ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বেলকুচিতে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট 

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৯৫০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পত্রে জানা যায়, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পেস্তক গ্রামে বাগান বাড়ি মাঠে ৪ জানুয়ারী রবিবার বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে হারদার আলী শেখের নাতি সুমন (১৮)সহ তার বন্ধুদের সাথে খেলতে গেলে একই গ্রামের লিটন ও ফজল হকের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সুমনকে দুইজন মিলে বেধম মারপিট করে।
এ নিয়ে এলকার মাতব্বরা সুষ্ঠু মিমাংসা করতে চাইলে ইয়াহিয়া, সুফিয়ান, লিটন, মিমাংসায় একমত না হয়ে, পরের দিন সোমবার আবারও হায়দার আলীর ভাতিজা সৌরভ ও তার বন্ধু আলিফ এসএসসি পরীক্ষার বিদায় আনুস্ঠানে দৌলতপুর উচ্চবিদ্যালয়ে গেলে জেলহক আলীর ছেলে লিটন তার দলবল নিয়ে সাইকেলের চেইন ও লোহার রড  দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।
ঐ দিন দুপুর আনুমান দেড়টার দিকে সুফিয়ানসহ প্রায়  এক থেকে দেড়শত লোক নিয়ে দা, লোহার হাতুড়ি, লোহার রড দেশিয় অস্ত্র দিয়ে অভিযোগকারী (হায়দার আলী) আমার টিনের বসত বাড়ির গেইট ঘরের বেড়া কুপিয়ে কেটে ঘরে ডুকে স্টিলের ট্রাংক এর তালা ভেঙ্গে নগদ ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, ৮ আনা স্বর্ণের চেইনসহ একটি এলইডি টিভি নিয়ে যায় আমার স্ত্রী বাধা দিলে তার ডান হাতের কব্জির উপরে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে চলে যায়।
এ বিষয়ে ৫ জানুয়ারী সোমবার রাতে হায়দার আলী শেখ বাদী হয়ে ২০ জনের নামে বেলকুচি থানায় একটি অভিযোগ  দাখিল করেন। তারা হলেন, পেস্তক গ্রামের জেলহক আলীর ছেলে ইয়াহিয়া, সুফিয়ান, লিটন,ফারুক, কতুবউদ্দিন, আয়নালের ছেলে, বরিউল, হিরন, সামাদের ছেলে, শহিদুল, মোতালেব, ফজলের ছেলে ফারুক, মাতা মর্জিনার ছেলে, মজনু, মোস্তাক, মৃত বিশার ছেলে আব্দুস সামাদ ( ৬৫) ফজল হক (৫৫) আলমের ছেলে রহিত, আফজালের ছেলে, শরিফ।
এলাকাবাসী ধারণা, হায়দার আলীর বাড়িতে হামলা এটা আসলে রাজনৈতিক কারণে হয়েছে, হায়দার আলীর ছেলে আবু তাহের গত সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন করেছে, আর ইয়াহিয়া নৌকার নির্বাচন করেছে, তখন থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল, আর নৌকা বিজয়ী হওয়ার পর  হয়তো ইয়াহিয়া পুর্বের ঝগড়ার জেরে আবু তাহের এর পিতা হায়দার আলীর বাড়ি ভাংচুর লুটপাট করেছে এবং তারা আরও বলেন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের পরে অতি মাত্রায় ইয়াহিয়া ও তার ভাইদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে।
এদিকে ইয়াহিয়া বলেন, ওরা আমাদের লোকজনকে আগে মেরেছে, তবু আমি সুষ্ঠু মিমাংসা করতে চেয়েছিলাম তারা না মেনে আমাকেও মারধর করেছে এবং তারা নিজেরাই তাদের বাড়ি ভেঙ্গে আমাদের দোষ দিচ্ছে, এ সব মিথ্যা ভিত্তীহিন বলে মনে করি।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, দৌলতপুর মারামারি ঘটেছিল পুলিশ পাঠিয়েছিলাম, রাতে একটা অভিযোগ দিয়েছে সেটি সংশোধন করে আনতে বলেছিলাম, তবে আজ শুনতে পেলাম তারা উভয় পক্ষ মিমাংসায় বসেছে।
বাখ//আর

