল খেলা। এখন আমাদের লাল কার্ড দেখাচ্ছেন, নির্বাচনের দিন বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে। বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়ে বলবে, না না তোমাদের আর চাই না। ফাইনাল খেলা শেষ, হুইসেল বেজে যাবে। এই এক বছর ছেড়ে দেব না, অনেক বাড়াবাড়ি, লাফালাফি করেছেন, আর বাড়াবাড়ি, লাফালাফি নয়। ক্ষমতায় বসাবে এই দেশের জনগণ, দূতাবাসে গিয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশ করবেন, তাদের কাছে ভোট নেই। ভোট আছে সাধারণ জনগণের হাতে।

জঙ্গিবাদ রুখতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীদের রুখতে হবে। হাওয়া ভবনের লুটেরাদের রুখতে হবে। তারা (বিএনপি) বলে রাষ্ট্র মেরামত করবে। বিএনপি এই রাষ্ট্রকে ধ্বংস করেছে। এই রাষ্ট্রের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করেছে তারা। এই রাষ্ট্রে অর্থপাচার করেছে বিএনপি। পাঁচ বছরে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিএনপি।

বিএনপি জীবনেও মেগা প্রকল্প করতে পারবে না দাবি করে কাদের বলেন, বিষোদগার লিপ সার্ভিস ছাড়া আপনাদের কি আছে? নির্বাচনের জন্য বাংলার মানুষ আর ভোট দেবে না।

সারা দেশে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সতর্ক আছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা কোনও ধরনের সহিংসতায় জড়াব না। তবে আঘাত করা হলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

পদ্মা সেতু ব্যবহারে বিএনপি নেতাদের লজ্জা করে না— এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতু হলো জোড়াতালি দিয়ে, এখন খুলনাতে তিন ঘণ্টায় সমাবেশ করতে যান। এখন পদ্মা সেতুতে উঠছেন কেন? আপনাদের দেশনেত্রী তো বলেছে পদ্মা সেতু জোড়াতালি দিয়ে হয়েছে। এই সেতু এখন কেন ব্যবহার করেন? লজ্জা করে না?

পদ্মা সেতু এখন কেন ব্যবহার করেন, লজ্জা করে না : বিএনপিকে কাদের

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ দেখলাম একটি কিশোর ইন্টারভিউতে বলেছেন, আমি থাকি নিউইয়র্ক, ঢাকায় এসেছি। এটা তো ঢাকার মেট্রো নয়, নিউইয়র্কের মেট্রো।

তিনি বলেন, আজ শেখ হাসিনা মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল করেছেন, লজ্জায় তাদের মাথা হেঁট হয়ে যায়। জ্বালা রে, অন্তর জ্বালা। হায় রে, যেটা আমরা পারলাম না শেখ হাসিনা করেই ফেলল? ভোটের রাজনীতিতে হেরে গিয়ে রেখে যাচ্ছে। বিএনপির নেতারা গোসসা করবেন না। গোসসা করে লাভ নেই। বাংলার জনগণ আগামী ২৪ নির্বাচনেও ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে টানা চতুর্থবার ক্ষমতা বসাবে।

তিনি আরও বলেন, বড়লোকদের বাড়ির সামনে লেখা থাকে কুকুর থেকে সাবধান। জনগণ বলে তারেক থেকে সাবধান। বিএনপি থেকে সাবধান। খেলা হবে, বাংলাদেশ আর রক্তপাতে ফিরে যাবে না। লন্ডনে বসে বলে ‘টেক ব্যাক’। বাংলাদেশের মানুষ আর হাওয়া ভবনে ফিরে যাবে না।

শান্তি সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব) মুহাম্মদ ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি প্রমুখ।