ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিএনপির সমাবেশ একটি বড় চাঁদার প্রকল্প: তথ্য মন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৭৬ বার পড়া হয়েছে

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

বাংলা খবর বিডি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সমাবেশ একটি বড় চাঁদার প্রকল্প। চাঁদার বড় একটি অংশ তারেক জিয়ার কাছে পাঠানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ওদের সমাবেশে সহায়তা করছে। তবে জনগণের জানমাল রক্ষায় সরকারের যেহেতু দায়িত্ব রয়েছে, সে কারণে রুটিন তল্লাশি করা হয়েছে। চট্টগ্রামের সমাবেশে সন্ত্রাসীদের জমায়েত করেছে, শহরে যাতে বোমাবাজি করতে না পারে, রুটিন তল্লাশি করেছে পুলিশ। বিএনপি মানেই হচ্ছে পেট্রোল বোমা বাহিনী, নাশকতা বাহিনী।

তিনি বলেন, ওরা যখন কথা বলে তখন পেছনে তাকাতে বলি, ওরা সারাদেশে সমাবেশে হামলা করে অসংখ্য নেতাকর্মী হত্যা করেছে। ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলা করে নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য। কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে, আহসান উল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে স্থায়ী কাঁটাতারের বেড়া ছিল। আওয়ামী লীগের সময়ে কোথাও কি এমন ঘটেছে। তারা নির্বিঘ্নে মিছিল মিটিং করছে। সমাবেশের নামে চাঁদাবাজি করছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের ধন্যবাদ জানায়। সরকার ২৫ মার্চের গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য অনেক দিন ধরেই কাজ করছে, তারই প্রতিফলন। আশা করছি, শিগগিরই জাতিসংঘের স্বীকৃতি মিলবে। রুয়ান্ডার গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি গণহত্যা হয়েছে বাংলাদেশে। অনেক বেশি মা বোনের সম্ভ্রমহানি হয়েছে।

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপির সমাবেশ একটি বড় চাঁদার প্রকল্প: তথ্য মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সমাবেশ একটি বড় চাঁদার প্রকল্প। চাঁদার বড় একটি অংশ তারেক জিয়ার কাছে পাঠানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ওদের সমাবেশে সহায়তা করছে। তবে জনগণের জানমাল রক্ষায় সরকারের যেহেতু দায়িত্ব রয়েছে, সে কারণে রুটিন তল্লাশি করা হয়েছে। চট্টগ্রামের সমাবেশে সন্ত্রাসীদের জমায়েত করেছে, শহরে যাতে বোমাবাজি করতে না পারে, রুটিন তল্লাশি করেছে পুলিশ। বিএনপি মানেই হচ্ছে পেট্রোল বোমা বাহিনী, নাশকতা বাহিনী।

তিনি বলেন, ওরা যখন কথা বলে তখন পেছনে তাকাতে বলি, ওরা সারাদেশে সমাবেশে হামলা করে অসংখ্য নেতাকর্মী হত্যা করেছে। ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলা করে নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য। কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে, আহসান উল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে স্থায়ী কাঁটাতারের বেড়া ছিল। আওয়ামী লীগের সময়ে কোথাও কি এমন ঘটেছে। তারা নির্বিঘ্নে মিছিল মিটিং করছে। সমাবেশের নামে চাঁদাবাজি করছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের ধন্যবাদ জানায়। সরকার ২৫ মার্চের গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য অনেক দিন ধরেই কাজ করছে, তারই প্রতিফলন। আশা করছি, শিগগিরই জাতিসংঘের স্বীকৃতি মিলবে। রুয়ান্ডার গণহত্যার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি গণহত্যা হয়েছে বাংলাদেশে। অনেক বেশি মা বোনের সম্ভ্রমহানি হয়েছে।