ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ভূমিধসের আশঙ্কা, সব বিভাগে ভারি বর্ষণের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪
  • / ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দেশের সব বিভাগে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মহাবিপদের বার্তা নিয়ে প্রবলবেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’। এরইমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় শুরু হয়েছে ঝড়ো বৃষ্টি।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, রোববার (২৬ মে) ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারি (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারি (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে। ভারি বর্ষণের প্রবণতা সোমবার (২৭ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। এদিকে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূমিধসের আশঙ্কা, সব বিভাগে ভারি বর্ষণের আভাস

আপডেট সময় : ০৫:৩১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দেশের সব বিভাগে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মহাবিপদের বার্তা নিয়ে প্রবলবেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’। এরইমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় শুরু হয়েছে ঝড়ো বৃষ্টি।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, রোববার (২৬ মে) ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারি (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারি (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে। ভারি বর্ষণের প্রবণতা সোমবার (২৭ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। এদিকে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।