ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বেশি ঘাটাবেন না, বেশি ঘাটালে কেঁচো বেরিয়ে যাবে : ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪০৫ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ওবায়দুল কাদের বলেন আমি নাকি দুবাইয়ের টাকা পাই, টাকার ওপর ঘুমাই। অযথা বেশি ঘাটাবেন না, বেশি ঘাটালে কেঁচো বেরিয়ে যাবে। আমরা পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে রাজনীতি করি। আমাদের নেতাকর্মীরা নিজের টাকায় চাঁদা দিয়ে সমাবেশ করছে। আর আপনারা (আওয়ামী লীগ) কী করেন এটা সবাই জানে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপির অঙ্গ দলগুলোর সঙ্গে যোথ সভা করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, দিস ইজ ভেরি আনফরচুনেট। ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না। সামাল দিতে পারবেন না। কার কয়টা বাড়ি, কার কত টাকা আছে, সবাই জানে। এত টাকা কোথা থেকে আসে? আমি ব্যক্তিগত আক্রমণে যেতে চাই না। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।

গত ১৫ বছরে অর্থনীতিকে ভাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে দুর্ভিক্ষে পরিণত হয়েছে, এটা আমার কথা নয় প্রধানমন্ত্রীর কথা।

ফখরুল আরও বলেন, রাজনীতির অধিকারের কোনো স্পেস নেই। সব নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। জাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, নির্বাচনকালীন ৯০ দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে। এটাকে বাতিল করেছে আওয়ামী লীগ। এখন তারা বলে বেড়ান, এটা তারা বাতিল করেননি, আদালত করেছেন।

তিনি বলেন, টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ জনগণকে বোকা বানাতে চায়। উন্নয়নের গল্প শোনায়। এত উন্নয়ন করেছেন, তাহলে ভয় পান কেন? কারণ আপনারা ভালো করেই জানেন যে দুর্নীতি করেছেন, তাতে ভোটের মাধ্যমে কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।

গায়েবি মামলায় আওয়ামী লীগকে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি নেতা সরাফত আলী সপু, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সুলতানা রহমান, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক মুনায়েম মুন্না প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বেশি ঘাটাবেন না, বেশি ঘাটালে কেঁচো বেরিয়ে যাবে : ফখরুল

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ওবায়দুল কাদের বলেন আমি নাকি দুবাইয়ের টাকা পাই, টাকার ওপর ঘুমাই। অযথা বেশি ঘাটাবেন না, বেশি ঘাটালে কেঁচো বেরিয়ে যাবে। আমরা পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে রাজনীতি করি। আমাদের নেতাকর্মীরা নিজের টাকায় চাঁদা দিয়ে সমাবেশ করছে। আর আপনারা (আওয়ামী লীগ) কী করেন এটা সবাই জানে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপির অঙ্গ দলগুলোর সঙ্গে যোথ সভা করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, দিস ইজ ভেরি আনফরচুনেট। ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না। সামাল দিতে পারবেন না। কার কয়টা বাড়ি, কার কত টাকা আছে, সবাই জানে। এত টাকা কোথা থেকে আসে? আমি ব্যক্তিগত আক্রমণে যেতে চাই না। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।

গত ১৫ বছরে অর্থনীতিকে ভাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে দুর্ভিক্ষে পরিণত হয়েছে, এটা আমার কথা নয় প্রধানমন্ত্রীর কথা।

ফখরুল আরও বলেন, রাজনীতির অধিকারের কোনো স্পেস নেই। সব নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। জাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, নির্বাচনকালীন ৯০ দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে। এটাকে বাতিল করেছে আওয়ামী লীগ। এখন তারা বলে বেড়ান, এটা তারা বাতিল করেননি, আদালত করেছেন।

তিনি বলেন, টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ জনগণকে বোকা বানাতে চায়। উন্নয়নের গল্প শোনায়। এত উন্নয়ন করেছেন, তাহলে ভয় পান কেন? কারণ আপনারা ভালো করেই জানেন যে দুর্নীতি করেছেন, তাতে ভোটের মাধ্যমে কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন না।

গায়েবি মামলায় আওয়ামী লীগকে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি নেতা সরাফত আলী সপু, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সুলতানা রহমান, আমিনুল হক, রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক মুনায়েম মুন্না প্রমুখ।