ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ! প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন

খাদেমুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদ্যার দেবী স্বরস্বতী’র অঙ্গনতূল্য জাহাঙ্গীরনগর, ঢাকা এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি যৌন হয়রানী ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে ।

 বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩ টায় দিনাজপুর প্রেস ক্লাব সম্মুখ সড়কে ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করা হয়।

এ সময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি  ড. মারুফা বেগম-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রুবিনা আকতারের সঞ্চালনায় এই  কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহাবুবা খাতুন, অর্চনা অধিকারী, মিনতি ঘোষ, গোলেনুর বেগম, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবি আফরোজ, সম্মানীয় সদস্য কানিজ রহমান, সুমিত্রা বেসরা, জেসমিন আরা, লিগ্যাল এইড সম্পাদক গৌরী চক্রবর্তী, প্রচার সম্পাদক সুকলা কুন্ডু, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক কৃষ্ণা প্রিয়া মুর্মু, সদস্য মিনতি এক্কা, রেহানা বেগম, তামজিদা পারভীন সীমা প্রমুখ।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ ও যৌণ হয়রানীর ঘটনা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আজ যে প্রতিবাদ কর্মসূচী আমরা পালন করছি এটি নতুন কোন কর্মসূচী নয়।এমন লোমহর্ষক ন্যাক্কারজনক ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগেও ঘটেছে। কিন্তু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জাতি প্রত্যক্ষ করেনি বলে এমন ঘটনা বারবার আমাদেশ দৃশ্যপটে এসে যায় যা কোন অবস্থাতেই কাম্য নয়। ধর্ষণ ও যৌণ হয়রানী ঘটনায় কোনো রকম তদন্ত বা সুরাহা কর্তৃপক্ষ যথাযথ ভাবে করেনি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা না থাকায় এই সুযোগে কুরুচিপূর্ণ কতিপয় ছাত্র এই ধরণের পাশবিক ঘটনা ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে। এতে  শঙ্কিত সভ্যতা, লজ্জিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত আমার সোনার বাংলা। আজকের যে ছাত্র আগামী দিনের রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালক সেই কিনা ধর্ষক !এমন ভাববোধ সমাজকে অস্থির করে তুলে।এমন  নৈতিক অধঃপতনের দায় শুধু সেই ছাত্রকে নয় তার পরিবারসহ গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে নিতে হবে। আমরা শুধু উদ্বিগ্ন নই আমরা নির্মহ রুপে নিরুত্তর। এমন বাস্তবতায় আমরা বলতে চাই যে, বাংলাদেশে এ হীনকর্ম জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। আমরা সরকারের কাছে এই জঘন্য অপরাধগুলোর দ্রুত তদন্ত ও বিচার চাই। সেইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা ও শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানাই। আমাদের প্রত্যাশা এনিয়ে এটাই যেন হয় শেষ প্রতিবাদ কর্মসূচী।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ! প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিদ্যার দেবী স্বরস্বতী’র অঙ্গনতূল্য জাহাঙ্গীরনগর, ঢাকা এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি যৌন হয়রানী ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে ।

 বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩ টায় দিনাজপুর প্রেস ক্লাব সম্মুখ সড়কে ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করা হয়।

এ সময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি  ড. মারুফা বেগম-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রুবিনা আকতারের সঞ্চালনায় এই  কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহাবুবা খাতুন, অর্চনা অধিকারী, মিনতি ঘোষ, গোলেনুর বেগম, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবি আফরোজ, সম্মানীয় সদস্য কানিজ রহমান, সুমিত্রা বেসরা, জেসমিন আরা, লিগ্যাল এইড সম্পাদক গৌরী চক্রবর্তী, প্রচার সম্পাদক সুকলা কুন্ডু, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক কৃষ্ণা প্রিয়া মুর্মু, সদস্য মিনতি এক্কা, রেহানা বেগম, তামজিদা পারভীন সীমা প্রমুখ।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ ও যৌণ হয়রানীর ঘটনা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আজ যে প্রতিবাদ কর্মসূচী আমরা পালন করছি এটি নতুন কোন কর্মসূচী নয়।এমন লোমহর্ষক ন্যাক্কারজনক ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগেও ঘটেছে। কিন্তু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জাতি প্রত্যক্ষ করেনি বলে এমন ঘটনা বারবার আমাদেশ দৃশ্যপটে এসে যায় যা কোন অবস্থাতেই কাম্য নয়। ধর্ষণ ও যৌণ হয়রানী ঘটনায় কোনো রকম তদন্ত বা সুরাহা কর্তৃপক্ষ যথাযথ ভাবে করেনি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা না থাকায় এই সুযোগে কুরুচিপূর্ণ কতিপয় ছাত্র এই ধরণের পাশবিক ঘটনা ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে। এতে  শঙ্কিত সভ্যতা, লজ্জিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় লালিত আমার সোনার বাংলা। আজকের যে ছাত্র আগামী দিনের রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালক সেই কিনা ধর্ষক !এমন ভাববোধ সমাজকে অস্থির করে তুলে।এমন  নৈতিক অধঃপতনের দায় শুধু সেই ছাত্রকে নয় তার পরিবারসহ গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে নিতে হবে। আমরা শুধু উদ্বিগ্ন নই আমরা নির্মহ রুপে নিরুত্তর। এমন বাস্তবতায় আমরা বলতে চাই যে, বাংলাদেশে এ হীনকর্ম জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। আমরা সরকারের কাছে এই জঘন্য অপরাধগুলোর দ্রুত তদন্ত ও বিচার চাই। সেইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা ও শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানাই। আমাদের প্রত্যাশা এনিয়ে এটাই যেন হয় শেষ প্রতিবাদ কর্মসূচী।