ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বেইলি রোডে আগুনে হারিয়ে গেল যেসব প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪
  • / ৫১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল ১০টা পর্যন্ত ৩৫টি মরদেহগুলো তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। নিহত ৪৬ জনের মধ্যে ৩৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ভোরের দিকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার মোস্তফা আব্দুল্লাহ আল-নূর জানান, এ পর্যন্ত নিহত ৪৬ জনের মধ্যে ৩৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি জানান, ৩৫ জনের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। চেহারা, জামাকাপড় দেখে স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে। এ সংখ্যা বাড়বে।

তিনি আরও জানান, শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে পাঁচজনের চেহারা বোঝা যাচ্ছে। একটি মরদেহ পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া এটি হস্তান্তর করা সম্ভব হবে না।

বৃহস্পতিবার রাতে লাগা ভয়াবহ এ আগুনে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪৬। ফায়ার সার্ভিসের ১৩ ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুড়ে গেছে বাণিজ্যিক ভবনটি। ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা।

নিহতদের মধ্যে আছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাতী শাখার শিক্ষক লুৎফুন নাহার লাকি ও তাঁর মেয়ে নিকিতা। বৃহস্পতিবার রাতেই স্ত্রী ও মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন গোলাম মহিউদ্দিন।

এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন ভবনটি দ্বিতীয় তলার রেস্টুরেন্ট ‘কাচ্চি ভাই’ এর ক্যাশিয়ার কামরুল হাসান রকি ও ওয়েটার জাহিদুর রহমান।

রেস্টুরেন্টটির কর্মী আলতাফ বলেন, ‘আগুন লাগার পর ওই রেস্টুরেন্টে থাকা সবাইকে দ্রুত বের হতে সাহায্য করেন ক্যাশিয়ার কামরুল ও এক ওয়েটার জাহিদুর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা নিজেরাই আর বের হতে পারেন নি। আগুন লাগার পর আমি রান্নাঘরে যাই এবং একটি জানালা ভেঙে লাফ দিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাই।’

ভয়াবহ আগুনে পুড়ে মারা গেছেন বেসরকারি আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তা মেহরান কবির দোলা এবং তাঁর ছোট বোন মাইশা কবির মাহি।

দোলার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তাঁর স্বজন হাসান বাপ্পি বলেন, ‘যতদূর জানি বোনকে নিয়ে ভবনটির কোনো একটি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন দোলা আপু। সেখানে আগুন লাগলে আটকা পড়ে তারা দুজনই মারা যান।’

বাপ্পি জানান, দোলা স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে ব্যাংকের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। দোলার বোন মাহি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে।

কাচ্চি খেতে গিয়ে ২ সন্তানসহ পুড়ে মারা গেছেন পপি রাণী দাশ নামে এক নারী। তাঁর মা বাসনা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বইমেলা থেকে ফেরার সময় দুই সন্তানসহ রেস্টুরেন্টে খেতে যান তারা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গ থেকে নিকট আত্মীয় অয়ন রায় নিহত মা রুবি রায় এবং মেয়ে প্রিয়াঙ্কা রায়ের মরদেহ গ্রহণ করেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

অয়ন রায় বলেন, আমার মামী রুবি রায় এবং মামাতো বোন প্রিয়াঙ্কা রায় মালিবাগ থেকে এসেছিলেন বেইলি রোড। রাতের খাবার শেষে আবার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটি আর হয়নি। আগুনের ঘটনায় ধোঁয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। পরে সকালে আমরা মরদেহ শনাক্ত করেছি। এরপর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে ২জনের মরদেহ নিয়েছি।

বেইলি রোডের ভয়াবহ এ আগুনে নিভে গেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী নাহিয়ান আমিন ও লামিশা ইসলামের আলো।

এ ঘটনায় আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া যুবক জুয়েল (৩০) শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহতের স্বজন মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন বলেন, কাউসার দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে থাকতেন। এক মাস আগে দেশে এসেছিলেন পরিবারকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। সপ্তাহ খানেক পরেই ওনাদের ইতালি চলে যাওয়ার কথা। এর আগে সপরিবারে এসেছিলেন রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করতে। তিনদিন আগেই পরিবারের ভিসা মিলেছে। সেই উপলক্ষ্যে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খেয়ে-দেয়ে একটু আনন্দ করতে এসেছিলেন।

শাহীন বলেন, রাত ৮টার দিকে সৈয়দ মোবারক তার স্ত্রী স্বপ্না (৩৮), মেয়ে সৈয়দা তাশফিয়া (১৭), সৈয়দা নূর (১৫) ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহকে নিয়ে বাসা থেকে বের হন কাচ্চি ভাইতে খাওয়ার জন্য। তারা সেখানে পৌঁছানোর পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তারা সবাই মারা যান।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় ভবনটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। ৯টা ৫৬ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ শুরু করে। একে একে যোগ দেয় ১৩টি ইউনিট।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পান তারা। মূহুর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে।

প্রথম দুই ঘণ্টা কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাত ১২টার পর থেকে আহত ব্যক্তিদের ভবন থেকে বের করে আনা হয়।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, পুরো ভবনে অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। এমনকি সিঁড়িতেও মজুত ছিল সিলিন্ডার। ফলে ভবনটিতে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেইলি রোডে আগুনে হারিয়ে গেল যেসব প্রাণ

