ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ভূট্রার বাম্পার ফলন তাই কৃষকের মুখে হাঁসির ঝিলিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩
  • / ৫২৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

// লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি //

জামালপুর জেলার ইসলামপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলতি মৌসুমে ভূট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। অল্প সময়ে কম খরচে কৃষকেরা বেশ লাভবান হওয়ায় দিনে দিনে ভূট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে কৃষক। কম পুজি, ঝূঁকিহীন সেঁচ ও সার প্রয়েগের সুবিধা থাকায় কৃষকদের মাঝে ভূট্টা চাষের প্রতিযোগীতা ক্রমশঃ বাড়ছে। আবহওয়া অনুকুলে থাকায় চলতি মৌসুমে ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি, বেলগাছা, সাপধরী, পাথর্শী চিনাডুলী, পলবান্ধা, গাইবান্ধা, গোয়ালের চর, চর গোয়ালিনীসহ নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভূট্টা চাষে আশানুরুপ ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে দেখা দিয়েছে হাঁসির ঝিলিক।

এ সকল স্থানে উৎপাদিত ভূট্টা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যত্র সরবরাহ করা হয় বলে জানা গেছে।

কৃষকেরা জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় উন্নত জাতের ভূট্টা চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে তারা ভূমিকা রাখছেন। বর্তমানে ভূট্টা ফলন ঘরে তুলতে কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর ইসলামপুর উপজেলায় ১৮ হাজার ৫শ’ ৭৫ মেঃ টন ভুট্টা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে
১৭শ’ ২০ হেক্টর জমিতে ভূট্টার আবাদ করা হয়েছে। চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকেরা অতি সহজেই ভূট্টা চাষ করে অন্য ফসলের চেয়ে আর্থিকভাবে বেশি লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের কৃষক লিপন মিয়া জানান, মাত্র ৩/৪ মাসের মধ্যেই ভুট্টো ঘরে তুলতে পারি। ভূট্টোর আবাদে দু’একবারের বেশী পানি দিতে হয় না। এছাড়া একবিঘা জমিতে কম সার ও দশ থেকে বার হাজার ভূট্টার চারা রোপন করা যায়। ফলন ভালো তাই এবার দ্বিগুণ লাভের আশাবাদী।

একই ইউনিয়নের ভূট্টা চাষী মালেক মন্ডল জানান, অল্প দিনে ভূট্টো ঘরে তোলা যায়। ভূট্টা আবাদের পর পাট আবাদের চিন্তা করছি। এছাড়া উপজেলা কৃষি অফিস সবসময় খোঁজ খবর রাখে। প্রতিটি গাছে এক বা দুইটা করে মোচা ধরে। প্রতি কেজি ভূট্টা ত্রিশ টাকায় বিক্রি করা যায়। এতে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, অনেক এলাকায় ভূট্টা তুলতে কৃষাণ-কৃষাণী ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএলএম রেজোয়ান ‘বাংলা খবর বিডি’কে জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ভূট্টার ফলন অনেক ভালো হয়েছে। চলতি বছর এর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ভূট্টা চাষে কৃষকদের আরও যত্মবান করতে উপ-সহকারী কৃষি কমকর্তাগণ সব সময় পরামর্শ প্রদানসহ নানাভাবে সহযোগীতা করছেন । লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হওয়ায় এবার ভুট্টা চাষিরা বেশ লাভবান হবেন।

বা/খ: এসআর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূট্রার বাম্পার ফলন তাই কৃষকের মুখে হাঁসির ঝিলিক

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

// লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি //

জামালপুর জেলার ইসলামপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলতি মৌসুমে ভূট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। অল্প সময়ে কম খরচে কৃষকেরা বেশ লাভবান হওয়ায় দিনে দিনে ভূট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে কৃষক। কম পুজি, ঝূঁকিহীন সেঁচ ও সার প্রয়েগের সুবিধা থাকায় কৃষকদের মাঝে ভূট্টা চাষের প্রতিযোগীতা ক্রমশঃ বাড়ছে। আবহওয়া অনুকুলে থাকায় চলতি মৌসুমে ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি, বেলগাছা, সাপধরী, পাথর্শী চিনাডুলী, পলবান্ধা, গাইবান্ধা, গোয়ালের চর, চর গোয়ালিনীসহ নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভূট্টা চাষে আশানুরুপ ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে দেখা দিয়েছে হাঁসির ঝিলিক।

এ সকল স্থানে উৎপাদিত ভূট্টা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যত্র সরবরাহ করা হয় বলে জানা গেছে।

কৃষকেরা জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় উন্নত জাতের ভূট্টা চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে তারা ভূমিকা রাখছেন। বর্তমানে ভূট্টা ফলন ঘরে তুলতে কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর ইসলামপুর উপজেলায় ১৮ হাজার ৫শ’ ৭৫ মেঃ টন ভুট্টা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে
১৭শ’ ২০ হেক্টর জমিতে ভূট্টার আবাদ করা হয়েছে। চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকেরা অতি সহজেই ভূট্টা চাষ করে অন্য ফসলের চেয়ে আর্থিকভাবে বেশি লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের কৃষক লিপন মিয়া জানান, মাত্র ৩/৪ মাসের মধ্যেই ভুট্টো ঘরে তুলতে পারি। ভূট্টোর আবাদে দু’একবারের বেশী পানি দিতে হয় না। এছাড়া একবিঘা জমিতে কম সার ও দশ থেকে বার হাজার ভূট্টার চারা রোপন করা যায়। ফলন ভালো তাই এবার দ্বিগুণ লাভের আশাবাদী।

একই ইউনিয়নের ভূট্টা চাষী মালেক মন্ডল জানান, অল্প দিনে ভূট্টো ঘরে তোলা যায়। ভূট্টা আবাদের পর পাট আবাদের চিন্তা করছি। এছাড়া উপজেলা কৃষি অফিস সবসময় খোঁজ খবর রাখে। প্রতিটি গাছে এক বা দুইটা করে মোচা ধরে। প্রতি কেজি ভূট্টা ত্রিশ টাকায় বিক্রি করা যায়। এতে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, অনেক এলাকায় ভূট্টা তুলতে কৃষাণ-কৃষাণী ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএলএম রেজোয়ান ‘বাংলা খবর বিডি’কে জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ভূট্টার ফলন অনেক ভালো হয়েছে। চলতি বছর এর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ভূট্টা চাষে কৃষকদের আরও যত্মবান করতে উপ-সহকারী কৃষি কমকর্তাগণ সব সময় পরামর্শ প্রদানসহ নানাভাবে সহযোগীতা করছেন । লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হওয়ায় এবার ভুট্টা চাষিরা বেশ লাভবান হবেন।

বা/খ: এসআর।