ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ভাতার টাকা না পাইলে কেমনে ঈদ করমো বাহে

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আসন্ন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রায় শতাধিক বয়স্ক ও বিধবা ভাতা ভোগী। স্ব-স্ব মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৩ মাসের স্থলে ১ মাসের ভাতা পাওয়া এবং ভাতার টাকা না পাওয়ায় সমাজ সেবা দপ্তরের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকতে দেখা গেছে ভূক্তভোগী কিছু সিনিয়র সিটিজেনকে। কর্মকর্তার অবহেলায় ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে তাদের অভিযোগ।
জানা গেছে, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধি, প্রতিবন্ধি শিক্ষা ও হরিজন মিলে প্রায় ১৬ হাজার ভাতাভোগী নিয়মিত ভাতা পেয়ে আসছেন। বয়স্ক ভাতা মাসিক ৬০০ টাকা, বিধবা ভাতা মাসিক ৫৫০ টাকা ও প্রতিবন্ধি ভাতা মাসিক ৮৫০ টাকা হারে প্রতি তিন মাস অন্তর সুবিধাভোগীদের নিজ নামিয় বিকাশ নাম্বারে প্রদান করা হয় এসব টাকা।
নিয়মানুযায়ী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার ত্রয়মাসিক ভিত্তিতে সমাজ সেবা অধিদপ্তরে সুবিধাভোগীদের পে-রোল প্রেরণ করেন। সেখান থেকে অর্থমন্ত্রনালয় হয়ে বিকাশ, তার পর সুবিধাভোগীদের স্ব-স্ব বিকাশ নাম্বারে ভাতার টাকা চলে যায়। অধিদপ্তর থেকে জানুয়ারী-মার্চ ২০২৪ তিন মাসের ভাতার টাকা টাকা ছাড় করা হলেও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নাজমুল হাসানের অবহেলায় অনেকে ১ মাসের টাকা পাওয়া এবং অনেকের হিসাবে ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আওতায় সুবিধাভোগী বয়স্ক ও বিধবা ভাতাভোগী শতাধিক সিটিজেন ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন। রোববার দুপুরে অনেক সুবিধাভোগীকে সমাজ সেবা দপ্তরের সামনে গাছ তলায় বসে থাকতে দেখা গেছে। এসময় দুর্গম চরাঞ্চল উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ডাটিয়ারচর এলাকার ভাতাভোগী রুপভান বেওয়া, মিলিকজান বেওয়া, আনোয়ারা, রোকেয়া,পারুলসহ অনেকে জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ভাতা পাচ্ছেন না।
মোজাম্মেল হকসহ কয়েকজন জানান, তারা ৩ মাসের ১ হাজার ৮০০ টাকা পাওয়ার কথা কিন্ত পেয়েছেন ১ মাসের ৬০০ টাকা। তাদের অভিযোগ, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা যোগদান করার পর থেকে ভাতার টাকা প্রদানে বিভিন্ন অনিয়ম হচ্ছে। দীর্ঘ সময় দপ্তরের সামনে থেকে কর্মকর্তার সাক্ষাত না পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের স্বরনাপন্ন হন ওই সিনিয়রা। পরে কর্মকর্তার সাথে কথা বলে সিটিজেনদের বিদায় করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার (অ.দা.) মো. নাজমুল হাসান বলেন, কই ভাই টাকা পায়নি সবাই টাকা পেয়েছে। যারা পায়নি তাদের কে আমার কাছে পাঠায় দেন। তাছাড়া সবার টাকাতো এক সঙ্গে আসবে না। পর্যায়ক্রমে সবাই টাকা পাবেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, আসলে আমি জরুরী মিটিংয়ে ব্যাস্ত ছিলাম, বিষয়টি আমার জানাছিলো না। তবে এ বিষয়ে সমাজসেবা অফিসারের সাথে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

ভাতার টাকা না পাইলে কেমনে ঈদ করমো বাহে

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আসন্ন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রায় শতাধিক বয়স্ক ও বিধবা ভাতা ভোগী। স্ব-স্ব মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৩ মাসের স্থলে ১ মাসের ভাতা পাওয়া এবং ভাতার টাকা না পাওয়ায় সমাজ সেবা দপ্তরের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকতে দেখা গেছে ভূক্তভোগী কিছু সিনিয়র সিটিজেনকে। কর্মকর্তার অবহেলায় ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে তাদের অভিযোগ।
জানা গেছে, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধি, প্রতিবন্ধি শিক্ষা ও হরিজন মিলে প্রায় ১৬ হাজার ভাতাভোগী নিয়মিত ভাতা পেয়ে আসছেন। বয়স্ক ভাতা মাসিক ৬০০ টাকা, বিধবা ভাতা মাসিক ৫৫০ টাকা ও প্রতিবন্ধি ভাতা মাসিক ৮৫০ টাকা হারে প্রতি তিন মাস অন্তর সুবিধাভোগীদের নিজ নামিয় বিকাশ নাম্বারে প্রদান করা হয় এসব টাকা।
নিয়মানুযায়ী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার ত্রয়মাসিক ভিত্তিতে সমাজ সেবা অধিদপ্তরে সুবিধাভোগীদের পে-রোল প্রেরণ করেন। সেখান থেকে অর্থমন্ত্রনালয় হয়ে বিকাশ, তার পর সুবিধাভোগীদের স্ব-স্ব বিকাশ নাম্বারে ভাতার টাকা চলে যায়। অধিদপ্তর থেকে জানুয়ারী-মার্চ ২০২৪ তিন মাসের ভাতার টাকা টাকা ছাড় করা হলেও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নাজমুল হাসানের অবহেলায় অনেকে ১ মাসের টাকা পাওয়া এবং অনেকের হিসাবে ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আওতায় সুবিধাভোগী বয়স্ক ও বিধবা ভাতাভোগী শতাধিক সিটিজেন ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন। রোববার দুপুরে অনেক সুবিধাভোগীকে সমাজ সেবা দপ্তরের সামনে গাছ তলায় বসে থাকতে দেখা গেছে। এসময় দুর্গম চরাঞ্চল উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের ডাটিয়ারচর এলাকার ভাতাভোগী রুপভান বেওয়া, মিলিকজান বেওয়া, আনোয়ারা, রোকেয়া,পারুলসহ অনেকে জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে ভাতা পাচ্ছেন না।
মোজাম্মেল হকসহ কয়েকজন জানান, তারা ৩ মাসের ১ হাজার ৮০০ টাকা পাওয়ার কথা কিন্ত পেয়েছেন ১ মাসের ৬০০ টাকা। তাদের অভিযোগ, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা যোগদান করার পর থেকে ভাতার টাকা প্রদানে বিভিন্ন অনিয়ম হচ্ছে। দীর্ঘ সময় দপ্তরের সামনে থেকে কর্মকর্তার সাক্ষাত না পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের স্বরনাপন্ন হন ওই সিনিয়রা। পরে কর্মকর্তার সাথে কথা বলে সিটিজেনদের বিদায় করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার (অ.দা.) মো. নাজমুল হাসান বলেন, কই ভাই টাকা পায়নি সবাই টাকা পেয়েছে। যারা পায়নি তাদের কে আমার কাছে পাঠায় দেন। তাছাড়া সবার টাকাতো এক সঙ্গে আসবে না। পর্যায়ক্রমে সবাই টাকা পাবেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, আসলে আমি জরুরী মিটিংয়ে ব্যাস্ত ছিলাম, বিষয়টি আমার জানাছিলো না। তবে এ বিষয়ে সমাজসেবা অফিসারের সাথে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
বাখ//আর