ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিক্ষোভ-সংঘাতে উত্তাল ফ্রান্স

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩
  • / ৪৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনার জের ধরে দাঙ্গা-সহিংসতায় অগ্নিগর্ভ ফ্রান্স। দেশজুড়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হচ্ছে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। পঞ্চম রাতে দেশজুড়ে নতুন করে গ্রেফতার করা হয়েছে ৩২২ জনকে। এ দিন দাঙ্গার মূল ঘটনাগুলো ঘটেছে বন্দর শহর মার্সেইতে। সহিংস এই বিক্ষোভে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় ১৪০০ জনকে।

সড়কে পুলিশের নির্দেশ অমান্য করায় নাহেল নামের আরব বংশোদ্ভূত কিশোরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পাঁচ দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে ফ্রান্সজুড়ে। সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনীও রয়েছে মারমুখী ভূমিকায়। গত মঙ্গলবার রাজধানী প্যারিস থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে। তাই কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে ফ্রান্সের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া শহরগুলোতে।

বিবিসি জানিয়েছে, শনিবারও অব্যাহত ছিলো দাঙ্গা-সহিংসতা। পঞ্চম রাতেও দেশজুড়ে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘাত হয়। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। রাজধানীজুড়ে বাড়ানো হয় পুলিশি টহল। সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ রাখা হয় গণপরিবহন।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় মার্সেই শহরে। রাতভর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরটি থেকে গ্রেফতার করা হয় ৫৬ জনকে।

এদিকে, শনিবার রাজধানী প্যারিসের নান্টেরেতে স্থানীয় একটি মসজিদে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয় কিশোর নাহেলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিক্ষোভ-সংঘাতে উত্তাল ফ্রান্স

আপডেট সময় : ১২:৪০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনার জের ধরে দাঙ্গা-সহিংসতায় অগ্নিগর্ভ ফ্রান্স। দেশজুড়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হচ্ছে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। পঞ্চম রাতে দেশজুড়ে নতুন করে গ্রেফতার করা হয়েছে ৩২২ জনকে। এ দিন দাঙ্গার মূল ঘটনাগুলো ঘটেছে বন্দর শহর মার্সেইতে। সহিংস এই বিক্ষোভে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় ১৪০০ জনকে।

সড়কে পুলিশের নির্দেশ অমান্য করায় নাহেল নামের আরব বংশোদ্ভূত কিশোরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পাঁচ দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে ফ্রান্সজুড়ে। সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনীও রয়েছে মারমুখী ভূমিকায়। গত মঙ্গলবার রাজধানী প্যারিস থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে। তাই কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে ফ্রান্সের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া শহরগুলোতে।

বিবিসি জানিয়েছে, শনিবারও অব্যাহত ছিলো দাঙ্গা-সহিংসতা। পঞ্চম রাতেও দেশজুড়ে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘাত হয়। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। রাজধানীজুড়ে বাড়ানো হয় পুলিশি টহল। সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ রাখা হয় গণপরিবহন।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় মার্সেই শহরে। রাতভর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরটি থেকে গ্রেফতার করা হয় ৫৬ জনকে।

এদিকে, শনিবার রাজধানী প্যারিসের নান্টেরেতে স্থানীয় একটি মসজিদে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয় কিশোর নাহেলের।