ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিপিএলের প্রথম শিরোপা তামিমের বরিশালের

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪
  • / ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২২ সালের ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে এক রানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছিল ফরচুন বরিশাল। শেষের নাটকীয়তায় ভাগ্যের কাছেই হার মানতে হয়েছিল তাদের! কাছাকাছি গিয়েও স্বপ্ন ছুঁতে না পারার যন্ত্রণা বছর দুয়েক ধরেই বয়ে বেড়াচ্ছে বরিশাল। অবশেষে আরও একবার ফাইনালে কুমিল্লাকে পেয়ে সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ আসে। এবার ভাগ্য সঙ্গেই ছিল ফরচুনদের। কুমিল্লাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বরিশাল। দলের মতোই অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেলেন তামিম ইকবালও।

শুক্রবার (১ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে অঙ্কনের ৩৮ ও শেষ দিকে রাসেলের ১৪ বলে ২৭ রানে ১৫৪ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা। জবাবে ৬ উইকেট ও ৬ বল হাতে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বরিশাল।

কুমিল্লার দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে দারুণ সংগ্রহ পায় বরিশাল। দুই উদ্বোধনী ব্যাটার তামিম ইকবাল ও মেহেদি মিরাজ ৭৬ রানের জুটি গড়েন। তামিম ব্যক্তিগত ২৬ বলে ৩ ছক্কা ও সমান চারে ৩৯ রান সংগ্রহ করে মঈন আলির বলে বোল্ড হলে ভাঙে জুটি। তামিমের বিদায়ের ৬ রান পরই বিদায় নেন আরেক ওপেনার মেহেদি মিরাজ। তখন বরিশালের রান ৮২। এরপর তৃতীয় উইকেটে কাইল মায়ার্স ও মুশফিকুর রহিম ৫৯ রানের জুটি গড়েন।

এরপর দলীয় ১৪১ রানে মায়ার্সকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরা মুস্তাফিজ। তার আগে মায়ার্স ৩০ বলে ২ ছক্কা ও ৫ চারে করেন ৪৬ রান। মায়ার্সের বিদায়ের তিন রান পরেই মুশফিককে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মুস্তাফিজ। ম্যাচে এটি ছিল ফিজের দ্বিতীয় শিকার। পঞ্চম উইকেটে মিলার ও মাহমুদউল্লাহ মিলে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বরিশালের বোলারদের তোপে পড়ে কুমিল্লা। দলীয় ৬ রানেই সুনীল নারাইনকে হারায় তারা। দ্বিতীয় উইকেটে লিটন-হৃদয় জুটি গড়ার আগেই ব্যক্তিগত ১৫ রানে ফুলারের বলে বিদায় নেন তিনি। হৃদয়ের বিদায়ের ১২ রান পর ব্যক্তিগত ১৬ রান করে ফুলারের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন লিটন।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান জনসন চার্লস ও মঈন আলি। এরপর ৬ষ্ঠ উইকেটে অঙ্কন ও জাকের আলী ৩৬ রানের জুটি গড়েন। তবে দলীয় ১১৫ রানে ব্যক্তিগত ৩৮ রানে আউট হয়ে যান অঙ্কন। সপ্তম উইকেটে আন্দ্রে রাসেল ১৪ বলে ২৭ রানের ছোট্ট ইনিংস খেলেন। যেখানে ছিল ৪টি ছয়ের মার। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লার সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ১৫৪ রানে। বরিশালের হয়ে ফুলার ২টি, কাইল মায়ার্স, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ওবেদ ম্যাককয় প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স : ২০ ওভারে ১৫৪/৬ (লিটন ১৬,নারিন ৫, তাওহিদ ১৫, চার্লস ১৫, মাহিদুল ৩৮, মঈন ৩, জাকের ২০, রাসেল ২৭; মায়ার্স ৪-০-২৬-১, সাইফউদ্দিন ৪-০-৩৭-১, ফুলার ৪-০-৪৩-২, তাইজুল ৪-০-২০-০, ম্যাকয় ৪-০-২৪-১)।

ফরচুন বরিশাল : ১৯ ওভারে ১৫৭/৪ (তামিম ৩৯, মিরাজ ২৬, মায়ার্স ৪৬,রিয়াদ ৭, মিলার ৮, মুশফিক ১৩ ; মুস্তাফিজ ৪-০-৩১-২, তানভির ৩-০-২৪-০, নারিন ৪-০-২১-০, বর্ষন ১-০-১৫-১, রাসেল ৩-০-৩৩-০,মঈন ৪-০-২৮-২)।

ফল : ৬ উইকেটে জয়ী ফরচুন বরিশাল।

ম্যান অব দ্য ফাইনাল : কাইল মায়ার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

