শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে কুখ্যাত ভূমি প্রতারক ফারজানাসহ আটক-৩ রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন কলমাকান্দায় সচেতনতা তৈরিতে বৈঠক শ্রীমঙ্গলে তিন দিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু শ্রীমঙ্গলে টপসয়েল কাটার দায়ে ১ জনের ৫০ হাজার টাকা দন্ড রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি দুর্ঘটনা অনেক বেড়েছে : সংসদে হানিফ সোনার চামচে রাজ-পরীমণির ছেলের মুখে ভাত! বাংলাদেশ সফরে ইংল্যান্ডের দল ঘোষণা চীন বাংলাদেশের বৃহৎ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদার : বাণিজ্যমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে সরকার কাজ করছে : স্পিকার হিরো আলমের অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই : ইসি রাশেদা দেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০৩১৬ : সংসদে শিক্ষামন্ত্রী রাজউকে অনলাইনে নকশার আবেদন ৩৪ হাজার : সংসদে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ নোবিপ্রবিতে আট দাবিতে তৃতীয় দিনও আন্দোলন অব্যহত

বিএনপির ভেন্যু নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব শুক্রবার কেটে যাবে: হারুন

বিএনপির ভেন্যু নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব শুক্রবার কেটে যাবে: হারুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 
১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশের ভেন্যু নিয়ে যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে তা শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) কেটে যাবে বলে জানিয়েছেন ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে ডিএমপির সদরদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আজ রাতে বিএনপির ৫ সদস্যদের একটি প্রতিনিধিদল ডিএমপির সদরদপ্তরে এসেছিলেন ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করতে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। ওনারা প্রায় দুই ঘণ্টা ছিলেন। বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ওনারা গণসমাবেশের জন্য কমলাপুর স্টেডিয়ামকে ভেন্যু হিসেবে চেয়েছেন। এছাড়া আরও একটি ভেন্যুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সেটি হলো মিরপুর বাংলা কলেজ মাঠ। এই দুটি ভেন্যুর বিষয়ে দুই পক্ষই একমত হয়েছে, এই দুটি স্থান দেখবো আমরা।

তিনি বলেন, এই দুটির মধ্যে একটি হয়তো ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ হবে বিএনপির গণসমাবেশের জন্য। আমি মনে করি, বিএনপির গণসমাবেশের ভেন্যু নিয়ে যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল সেটি শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) কেটে যাবে।

বিএনপির গণসমাবেশে নিরাপত্তা দিতে ডিএমপি কতটুকু প্রস্তুত- জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, যে জায়গায়ই ভেন্যু হোক, আমাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। ওনারা (বিএনপি) যেন নিরাপদে অনুষ্ঠান করতে পারে, আমরা সবসময় চেষ্টা করছি। এর আগে আমরা তাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কথা বলেছিলাম। সেখানে আমরা সিকিউরিটি ব্যবস্থা তৈরি করেছিলাম। খোলা মাঠ ছিল, কিন্তু ওনারা ওখানে যেতে রাজি হননি। তারপরও আমরা আন্তরিকতার হাত বাড়িয়ে তাদের সঙ্গে আরও তিনবার মিটিং করে আজকে দুটি ভেন্যু সিলেক্ট করা হয়েছে। এই দুটি ভেন্যু যাচাই-বাছাই করে দুই পক্ষ একমত হয়ে ১০ তারিখে গণসমাবেশ হবে।

ভেন্যু নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আজ রাতেই হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা দুই পক্ষই যাচাই-বাছাই করছি। আজ রাতে না হয়  শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে আমরা ভেন্যুগুলো দেখবো। এরই মধ্যে আমরা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, এই দুই ভেন্যুর একটিতেই হবে বিএনপির সমাবেশ।

তিনি আরও বলেন, এটি নিশ্চিত পল্টনে বিএনপির গণসমাবেশ হচ্ছে না। রাস্তার মধ্যে করতে দেওয়া হবে না।

ডিএমপির কাছে গ্রেফতার নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি তুলেছেন বিএনপির নেতারা। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিবি প্রধান বলেন, এটা আইনগত বিষয়।

বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো সহিংসতার আশঙ্কা আছে কি না, আর হলে তা মোকাবিলায় ডিএমপি প্রস্তুত কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আমরা রাস্তায় অনুমতি দেই নি। জনগণের যেন দুর্ভোগ না হয় সেজন্য রাস্তায় আমরা অনুমতি দেইনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *