ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ভয় থেকেই সরকার ইঞ্জিনিয়ার ইশরাককে কারাগারে নিয়েছে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪
  • / ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয় থেকেই সরকার ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির আন্তর্জাতিক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগরের সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, আন্দোলন সংগ্রাম, আমাদের মিছিলের মাধ্যমে মহাপ্লাবণ তৈরি করতে পারবো। সেই প্লাবণে এই সরকারকে হটিয়ে দিবো। চুরি-সন্ত্রাসী ও যারা মানুষ খুন করে এরা কোনো না কোনোভাবে সরকারের লোক। সামাজিক অনাচারে জড়িতরাও ক্ষমতাসীনদের লোক। বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া টাকা ফিলিপাইনের জুয়ার টেবিলে উড়ছে-সরকার সেগুলো ধরতে পারে না। কিন্তু ইশরাকের মতো একজন প্রতিশ্রুতিশীল ইঞ্জিনিয়ার তরুণদের মূখপাত্রে পরিনত হয়েছে তাকে ধরে নিয়ে গেছে। সাগড় রুনির তদন্ত ১০৯ বার পরিবর্তন করা হয়েছে। তার ফাইনাল রিপোর্ট এখনো দিতে পারে নাই। কিন্তু ইশরাকদেরকে আজ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কারণ ভয় থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদের কারাগারে নিচ্ছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, গোটা বাংলাদেশ এখন কাঁটাতারের বেড়ায় আটকে আছে। বাংলাদেশ এখন উম্মুক্ত নয়। উম্মুক্ত কারাগার পরিণত হয়েছে। যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে চায়, বাকস্বাধীনতার ফেরাতে চায় তাদের জায়গা হচ্ছে কারাগারে।

মিছিলের আওয়াজ শুনলেই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করায় জানিয়ে রিজভী বলেন, আতঙ্ক থেকেই সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আবু আসফাকসহ নেতাকর্মীদের কারাগারে বন্দী করে রেখেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মহানগরের আহবায়ক আব্দুস সালাম, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মহানগরের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোঃ মোহন, আব্দুস সাত্তার, মনির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সাব্বির আহমেদ আরিফ, সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) সাইদুর রহমান মিন্টু, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান দুলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পাভেল সিকদার, বিএনপি নেতা ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, যুবদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহবুব মাসুম শান্ত, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি তারেকুজ্জামান তারেক, ওমর ফারুক কাওসার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা.তৌহিদুর রহমান আউয়াল, যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলী আশরাফ, বিএনপি নেতা শাহ আলম বেপারী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের সভাপতি সুমন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম সবুজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, ঢাকা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সজীব রায়হান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রহিম ভূঁইয়া, কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ফাহিম আহমেদ, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক শাহ পরান, ছাত্রদল নেতা মুফতিজুল কবির কিরণ, সম্রাট আহমেদ-সহ নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভয় থেকেই সরকার ইঞ্জিনিয়ার ইশরাককে কারাগারে নিয়েছে: রিজভী

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

ভয় থেকেই সরকার ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির আন্তর্জাতিক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগরের সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী আহমেদ বলেন, আন্দোলন সংগ্রাম, আমাদের মিছিলের মাধ্যমে মহাপ্লাবণ তৈরি করতে পারবো। সেই প্লাবণে এই সরকারকে হটিয়ে দিবো। চুরি-সন্ত্রাসী ও যারা মানুষ খুন করে এরা কোনো না কোনোভাবে সরকারের লোক। সামাজিক অনাচারে জড়িতরাও ক্ষমতাসীনদের লোক। বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া টাকা ফিলিপাইনের জুয়ার টেবিলে উড়ছে-সরকার সেগুলো ধরতে পারে না। কিন্তু ইশরাকের মতো একজন প্রতিশ্রুতিশীল ইঞ্জিনিয়ার তরুণদের মূখপাত্রে পরিনত হয়েছে তাকে ধরে নিয়ে গেছে। সাগড় রুনির তদন্ত ১০৯ বার পরিবর্তন করা হয়েছে। তার ফাইনাল রিপোর্ট এখনো দিতে পারে নাই। কিন্তু ইশরাকদেরকে আজ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কারণ ভয় থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদের কারাগারে নিচ্ছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, গোটা বাংলাদেশ এখন কাঁটাতারের বেড়ায় আটকে আছে। বাংলাদেশ এখন উম্মুক্ত নয়। উম্মুক্ত কারাগার পরিণত হয়েছে। যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে চায়, বাকস্বাধীনতার ফেরাতে চায় তাদের জায়গা হচ্ছে কারাগারে।

মিছিলের আওয়াজ শুনলেই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করায় জানিয়ে রিজভী বলেন, আতঙ্ক থেকেই সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আবু আসফাকসহ নেতাকর্মীদের কারাগারে বন্দী করে রেখেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মহানগরের আহবায়ক আব্দুস সালাম, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মহানগরের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোঃ মোহন, আব্দুস সাত্তার, মনির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সাব্বির আহমেদ আরিফ, সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) সাইদুর রহমান মিন্টু, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান দুলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পাভেল সিকদার, বিএনপি নেতা ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, যুবদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহবুব মাসুম শান্ত, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি তারেকুজ্জামান তারেক, ওমর ফারুক কাওসার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা.তৌহিদুর রহমান আউয়াল, যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলী আশরাফ, বিএনপি নেতা শাহ আলম বেপারী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের সভাপতি সুমন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম সবুজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, ঢাকা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সজীব রায়হান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রহিম ভূঁইয়া, কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ফাহিম আহমেদ, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক শাহ পরান, ছাত্রদল নেতা মুফতিজুল কবির কিরণ, সম্রাট আহমেদ-সহ নেতৃবৃন্দ।