বিপিএলের প্রথম শিরোপা তামিমের বরিশালের

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

২০২২ সালের ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে এক রানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছিল ফরচুন বরিশাল। শেষের নাটকীয়তায় ভাগ্যের কাছেই হার মানতে হয়েছিল তাদের! কাছাকাছি গিয়েও স্বপ্ন ছুঁতে না পারার যন্ত্রণা বছর দুয়েক ধরেই বয়ে বেড়াচ্ছে বরিশাল। অবশেষে আরও একবার ফাইনালে কুমিল্লাকে পেয়ে সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ আসে। এবার ভাগ্য সঙ্গেই ছিল ফরচুনদের। কুমিল্লাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বরিশাল। দলের মতোই অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেলেন তামিম ইকবালও।

শুক্রবার (১ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে অঙ্কনের ৩৮ ও শেষ দিকে রাসেলের ১৪ বলে ২৭ রানে ১৫৪ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা। জবাবে ৬ উইকেট ও ৬ বল হাতে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বরিশাল।

কুমিল্লার দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে দারুণ সংগ্রহ পায় বরিশাল। দুই উদ্বোধনী ব্যাটার তামিম ইকবাল ও মেহেদি মিরাজ ৭৬ রানের জুটি গড়েন। তামিম ব্যক্তিগত ২৬ বলে ৩ ছক্কা ও সমান চারে ৩৯ রান সংগ্রহ করে মঈন আলির বলে বোল্ড হলে ভাঙে জুটি। তামিমের বিদায়ের ৬ রান পরই বিদায় নেন আরেক ওপেনার মেহেদি মিরাজ। তখন বরিশালের রান ৮২। এরপর তৃতীয় উইকেটে কাইল মায়ার্স ও মুশফিকুর রহিম ৫৯ রানের জুটি গড়েন।

এরপর দলীয় ১৪১ রানে মায়ার্সকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরা মুস্তাফিজ। তার আগে মায়ার্স ৩০ বলে ২ ছক্কা ও ৫ চারে করেন ৪৬ রান। মায়ার্সের বিদায়ের তিন রান পরেই মুশফিককে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মুস্তাফিজ। ম্যাচে এটি ছিল ফিজের দ্বিতীয় শিকার। পঞ্চম উইকেটে মিলার ও মাহমুদউল্লাহ মিলে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বরিশালের বোলারদের তোপে পড়ে কুমিল্লা। দলীয় ৬ রানেই সুনীল নারাইনকে হারায় তারা। দ্বিতীয় উইকেটে লিটন-হৃদয় জুটি গড়ার আগেই ব্যক্তিগত ১৫ রানে ফুলারের বলে বিদায় নেন তিনি। হৃদয়ের বিদায়ের ১২ রান পর ব্যক্তিগত ১৬ রান করে ফুলারের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন লিটন।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান জনসন চার্লস ও মঈন আলি। এরপর ৬ষ্ঠ উইকেটে অঙ্কন ও জাকের আলী ৩৬ রানের জুটি গড়েন। তবে দলীয় ১১৫ রানে ব্যক্তিগত ৩৮ রানে আউট হয়ে যান অঙ্কন। সপ্তম উইকেটে আন্দ্রে রাসেল ১৪ বলে ২৭ রানের ছোট্ট ইনিংস খেলেন। যেখানে ছিল ৪টি ছয়ের মার। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লার সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ১৫৪ রানে। বরিশালের হয়ে ফুলার ২টি, কাইল মায়ার্স, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ওবেদ ম্যাককয় প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স : ২০ ওভারে ১৫৪/৬ (লিটন ১৬,নারিন ৫, তাওহিদ ১৫, চার্লস ১৫, মাহিদুল ৩৮, মঈন ৩, জাকের ২০, রাসেল ২৭; মায়ার্স ৪-০-২৬-১, সাইফউদ্দিন ৪-০-৩৭-১, ফুলার ৪-০-৪৩-২, তাইজুল ৪-০-২০-০, ম্যাকয় ৪-০-২৪-১)।

ফরচুন বরিশাল : ১৯ ওভারে ১৫৭/৪ (তামিম ৩৯, মিরাজ ২৬, মায়ার্স ৪৬,রিয়াদ ৭, মিলার ৮, মুশফিক ১৩ ; মুস্তাফিজ ৪-০-৩১-২, তানভির ৩-০-২৪-০, নারিন ৪-০-২১-০, বর্ষন ১-০-১৫-১, রাসেল ৩-০-৩৩-০,মঈন ৪-০-২৮-২)।

ফল : ৬ উইকেটে জয়ী ফরচুন বরিশাল।

ম্যান অব দ্য ফাইনাল : কাইল মায়ার্স