নিউজটি শেয়ার করুন

বেলকুচিতে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট 

আপডেট সময় : ০১:৪০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পত্রে জানা যায়, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পেস্তক গ্রামে বাগান বাড়ি মাঠে ৪ জানুয়ারী রবিবার বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে হারদার আলী শেখের নাতি সুমন (১৮)সহ তার বন্ধুদের সাথে খেলতে গেলে একই গ্রামের লিটন ও ফজল হকের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সুমনকে দুইজন মিলে বেধম মারপিট করে।
এ নিয়ে এলকার মাতব্বরা সুষ্ঠু মিমাংসা করতে চাইলে ইয়াহিয়া, সুফিয়ান, লিটন, মিমাংসায় একমত না হয়ে, পরের দিন সোমবার আবারও হায়দার আলীর ভাতিজা সৌরভ ও তার বন্ধু আলিফ এসএসসি পরীক্ষার বিদায় আনুস্ঠানে দৌলতপুর উচ্চবিদ্যালয়ে গেলে জেলহক আলীর ছেলে লিটন তার দলবল নিয়ে সাইকেলের চেইন ও লোহার রড  দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।
ঐ দিন দুপুর আনুমান দেড়টার দিকে সুফিয়ানসহ প্রায়  এক থেকে দেড়শত লোক নিয়ে দা, লোহার হাতুড়ি, লোহার রড দেশিয় অস্ত্র দিয়ে অভিযোগকারী (হায়দার আলী) আমার টিনের বসত বাড়ির গেইট ঘরের বেড়া কুপিয়ে কেটে ঘরে ডুকে স্টিলের ট্রাংক এর তালা ভেঙ্গে নগদ ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, ৮ আনা স্বর্ণের চেইনসহ একটি এলইডি টিভি নিয়ে যায় আমার স্ত্রী বাধা দিলে তার ডান হাতের কব্জির উপরে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে চলে যায়।
এ বিষয়ে ৫ জানুয়ারী সোমবার রাতে হায়দার আলী শেখ বাদী হয়ে ২০ জনের নামে বেলকুচি থানায় একটি অভিযোগ  দাখিল করেন। তারা হলেন, পেস্তক গ্রামের জেলহক আলীর ছেলে ইয়াহিয়া, সুফিয়ান, লিটন,ফারুক, কতুবউদ্দিন, আয়নালের ছেলে, বরিউল, হিরন, সামাদের ছেলে, শহিদুল, মোতালেব, ফজলের ছেলে ফারুক, মাতা মর্জিনার ছেলে, মজনু, মোস্তাক, মৃত বিশার ছেলে আব্দুস সামাদ ( ৬৫) ফজল হক (৫৫) আলমের ছেলে রহিত, আফজালের ছেলে, শরিফ।
এলাকাবাসী ধারণা, হায়দার আলীর বাড়িতে হামলা এটা আসলে রাজনৈতিক কারণে হয়েছে, হায়দার আলীর ছেলে আবু তাহের গত সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন করেছে, আর ইয়াহিয়া নৌকার নির্বাচন করেছে, তখন থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল, আর নৌকা বিজয়ী হওয়ার পর  হয়তো ইয়াহিয়া পুর্বের ঝগড়ার জেরে আবু তাহের এর পিতা হায়দার আলীর বাড়ি ভাংচুর লুটপাট করেছে এবং তারা আরও বলেন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের পরে অতি মাত্রায় ইয়াহিয়া ও তার ভাইদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে।
এদিকে ইয়াহিয়া বলেন, ওরা আমাদের লোকজনকে আগে মেরেছে, তবু আমি সুষ্ঠু মিমাংসা করতে চেয়েছিলাম তারা না মেনে আমাকেও মারধর করেছে এবং তারা নিজেরাই তাদের বাড়ি ভেঙ্গে আমাদের দোষ দিচ্ছে, এ সব মিথ্যা ভিত্তীহিন বলে মনে করি।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, দৌলতপুর মারামারি ঘটেছিল পুলিশ পাঠিয়েছিলাম, রাতে একটা অভিযোগ দিয়েছে সেটি সংশোধন করে আনতে বলেছিলাম, তবে আজ শুনতে পেলাম তারা উভয় পক্ষ মিমাংসায় বসেছে।
বাখ//আর