ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মানবেতর জীবন কাটছে গুচ্ছ গ্রামবাসীর

রাজু আহমেদ রমজান, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪
  • / ৪৭১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
মানবেতর জীবনযাপন করছেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাকমা গুচ্ছগ্রামের অসহায় ৪০টি পরিবার। গৃহহীন ও ভুমিহীন পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া স্বপ্নের ঘর পেয়েছিলেন তারা। মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে দিন কাটছিল বেশ। কিন্তু বিপত্তি ঘটে বসতঘরে প্রয়োজনীয় মাটি সংগ্রহ, শৌচাগারের মল পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্হা না থাকা এবং বসতঘর থেকে সীমান্ত সড়কে চলাচলের রাস্তা না থাকায়। সেখানে চারটি টিউবওয়েল দেযা হলেও পানিতে অধিক পরিমাণে আয়রন মিশ্রিত থাকায় সুপেয় পানি সংকটেও দিনাতিপাত করছেন গুচ্ছগ্রামবাসী।
এছাড়া সরকারের দেয়া ৪০টি ঘরের টিনে মরিচা ধরে ঝঙ্গ পড়ে গেছে। বছরখানেক পর এসব ঘরে বসবাস করা জটিল হয়ে পড়বে এমনটাই পরিলক্ষিত হয়েছে। শুক্রবার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হলে দুর্ভোগের বিষয়ে জানিয়েছেন বসবাসকারী নারী-পুরুষ। তাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী এক পরিবারের কারণে সৃষ্ট  জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
উল্লেখিত বিষয়ে সুরাহার লক্ষ্যে স্হানীয় জনপ্রতিনিধিদের দারস্থ হলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী এসব পরিবার। প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা। লাকমা গ্রামের বাসিন্দা ইউ/পি সদস্য সাফিল মিয়া বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালমা পারভিন বলেন, বিষয়গুলো নোট করেছি। সমাধানে দ্রত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবেতর জীবন কাটছে গুচ্ছ গ্রামবাসীর

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪
মানবেতর জীবনযাপন করছেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাকমা গুচ্ছগ্রামের অসহায় ৪০টি পরিবার। গৃহহীন ও ভুমিহীন পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া স্বপ্নের ঘর পেয়েছিলেন তারা। মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে দিন কাটছিল বেশ। কিন্তু বিপত্তি ঘটে বসতঘরে প্রয়োজনীয় মাটি সংগ্রহ, শৌচাগারের মল পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্হা না থাকা এবং বসতঘর থেকে সীমান্ত সড়কে চলাচলের রাস্তা না থাকায়। সেখানে চারটি টিউবওয়েল দেযা হলেও পানিতে অধিক পরিমাণে আয়রন মিশ্রিত থাকায় সুপেয় পানি সংকটেও দিনাতিপাত করছেন গুচ্ছগ্রামবাসী।
এছাড়া সরকারের দেয়া ৪০টি ঘরের টিনে মরিচা ধরে ঝঙ্গ পড়ে গেছে। বছরখানেক পর এসব ঘরে বসবাস করা জটিল হয়ে পড়বে এমনটাই পরিলক্ষিত হয়েছে। শুক্রবার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হলে দুর্ভোগের বিষয়ে জানিয়েছেন বসবাসকারী নারী-পুরুষ। তাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী এক পরিবারের কারণে সৃষ্ট  জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
উল্লেখিত বিষয়ে সুরাহার লক্ষ্যে স্হানীয় জনপ্রতিনিধিদের দারস্থ হলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী এসব পরিবার। প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা। লাকমা গ্রামের বাসিন্দা ইউ/পি সদস্য সাফিল মিয়া বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালমা পারভিন বলেন, বিষয়গুলো নোট করেছি। সমাধানে দ্রত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
বাখ//আর