আপডেট সময় : ০১:০৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল ১০টা পর্যন্ত ৩৫টি মরদেহগুলো তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। নিহত ৪৬ জনের মধ্যে ৩৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ভোরের দিকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার মোস্তফা আব্দুল্লাহ আল-নূর জানান, এ পর্যন্ত নিহত ৪৬ জনের মধ্যে ৩৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি জানান, ৩৫ জনের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। চেহারা, জামাকাপড় দেখে স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে। এ সংখ্যা বাড়বে।

তিনি আরও জানান, শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে পাঁচজনের চেহারা বোঝা যাচ্ছে। একটি মরদেহ পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া এটি হস্তান্তর করা সম্ভব হবে না।

বৃহস্পতিবার রাতে লাগা ভয়াবহ এ আগুনে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪৬। ফায়ার সার্ভিসের ১৩ ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুড়ে গেছে বাণিজ্যিক ভবনটি। ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা।

নিহতদের মধ্যে আছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাতী শাখার শিক্ষক লুৎফুন নাহার লাকি ও তাঁর মেয়ে নিকিতা। বৃহস্পতিবার রাতেই স্ত্রী ও মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন গোলাম মহিউদ্দিন।

এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন ভবনটি দ্বিতীয় তলার রেস্টুরেন্ট ‘কাচ্চি ভাই’ এর ক্যাশিয়ার কামরুল হাসান রকি ও ওয়েটার জাহিদুর রহমান।

রেস্টুরেন্টটির কর্মী আলতাফ বলেন, ‘আগুন লাগার পর ওই রেস্টুরেন্টে থাকা সবাইকে দ্রুত বের হতে সাহায্য করেন ক্যাশিয়ার কামরুল ও এক ওয়েটার জাহিদুর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা নিজেরাই আর বের হতে পারেন নি। আগুন লাগার পর আমি রান্নাঘরে যাই এবং একটি জানালা ভেঙে লাফ দিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাই।’

ভয়াবহ আগুনে পুড়ে মারা গেছেন বেসরকারি আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তা মেহরান কবির দোলা এবং তাঁর ছোট বোন মাইশা কবির মাহি।

দোলার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তাঁর স্বজন হাসান বাপ্পি বলেন, ‘যতদূর জানি বোনকে নিয়ে ভবনটির কোনো একটি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন দোলা আপু। সেখানে আগুন লাগলে আটকা পড়ে তারা দুজনই মারা যান।’

বাপ্পি জানান, দোলা স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে ব্যাংকের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। দোলার বোন মাহি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে।

কাচ্চি খেতে গিয়ে ২ সন্তানসহ পুড়ে মারা গেছেন পপি রাণী দাশ নামে এক নারী। তাঁর মা বাসনা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বইমেলা থেকে ফেরার সময় দুই সন্তানসহ রেস্টুরেন্টে খেতে যান তারা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গ থেকে নিকট আত্মীয় অয়ন রায় নিহত মা রুবি রায় এবং মেয়ে প্রিয়াঙ্কা রায়ের মরদেহ গ্রহণ করেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

অয়ন রায় বলেন, আমার মামী রুবি রায় এবং মামাতো বোন প্রিয়াঙ্কা রায় মালিবাগ থেকে এসেছিলেন বেইলি রোড। রাতের খাবার শেষে আবার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটি আর হয়নি। আগুনের ঘটনায় ধোঁয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। পরে সকালে আমরা মরদেহ শনাক্ত করেছি। এরপর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে ২জনের মরদেহ নিয়েছি।

বেইলি রোডের ভয়াবহ এ আগুনে নিভে গেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী নাহিয়ান আমিন ও লামিশা ইসলামের আলো।

এ ঘটনায় আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া যুবক জুয়েল (৩০) শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহতের স্বজন মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন বলেন, কাউসার দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে থাকতেন। এক মাস আগে দেশে এসেছিলেন পরিবারকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। সপ্তাহ খানেক পরেই ওনাদের ইতালি চলে যাওয়ার কথা। এর আগে সপরিবারে এসেছিলেন রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করতে। তিনদিন আগেই পরিবারের ভিসা মিলেছে। সেই উপলক্ষ্যে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খেয়ে-দেয়ে একটু আনন্দ করতে এসেছিলেন।

শাহীন বলেন, রাত ৮টার দিকে সৈয়দ মোবারক তার স্ত্রী স্বপ্না (৩৮), মেয়ে সৈয়দা তাশফিয়া (১৭), সৈয়দা নূর (১৫) ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহকে নিয়ে বাসা থেকে বের হন কাচ্চি ভাইতে খাওয়ার জন্য। তারা সেখানে পৌঁছানোর পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তারা সবাই মারা যান।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় ভবনটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। ৯টা ৫৬ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ শুরু করে। একে একে যোগ দেয় ১৩টি ইউনিট।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পান তারা। মূহুর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে।

প্রথম দুই ঘণ্টা কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাত ১২টার পর থেকে আহত ব্যক্তিদের ভবন থেকে বের করে আনা হয়।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, পুরো ভবনে অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। এমনকি সিঁড়িতেও মজুত ছিল সিলিন্ডার। ফলে ভবনটিতে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে।