ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মাগুরার ইটভাটায় অভিযান অবৈধ ইটভাটা ধ্বংশ ও মালিককে জরিমানা

আশরাফ হোসেন পল্টু, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৫৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনব্যাপী মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় যশোর পরিবেশ অধিদপ্তরের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান অভিযানে ৫টি অবৈধ ইটভাটা ধ্বংশ ও ইটভাটা মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাগুরা জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবেশবান্ধব সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ভাটা মালিকগণ তাদের ইচ্ছা মাফিক ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে। কয়লার পরিবর্তিতে ভাটায় পুড়ানো হচ্ছে কাঠখড়ি। সঠিক পরিমাপের চিমনির পরিবর্তে ভাটায় ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রাম চিমনি। তাছাড়া যত্রতত্র মাটিকেটে লক্ষমাত্রার অধীক ইট পুড়ায়ে বিক্রি করা হচ্ছে। মানসম্মত গুনগত ইট ছাড়াও নিম্নমানের ইট বাজারজাত করা হচ্ছে। অনাবাদি জমিতে ইটভাটা নির্মান না করে আবাদি ফসলি জমিতে ইটভাটা নির্মান ও মানুষের বসবাসরত আবাসস্থলের দুরত্ব বজায় না রেখে লোকালয়ে ইটভাটা নির্মানসহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ২৮ফেব্রুয়ারি বুধবার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের এইচ,এস,এ ইটভাটার মালিক তারিকুল ইসলামকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আমলসার ইউনিয়নের বদনপুর এম,আর,এস ফিক্সড চিমনি ইটভাটা, দ্বারিয়াপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের জিয়া ইটভাটা, মাগুরা সদর উপজেলার পূর্ব মীরপাড়ার হিরক লস্কার ইটভাটা ও রাঘবদাইড় ইউনিয়নের মালঞ্চি গ্রামের জিল্লুর রহমানের পুষ্প ইটভাটা ভেঙ্গে দেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, মাগুরা সদর ও শ্রীপুরে ৫টি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতি অর্থাৎ ড্রাম চিমনি ব্যবহারকৃত ৩টি ইটভাটা ও ১টি ফিক্সড চিমনিসহ মোট ৪টি ইটভাটা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে এবং ১টি ইটভাটাকে আংশিক ভেঙ্গে ৩’লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে এ অভিযান অব্যাহতভাবে চলমান থাকবে।

যশোর পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর (উপ-পরিচালক) নুর আলম বলেন, মাগুরা জেলায় যে সমস্ত অবৈধ ইটভাটা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতেই থাকবে।

যশোর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, এখানে ইটভাটার মৌসুমে অনেকগুলো ইটভাটা অবৈধভাবে চলছে। যাদেও বৈধ লাইসেন্স নেই, কাঠ পুড়াচ্ছে এবং সঠিক মাপে চিমনি ব্যবহার করছে না তাদের বিরূদ্ধে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতিপূর্বে চলতি বছরে ১১টি ইটভাটায় এবং অদ্যকার অভিযানে ৫টি ইটভাটার বিরুদ্ধে জরিমানাসহ সতর্কতামূলক বেশকিছু জরুরী ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

 

বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

মাগুরার ইটভাটায় অভিযান অবৈধ ইটভাটা ধ্বংশ ও মালিককে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দিনব্যাপী মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় যশোর পরিবেশ অধিদপ্তরের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান অভিযানে ৫টি অবৈধ ইটভাটা ধ্বংশ ও ইটভাটা মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাগুরা জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবেশবান্ধব সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ভাটা মালিকগণ তাদের ইচ্ছা মাফিক ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে। কয়লার পরিবর্তিতে ভাটায় পুড়ানো হচ্ছে কাঠখড়ি। সঠিক পরিমাপের চিমনির পরিবর্তে ভাটায় ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রাম চিমনি। তাছাড়া যত্রতত্র মাটিকেটে লক্ষমাত্রার অধীক ইট পুড়ায়ে বিক্রি করা হচ্ছে। মানসম্মত গুনগত ইট ছাড়াও নিম্নমানের ইট বাজারজাত করা হচ্ছে। অনাবাদি জমিতে ইটভাটা নির্মান না করে আবাদি ফসলি জমিতে ইটভাটা নির্মান ও মানুষের বসবাসরত আবাসস্থলের দুরত্ব বজায় না রেখে লোকালয়ে ইটভাটা নির্মানসহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ২৮ফেব্রুয়ারি বুধবার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের এইচ,এস,এ ইটভাটার মালিক তারিকুল ইসলামকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আমলসার ইউনিয়নের বদনপুর এম,আর,এস ফিক্সড চিমনি ইটভাটা, দ্বারিয়াপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের জিয়া ইটভাটা, মাগুরা সদর উপজেলার পূর্ব মীরপাড়ার হিরক লস্কার ইটভাটা ও রাঘবদাইড় ইউনিয়নের মালঞ্চি গ্রামের জিল্লুর রহমানের পুষ্প ইটভাটা ভেঙ্গে দেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, মাগুরা সদর ও শ্রীপুরে ৫টি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতি অর্থাৎ ড্রাম চিমনি ব্যবহারকৃত ৩টি ইটভাটা ও ১টি ফিক্সড চিমনিসহ মোট ৪টি ইটভাটা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে এবং ১টি ইটভাটাকে আংশিক ভেঙ্গে ৩’লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে এ অভিযান অব্যাহতভাবে চলমান থাকবে।

যশোর পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর (উপ-পরিচালক) নুর আলম বলেন, মাগুরা জেলায় যে সমস্ত অবৈধ ইটভাটা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতেই থাকবে।

যশোর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, এখানে ইটভাটার মৌসুমে অনেকগুলো ইটভাটা অবৈধভাবে চলছে। যাদেও বৈধ লাইসেন্স নেই, কাঠ পুড়াচ্ছে এবং সঠিক মাপে চিমনি ব্যবহার করছে না তাদের বিরূদ্ধে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতিপূর্বে চলতি বছরে ১১টি ইটভাটায় এবং অদ্যকার অভিযানে ৫টি ইটভাটার বিরুদ্ধে জরিমানাসহ সতর্কতামূলক বেশকিছু জরুরী ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

 

বাখ//আর